নাগেশ্বরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ২ বাস কাউন্টারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ডোমারে 'সবার পাঠশালা'-এর শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে সংলাপ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেবা বন্ধ নেই ঈদেও ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন

দুর্গাপুর শহরে লাগানো সব সিসি ক্যামেরাই অকেজো

দুর্গাপুর শহরে লাগানো সব সিসি ক্যামেরাই অকেজো


চুরি, ছিনতাইসহ নানা ধরনের অপরাধ দমনে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫৮টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। তবে বর্তমানে সব ক্যামেরাই অকেজো হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, ২০২০ সালের জুলাই মাসে পৌর শহরের হাট-বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। ক্যামেরা ছিল মোট ৫৮টি।

তার ব্যয় ছিল ১০ লাখ টাকা। আর এই সিসি ক্যামেরার কন্ট্রোলরুম রাখা হয়েছিল পৌরসভায়। তবে বছরখানেক পরেই বিভিন্ন স্থানের সিসি ক্যামেরা বিকল হতে শুরু হয়। এখন এগুলো আর কোনো কাজেই আসে না।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পৌর শহরের পুলিশ মোড়, কাছারি মোড়, এমপির মোড়, প্রেস ক্লাব মোড়, কলেজ মোড়, এমকেসিএম স্কুল মোড়, কালিঘর মোড়, কাঁচাবাজারসহ আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পিলারের সঙ্গে দৃশ্যমান ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাগুলো নষ্ট হয়ে আছে। এগুলো মেরামতের কোনো উদ্যোগও নিচ্ছে না পৌর কর্তৃপক্ষ। এতে শহরে চুরি সংঘটিত হলেও এখন তা শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। নিরাপত্তাব্যবস্থারও বিঘ্ন ঘটছে।

পৌরসভার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বেশ কয়েকবার ক্যামেরাগুলো মেরামত করা হলেও কোনোভাবেই টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা থাকলে অনেক সুবিধা আছে। অনেক সময় দোকানের সামনে ক্রেতারা এসে মোটরসাইকেল রেখে দেয়। কেনাকাটার ফাঁকে এগুলো চুরি হওয়ার ভয় থাকে। তা ছাড়া ক্যামেরার কারণে অপরাধ করতে অপরাধীরা ভয় পায়।

সিসি ক্যামেরা থাকলে একটু নিশ্চিত থাকা যায়। শহরে ক্যামেরাগুলো সচল রাখা জরুরি।’ পৌরসভার মেয়র মাওলানা আব্দুস ছালাম বলেন, ‘ক্যামেরাগুলো মেরামত করা হলেও টিকিয়ে রাখা যায়নি। আবারও সচল করার জন্য আলোচনার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag