ফোরল্যান সড়কে পাল্টে যাচ্ছে শান্তিগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা আশাশুনিতে দক্ষতা প্রশিক্ষণ পরিষেবা প্রদানকারীদের এ্যাডভোকেসী সভা লালপুরে একসঙ্গে তিন পুত্রসন্তানের জন্ম, আনন্দের সাথে দুশ্চিন্তা উপজেলা প্রকৌশলীর নাম ভাঙিয়ে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ যশোরে ডিএনসি'র অভিযানে ৩২০ পিস ট্যাপেন্ডাডলসহ কুঠিপাড়ার পলাশ গ্রেপ্তার কচুয়ার খাজুরিয়ায় শিক্ষামন্ত্রী মিলনের পক্ষের প্রবাসী নেতাকর্মীদের দেখা গেছে উচ্ছ্বাসিত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কাজ বন্ধের অভিযোগ শ্যামনগরে বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুলির অভিযোগ র‍্যাবের নাম পরিবর্তনের চিন্তাভাবনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুবলীগ নেতাকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বহিষ্কার চান ছাত্রদল নেতা ! লালপুরে স্কাউটসের পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যে ৫ জেলায় আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা, কয়েক অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা ভুয়া ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসাসেবা, কালকিনিতে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টকে জরিমানা সাংবাদিক পরিচয়ে গাড়ি চুরি চক্র! তিন পিকআপ উদ্ধার, আটক-১ ধামরাইয়ে জুমার নামাজ চলাকালে ইমামকে হেনস্তা নাঙ্গলকোটে প্রত্যয় সংগঠনের আর্থিক সহায়তা প্রদান আশাশুনির বাঁকড়ায় সড়কের গাছ কেটে আত্মসাৎ ও বনায়নের ক্ষতির প্রতিকার প্রার্থনা দিনাজপুরে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে চরমদুষর্ভোগে বিহারীপাড়ার প্রায় ৩০০পরিবার ‎রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিত

নানা জটিলতায় অগ্রগতি নেই ফরিদপুর-মাগুরা রেলপথ প্রকল্পে

ফরিদপুর-মাগুরা রেলপথ প্রকল্পের মেয়াদ শেষের পথে থাকলেও এখনও শেষ হয়নি জমি অধিগ্রহণের কাজ। ছয় বছরেও প্রকল্পের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। পুরনো মৌজা রেটে জমির দাম নির্ধারণ করায় অনেকেই জমি দিতে আগ্রহী নন। কৃষকেরা বলছেন, জমির টাকা এখনও অনেকেই পায়নি। ৫ আগস্টের পর থেকে কাজ একেবারেই বন্ধ। ছয় বছরেও প্রকল্পের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এখন ৯৫ একর জমি অধিগ্রহণের শতকোটি টাকা রয়েছে। তবে মামলা থাকায় অধিগ্রহণে ধীর গতি হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর-মাগুরা রেললাইন প্রকল্প শুরু হয় ২০১৮ সালের ২৯ মে। ২০২২ সালের ৩০ এপ্রিল প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জমি অধিগ্রহণের ধীরগতির কারণে প্রকল্পের মেয়াদ পিছিয়ে ২০২৫ সাল করা হয়। মাগুরা অংশে রেল প্রকল্পে জমির পরিমাণ ১০৭ একরের মতো ধরা হয়। যার মূল্য প্রায় ১১৫ কোটি ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। ছয় বছরে মাত্র ১২ একর বুঝে পেয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ক্যাসল কন্সট্রাকশন। সাবেক সংসদ সদস্য নাবিল আহমেদের এই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাজ সরকার পরিবর্তনের পর অনেকটাই বন্ধ হয়ে যায়। জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় চাষাবাদও করতে পারছে না কৃষক। মাগুরা জেলা প্রশাসক মো. অহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা একটা প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি। যেন অনেক অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণ বুঝিয়ে দিয়ে প্রকল্প পরিচালকের কাছে জমিটা হস্তান্তর করতে পারি। আশা করা যায়, ডিসেম্বরের মধ্যে এখানে একটা দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে। দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করে প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পশ্চিম) মামুনুল ইসলাম বলেন, এ জমি নিয়ে কিছু মামলা মীমাংসার ব্যাপার রয়েছে। দ্রুত এগুলো শেষ করে কাজ শুরু করা হবে। ফরিদপুর-মাগুরা রেললাইন নির্মাণ শেষ হলে প্রথমবারের মতো ঢাকার সঙ্গে মাগুরার ট্রেন যোগাযোগ স্থাপন হবে।
Tag
আরও খবর