উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে - প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ২৭ অক্টোবর আদমদীঘির কুন্দগ্রাম ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবুর পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও অর্থ সহায়তা কুলিয়ারচরে ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে ভরসার নাম: এ.এম.এম. নিয়াজ মাখদুম রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনার অর্থ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনার অর্থ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মাদককাণ্ডে জড়িতরা যেকোনো রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : এমপি বাবু আক্কেলপুরে তিন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, শুভেচ্ছা ও সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী কেনেডি বিশ্ববাজারে রুপার দাম স্থিতিশীল থাকলেও কমেছে প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়াম কিশোরগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে বায়েজিদ মিয়া ও মো. নাজমুল হাসান কালিগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. শফিকুল ইসলাম বাবু মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে ঝকঝকে সড়ক, বিস্মিত স্থানীয়রা ‎ জমি নিয়ে বিরোধ: চৌদ্দগ্রামে বাড়িতে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ আল-হিদায়াহ একাডেমিতে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রদান ৪ দিনের সফরে ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর এক ক্লিকে আখচাষিরা পেল ১২ কোটি টাকা হাতিয়ায় শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে তরুণ গ্রেপ্তার কোম্পানীগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুলিয়ারচরে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ করেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

ত্রিপুরায় তিপ্রা মথা পার্টির উত্থান

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 04-03-2023 01:06:57 pm

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (২ মার্চ)। এর পরপরই বেশ কিছু বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত বিশ্লেষণ শুরু হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে। শুক্রবার দিনভর এ বিশ্লেষণ চলে রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যালয়ে। প্রতিটি বৈঠকেই বিশ্লেষণ শেষে উঠে আসে তিপ্রা মথা প্রসঙ্গ।


আসলে ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিপ্রা মথা বলে কোনো রাজনৈতিক দলের আবিষ্কারই হয়নি। হঠাৎ করে ২০২০ সালে নানা ইস্যু সামনে রেখে আঞ্চলিকভাবে দলটির পথচলা ‍শুরু হয়। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। খুব দ্রুত এগোতে থাকে এ দল। শেষমেষ ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ১৩টি আসনে জয় পায় তিপ্রা মথা। একই সঙ্গে উঠে আসে দ্বিতীয় সর্বাধিক আসনে জয়ী দল হিসেবে।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুধু দ্বিতীয় সর্বাধিক আসনে জয়ী দল হিসেবে নয়, তিপ্রা মথা এবছর রাজ্যের বিরোধী আসনেও বসতে যাচ্ছে। এর আগে কোনো রাজনৈতিক দল জোট ছাড়া এমন অভূতপূর্ব ফলাফল অর্জন করতে পেরেছে, কি না জানা নেই।


রাজ্যের ইতিহাসে ২০টি জনজাতি (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) সংরক্ষিত আসনের ১৩টিই দখলে নিয়েছে তিপ্রা মথা। তবে সমতলে ৪২ আসনে প্রার্থী দিলেও কোনোটিতে জয় পায়নি এ দল। কিন্তু শাসক (বিজেপি)-বিরোধী উভয়ের ভোটেই ভাগ বসিয়েছে।


ভোটের ফলাফলে ১৩ হাজার ৬৫৭ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মাকে ৮০৮ ভোটে পরাজিত করেন তিপ্রা মথা পার্টির প্রার্থী সুবোধ দেববর্মা। এছাড়া সর্বাধিক ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানেও জয়ী হয়েছেন তিপ্রা মথার প্রার্থীরা। সামান্য ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শাসক দলের প্রার্থীরা।


রাজ্যটির নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলতে থাকলেও বিজেপির মধ্যে তেমন কোনো হেলদোল দেখা যায়নি। নির্বাচন পরবর্তী সংঘাতের বলতে গেলে অল্পবিস্তর চলছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকেই ঘুম হারাম হয়ে গেছে বহু সমতলবাসীর। তবে এবার সহিংসতার নজির তুলনামূলক কম।


অন্যদিকে, জনজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে একপ্রকার বাড়ি ছাড়ার উপক্রম হয়েছে বাঙালি লোকজনদের। শোনা গেছে, অনেকেই নাকি ঘর ছেড়ে হয়ে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন। এসব ঘটনায় তিপ্রা মথা পার্টির কর্মী-সমর্থকদেরই দায়ী করছে বিজেপি। জনজাতি অধ্যুষিত বহু এলাকায় সোমবারও (৩ মার্চ) অনেক বাঙালি ঘরে ফিরতে পারেননি।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, বিভিন্ন প্রান্তে মুখ্য নির্বাচন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক সংস্থা ও ক্লাব আগে থেকেই রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানায়। কিন্তু এ ধরনের আহ্বান যে অনেকেরই গায়ে লাগে না, তা আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।


জানা যায়, বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্যের নেতা-কর্মীদের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। বাম-কংগ্রেস জোটের পক্ষ থেকেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) (সিপিআইএম) রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। তবে কংগ্রেসের পক্ষে পিসিসি সভাপতি বীরজিত সিনহা বলেন, কোনো অবস্থাতেই সহিংসতার যেসব ঘটনা ঘটেছে, তা মেনে নেওয়া যায় না।


এদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা রাজ্যপাল (গভর্নর) সত্যদেও নারায়ণ আর্য'র কাছে পদত্যাগপত্র তুলে দিয়েছেন। নতুন করে শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে দায়িত্ব সামলানোর কথা জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল। যতদূর জানা গেছে, তাতে আগামী ৮ মার্চ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে। আর এতে উপস্থিত থাকতে পারেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।

Tag
আরও খবর