সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের কানগাতিঁ গ্রামে সেচ প্রকল্পে সেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কৃষকরা।
রবিবার সকালের কানগাতিঁর সাধারণ কৃষকদের ব্যানারে গ্রামের কৃষি জমিতে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তরা বলেন সমিতির মাধ্যমে এস এস ১১৯ সেচ প্রকল্প চালু করা হয়। কিন্তু কিছুদিন ধরে হানিফ মোল্লা প্রকল্পটি তাদের নিজস্ব বলে দাবি করছেন। এই সেচ প্রকল্পের অধিনে ১শ ৫০ বিঘা জমি রয়েছে। কিন্ত সামাজিক বিরোধের জন্য ৫০/৬০ বিঘা জমিতে সঠিক ভাবে সেচের পানি দেওয়া হয় না। আর কিছু কিছু জমিতে একবারেই পানি দেওয়া হয় না। এতে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পাচ্ছে না কাঙ্খিত ফসল। এই বিষয়ে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করেও তারা এর কোন সমাধান পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয় মানববন্ধন থেকে। বক্তরা বলেন সেচের ব্যায় কমানোর জন্য সময়মত সেচ দেওয়া হয় আবার চাষাবাদের জন্য যে পরিমান পানি প্রয়োজন তা দেওয়া হয় না। ফলে এক বিঘা জমিতে আগে ধান উৎপাদন হতো ২০ থেকে ২২ মন এখন পানির সমস্যার জন্য বিঘাতে ধান হচ্ছে ১০ থেকে ১২ মন। উৎপাদন খরচ সমান হলেও ফসল কম পাওয়া যাচ্ছে। আমরা এর সঠিক সমাধান চাই। তাদের পারিবারিক দ্বন্দের জের জমিতে আনা হচ্ছে আর এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি । ঘন্টা ব্যাপি এই্ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন আশরাফ আলী মল্লিক,আবুল কালাম মাস্টার,হযরত আলী,দানেশ উদ্দিনসহ শতাধিক কৃষক। অভিযোগ রয়েছে বিআর ডিবির পুরাতন মেশিনও নাকি বিক্রি করে দিয়েছেন হানিফ। তবে হানিফ মোল্লা বলেছেন এখনো চাষাবাদ শুরু হয়নি শুরু হলেই দেখবেন পানি দেওয়া হয় কি হয় না। এটা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রবাগন্ডা ছরনো হচ্ছে,এটি নিয়ে বিএডিসির কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন। তারা জানে জমিতে পানি দেওয়া হয় কি হয় না। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ বি এ ডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী চিত্তরঞ্জন দাস জানিয়েছেন সেচ প্রকল্পের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে জমিতে পানি সরবারহ করার জন্য কিন্ত টাকা পয়সার বিরোধ নিয়ে ঐ সেচের মালিক জমিতে সঠিক ভাবে পানি দিচ্ছে বলে অভিযোগ আছে আমাদের সহকারি প্রকৌশলীর কাছে। এই বিষয় নিয়ে ঐ মালিকের সাথে কথাও বলেছেন তিনি যদি পানি না দেয় তাহলে তার লাইসেন্স বাতিল করতে পারবে উপজেলা সেচ কমিটি। আমরা দেখবো যদি সেচের কারনে উৎপাদন কমে যায় তাহলে তার লাইসেন্স বাতিল করার জন্য সুপারিশ করবো আমরা। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন বিষয়টি নিয়ে সামনের মাসিক সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে। কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হবে এমন কাজ করতে দেওয়া হবে না।
৬ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
৩ দিন ৫ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
৪ দিন ১০ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৮ দিন ১১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১০ দিন ৮ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১১ দিন ১০ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
১১ দিন ১১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১৫ দিন ৮ ঘন্টা ১ মিনিট আগে