ইসরায়েলি হামলায় ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যাচ্ছে গাজাবাসীর দেহ আদমদীঘিতে ভ্রাম্যমান আদালতে পাঁচ মাদকসেবীকে জেল-জরিমানা ঝিনাইগাতীতে মেলায় জুয়ার আসর উচ্ছেদে যাওয়ায় পুলিশের ওপর হামলা চিলাহাটিতে ধর্ষকের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন শাজাহানপুর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৮ মণ পলিথিন জব্দ !!! চৌদ্দগ্রাম হোটেল টাইম স্কয়ার এবং হোটেল তাজমহলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান. কাঠের জীপ গাড়ি তৈরি করে তাক লাগিয়েছন অভয়নগরের আসলাম হোসেন ডোমারে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার-১ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংহতি প্রকাশ, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ শ্যামনগরে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি সভা ইসলামপুরে যাত্রীদের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ায় ইউএনওর অ্যাকশন নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীতে গোসল করতে গিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিখোঁজ রাজবাড়ীতে ৭৫ পুড়িয়া হেরোইন সহ মাদকারবারি গ্রেফতার। রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার ক্ষেতলালে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বাংলাদেশকে দেখার নেশায় ছুটছেন কুবির রাফি গাজায় নৃশংস হামলার প্রতিবাদে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ রাখার ঘোষনা: তিতুমীরের শিক্ষার্থীদের । লাখাইয়ে গ্রামের যুবমহল স্মার্টফোনের ছোঁয়ায় আজ ধ্বংসের প্রান্তে। গোয়ালন্দে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালন শান্তিগঞ্জে মাসব্যাপী কোরআন প্রশিক্ষণ পরবর্তী পুরস্কার বিতরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান

জয়পুরহাটে বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ছোট সৎ ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড


জয়পুরহাটে খাজামুদ্দিন নামে এক কবিরাজকে হত্যার মামলায় ছোট সৎ ভাই সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সিনিয়র দায়রা জজ নূর ইসলাম এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সাদ্দাম হোসেন জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার মালিপাড়া এলাকার মৃত জসিম উদ্দীনের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত সাদ্দামের সৎ বড় ভাই ছিলেন খাজামুদ্দিন।

তাদের মধ্যে পৈত্রিক জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর রাতে ক্ষেতলাল উপজেলার দাশরা ফকিরপাড়া গ্রামে খাজামুদ্দিন ও তার স্ত্রী শাহিদা রাতের খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। সে রাতে তার বাড়িতে জোর করে প্রবেশ করেন সাদ্দাম। পরে তার সাথে কথাকাটির এক পর্যায়ে খাজামুদ্দিনকে এলোপাথারি ছুরি দিয়ে আঘাত করার পর গলা কেটে হত্যা করে সাদ্দাম।

এসময় খাজামুদ্দিনের বাড়ির কাজের লোক মন্তাজ ও তার স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদেরও ছুরিকাঘাত করে আসামি।

এরপর পাশের ঘরে থাকা নিহতের পুত্রবধূ রেহেনা বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে পালানোর সময় স্থানীয়রা এসে সাদ্দামকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরের দিন সকালে নিহতের লাশ মর্গে পাঠায় পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আলম হোসেন বাদী হয়ে ১২ নভেম্বর ক্ষেতলাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সাদ্দামের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আলমগীর হোসেন। এ মামলায় ১৫ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালত আজ এ রায় দেন।

Tag
আরও খবর