প্রিয় ড. জান্নাত আরা হেনরী ম্যাম,
আপনি সিরাজগঞ্জ শহরের উন্নয়নের রুপকার এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হেনরী ইনস্টিটিউট অব বায়োসায়েন্স এন্ড টেকনোলজির সম্মানিত চেয়ারম্যান।বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে অগ্রণী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আমার কাছে আপনি পরিচিত,এছাড়া শিক্ষিকা হিসেবে অনন্য কৃতির অধিকারী ছিলেন এই সিরাজগঞ্জের বুকে সেই আশা রাখি।এছাড়াও আপনার বিপুল কর্মময় বর্ণাঢ্য জীবনে সামগ্রিকভাবে সিরাজগঞ্জ জেলা সহ বাঙালির মানস ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন বলে আমি মনে করি।সে কারণে আজ আপনার জন্মদিন আমার জন্য আনন্দের।
আমরা গর্বিত আপনার মতো এমন একজন মানুষকে চেয়ারম্যান হিসেবে নয় শুধু গার্ডিয়ান হিসেবেও পেয়েছি বলে।হিমাদ্রী শিখর সফলতার মূর্ত-স্মারক, উন্নয়নের কাণ্ডারি আপনি আমার চোখের দেখায়। উন্নত সমৃদ্ধ সিরাজগঞ্জ গড়ার রূপকার এবং রাজনীতির উজ্জ্বলতম প্রভা,অনগ্রসর জাতি-দেশ-জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র,মানুষও বটে আপনি।
প্রিয় ম্যাম,
পুরো সিরাজগঞ্জবাসী আপনার মুখের দিকে চেয়ে থাকে। কারণ,আপনি শত বিপদ মাথায় নিয়ে চ্যালেঞ্জসহ এগিয়ে যান নেত্রী হিসেবে নয়- কখনো শিক্ষিকা,কখনো মানবসেবী আবার কখনোবা নিজ পরিবারের সদস্য মনে করে।এজন্য আমার মতো ক্ষুদ্র একজন মানুষ আপনাকে সিরাজগঞ্জ শহরের 'আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক' বলে থাকে। আপনি বেঁচে থাকলে এ জেলার কাউকে কেউ কখনো দাবায়ে রাখতে পারবে না। এ আমার বিশ্বাস। এ বিশ্বাস নিয়েই আমি পথ চলি। সকালে ঘুম থেকে ওঠি।আশা রাখি এ জেলার মানুষও সূর্যাস্ত দেখে নিরাপদে ঘুমুতে যায়।
ম্যাম, আপনি পৌরাণিক ফিনিক্স পাখির মতো। এ ধরায় এসেছেন হয়তো কোন স্বপ্ন বাস্তবায়নে। মাঝে মাঝে ভাবি আপনি সেরাদের সেরা একজন নারী।জাতির পিতা আমাদের এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা।জাতির কন্যা দিয়েছেন মহামুক্তির আস্বাদন। আপনি এনে দিয়েছেন এজেলার মানুষদের মাঝে স্বাধীনতা,চিন্তা-মুক্তি,দারিদ্র্যতার অভাব দূর করা সহ,পরিপূর্ণ একটি শিক্ষাব্যবস্থা। আপনার নেতৃত্বে আজ জাতি তলা বিহীন ঝুড়ি নয়।সিরাজগঞ্জ এক অপার বিস্ময়।
মহামারির চরম সংকটেও আপনি ঠিকই সচল রেখেছেন ত্রাণ দেওয়ার গতিধারা।আশা করি সিরাজগঞ্জের মানুষ বিশ্বাস করে চরম সংকটেও আপনার নেতৃত্ব থাকবে অবিচল।
আপনি আজ নেত্রীতে পরিণত হয়েছেন নিজ নেতৃত্ব গুণে। আপনার নেতৃত্ব আরো ক্ষুরধার হোক। হোক প্রজ্ঞাবান। হোক দূরদর্শী।
আপনি দীর্ঘজীবী হোন, সুস্থ থাকুন।
শুভেচ্ছান্তে,
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত, হেনরী ইনস্টিটিউট অব বায়োসায়েন্স এন্ড টেকনোলজির মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
৩৩ দিন ১৯ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
৩৫ দিন ২৩ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৪৯ দিন ১৬ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
৫২ দিন ৬ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৫৯ দিন ৩ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
৬০ দিন ১৩ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৬২ দিন ৪ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
১১১ দিন ২ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে