ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন তরুণদের ‘থ্রি-জিরো’ ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে তৈরির আহ্বান জানালেন ড. বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর ইউনূস ২-৪ বছর থাকলে দেশ সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার পথে এগিয়ে যাবে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে'

"পাবিপ্রবিতে জেলা হত্যা দিবস পালিত"



আজ ৩রা নভেম্বর জেলা হত্যা দিবস।এদিন জাতীয় ৪ নেতাকে কারাগারে  নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়ছে। এই দিবসটি উপলক্ষে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক র‍্যালী এবং শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়েছে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে চার নেতার  ছবি স্থাপন করে সেখানে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করা হয়। জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হাফিজা খাতুন, উপ- উপাচার্য ড. এস এম মোস্তফা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সালাহ উদ্দিন, প্রক্টর,  রেজিস্টার, ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তর সহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


আরো শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করে রাসায়ন বিভাগ, ইংরেজি বিভাগ, ইইসিই বিভাগ, বাংলা বিভাগ, ইতিহাস ও বাংলাদেশ স্টাডিস বিভাগ,  পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, পাবিপ্রবি ছাত্রলীগ, রোভার স্কাউট,  পাবিপ্রবি প্রেসক্লাব  সহ আরো বিভিন্ন সংগঠন। 


উক্ত শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উপচার্য অধ্যাপক ড. হাফিফা খাতুন। তিনি বলেন,  বঙ্গবন্ধু স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য নয়টি মাস দায়িত্ব নিয়ে চার নেতা মুক্তিযুদ্ধের পরিচালনা করেছেন। এই কাজটি সহজ ছিল না। উনারা অকুতোভয় নেতা , অসীম  সাহসী এবং নেতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধকে  সামনে রেখেই যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। এটা বুদ্ধিজীবী দের হত্যার মত আরেকটি রিফ্লেকশন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে যারা দেশটাকে চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে তাদের ধ্বংস করে ফেলতে মনে হয় আমাদের বিজয় এটা ভেবেই ৪ নেতারকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে পাবিপ্রবি'র কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম সবাইকে নিয়ে  ৪ নেতার জন্য দোয়া ও মোনাজাত করেন।

আরও খবর