রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় পচা ও ফ্রিজে রাখা মাংস বিক্রি করার দায়ে রফিকুল কসাই নামে ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার ও এজিকিউট ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আজ সকালে উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের জায়গীর বাসস্ট্যান্ডে ওভার ব্রীজের নিচে মাংস বিক্রি করার সময় ব্যবসায়ীকে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সহযোগিতায় জরিমানা করা হয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়- দীর্ঘদিন ধরে জায়গীরহাট বাসস্টান্ডে মাংস ব্যবসায়ী কসাই রফিকুল ইসলাম গোপনে বিক্রি না হওয়া ফ্রিজে রাখা মাংস মিশ্রিত করে বিক্রি করে আসছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা একরামুল হক মন্ডল মাংসের দোকানে গিয়ে মাংস পরীক্ষা করেন। মঙ্গলবার জবাইকৃত গরুর মাংস বিক্রি না হওয়ায় বুধবার সকালে জবাইকৃত গরুর মাংসের সাথে একত্রিত করে বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর নিশ্চিত হয়ে সহকারী ভূমি কমিশনার ও এজিকিউট ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান।
ঘটনার সত্যতা শীকার কওে মাংস ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন- মঙ্গলবার জবাইকৃত গরুর ২০ কেজি মাংস বিক্রি না হওয়ায় ফ্রিজে রেখেছিলেন। পরের দিনে জবাইকৃত গরুর মাংসের সাথে তা মিশ্রিত করেন। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা একরামুল হক মন্ডল বলেন- উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ও হাটবাজারে নিয়ম না মেনে গরু জবাই করা হচ্ছে। গরু জবাই করার শেক্ষেত্রে গরুর স্থাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে অবগত না হয়ে অবাধে জবাই করা হচ্ছে। পচা ও ফ্রিজে রাখা মাংস একত্রিত করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। গরু জবাই করার ক্ষেত্রে নিয়ম নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে কসাইদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ীরা যেন সাধারণ জনগণকে ঠকিয়ে মাংস বিক্রি করতে না পারে সেক্ষেত্রে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে অবগত করেন।
উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার ও এজিকিউট ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন বলেন -মাংস ব্যবসায়ীকে পচা ও বাসি ফ্রিজে রাখা মাংস একত্রিত করে বিক্রির দায়ে জরিমানা করা হয়েছে। পচা ও ফ্রিজে রাখা মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। মাংস ব্যবসায়ীকে ভবিষ্যতে অস্থাস্থ্যকর পরিবেশে পশু জবাই এবং মাংস বিক্রির বিষয় সতর্ক করা হয়েছে।