ভুয়া ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসাসেবা, কালকিনিতে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টকে জরিমানা সাংবাদিক পরিচয়ে গাড়ি চুরি চক্র! তিন পিকআপ উদ্ধার, আটক-১ ধামরাইয়ে জুমার নামাজ চলাকালে ইমামকে হেনস্তা নাঙ্গলকোটে প্রত্যয় সংগঠনের আর্থিক সহায়তা প্রদান আশাশুনির বাঁকড়ায় সড়কের গাছ কেটে আত্মসাৎ ও বনায়নের ক্ষতির প্রতিকার প্রার্থনা দিনাজপুরে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে চরমদুষর্ভোগে বিহারীপাড়ার প্রায় ৩০০পরিবার ‎রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিত কুতুবদিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু সৌদি আরবের আগেই ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে দেশের সব আদালত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন পদত্যাগ করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরান যুদ্ধে ইরাকের তেল-বাণিজ্যে ধস গোয়ালন্দে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে পোস্টারিং ও নৌ-মিছিল।। এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‎সুন্দরবনে ফের অস্ত্রসহ দুই দস্যু গ্রেফতার, চার জেলে উদ্ধার ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর! অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট ২১ জেলার মানুষের দাবিতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর আহ্বান জাবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড় কাটা রোধে করনীয় শীর্ষক মতবিনিয়র সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড় কাটা রোধে করনীয় শীর্ষক মতবিনিয়র সভা অনুষ্ঠিত



বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির( বেলা )প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্রশ্ন রেখে  বলেন -  হাইকোর্ট এবং সরকারের বিভিন্ন সময়ে জারি হওয়া আদেশ উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি এবং খাগড়াছড়িতে কাটা হয়েছে পাহাড়। পাহাড় কেটে কিভাবে জীববৈচিত্র্য রক্ষা হবে? 

রোববার (১১ জুন) সকাল ১১টায় হোটেল সৈকতের সাঙ্গু হলে আয়োজিত ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড় কাটা রোধে করনীয় শীর্ষক  মতবিনিয়র সভা’য় বক্তব্যকালে তিনি  একথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন  - ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রামে ৩২ দশমিক ৩৭ বর্গ কিলোমিটার পাহাড় ছিল। ২০০৮ সালে তা কমে ১৪ দশমিক দুই বর্গ কিলোমিটারে নেমে আসে। চট্টগ্রাম নগরীর যা পাহাড় কাটা হয়েছে তার হিসেব অনুযায়ী ৭৪ শতাংশ পাহাড় শুধু পাঁচলাইশ মৌজাতেই কাটা হয়েছে।

সরকারের বিভিন্ন সময়ে জারি হওয়া আদেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৮৩ সালে সরকারি আদেশ ছিল-চট্টগ্রামের কোথাও কোন পাহাড় কাটা যাবে না। ২০০৭ সালে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছিল- ‘জাতীয় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছাড়া পাহাড় কাটা যাবে না।’
উচ্চ আদালত ২০১২ সালের ১৯ মার্চ আদেশ জারি করেছিলেন, ‘চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং রাঙ্গামাটিতে কোন পাহাড় কাটা যাবে না।’
তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন সময়ে জারি করা নিজের আদেশ এবং উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করেই এই অঞ্চলে পাহাড় উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ করা পাহাড়ে আবার গাছ লাগানোর কথাও বলা হয়েছে। পাহাড় কেটে কীভাবে জীববৈচিত্র রক্ষা হবে সেটি আমাদের মাথায় ধরে না।

উক্ত মতবিরোধ সভায়  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী,চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ,
ইস্ট ডেলটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক সিকান্দার খান, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কাট্টলী সার্কেলের এসি ল্যান্ড উমর ফারুকসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।




আরও খবর