টানা বৃষ্টিপাতে ও পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের নতুন ব্রিজের বিকল্প সেতু পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যার ফলে ঐদিক দিয়ে জগন্নাথপুর বাজারের সাথে অন্যান্য উপজেলা সহ জগন্নাথপুর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা বলেন বিকল্প এই সেতুটিকে অপরিকল্পিত ভাবে তৈরি করায় আজকে এই পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। একটু উঁচু করে তৈরি করলে এমনটি হতো না। অন্যদিকে শহীদ মিনারের পাশে ভাঙ্গা ডাকবাংলো সেতুর দুই পাশে ভীড় করছে শত শত যানবাহন। তাদের সামাল দিতে ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঘন্টার পর ঘন্টা ট্রাফিক জ্যাম লেগেই আছে। এমন ভোগান্তি জগন্নাথপুরবাসী। দুইদিন আগেও নিয়ম ছিলো ডাকবাংলো সেতু হয়ে বাজারে ঢুকা এবং নতুন ব্রিজের বিকল্প সেতু দিয়ে বের হয়ে যাওয়া। এই দুই সেতু দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা থাকায় পরিস্থিতি মুটামুটি চালিয়ে নেয়ার মতো ছিলো।
কিন্তু নতুন ব্রিজের পাশের বিকল্প সেতুটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দুইদিকের যানবাহন চলাচল একদিক দিয়েই যাতায়েত করতে হচ্ছে। যার ফলে বর্তমান পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এর আগে গতকাল নতুন ব্রিজের পাশের বিকল্প সেতুটির এপ্রোচ পানিতে তলিয়ে গেলেও টনক নড়েনি নির্দিষ্ট মহলের। স্থানীয়রা বলছেন নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার আগেই বিকল্প সেতুটি পানির নিচে তলিয়ে গেলো! এর দায়ভার কে নেবেন। অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টিও কামনা করেছেন।
এব্যাপারে জানতে জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- বিষয়টি এলজিইডির অধিনে আছে। তারাই ভালো জানেন এখন কি করতে হবে। পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামাল হোসেন বলেন বিকল্প ব্রিজের কাজ শুরু হওয়ার আগে আমরা প্রস্তাব করেছিলাম সেতুটিকে উঁচু করে নির্মাণ করার। কিন্তু আমাদের কথাকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি। এখন এর দায়ভার যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। এদিকে ইতিমধ্যে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকার বাড়ী ঘরে পানি ঢুকার খবর পাওয়া গেছে। তবে পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত সহনশীল পর্যায়ে রয়েছে।
অন্যদিকে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচলের কারণে ডাকবাংলো সেতুটি মারাত্মক ঝুকির মধ্যে রয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন স্থানীয়রা। অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যেতে পারে বলে মনে করছেন সাধারন জনগন নেতৃবৃন্দ।
৫২ দিন ১৫ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৫৯ দিন ২২ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৭৪ দিন ১৪ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৮৪ দিন ১০ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
৮৪ দিন ১০ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
১০৪ দিন ১৬ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১১৬ দিন ১৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
১১৬ দিন ১৭ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে