পটুয়াখালীতে গত ২৩জুন পৌরসভা লেকে এক স্কুল শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনার দুই দিন পরে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী পরিবার। মৃত শিক্ষার্থী জয়ন্ত সাহার (১৫) মৃত্যু কোন স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। তাকে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করে মৃতের তার পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে জয়ন্তর ফুফা সুভাষ সাহা মুশফিকুর রহমান নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীকে এই হত্যাকাণ্ডে সন্দেহ পোষণ করেন। এ ঘটনায় মৃতের পরিবার পটুয়াখালী সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করে। মামলায় জয়ন্তকে হত্যা করার সাথে জড়িত থাকতে পারে এমন সন্দেহে মুশফিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় মুশফিককে সন্দেহ ও ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুশফিকের পিতা এ্যাডভোকেট আঃ জলিল। মঙ্গলবার (২৭জুন) বেলা ১১টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে তিনি সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে বলেন, জয়ন্তর হত্যা মামলায় মুশফিককে সন্দেহ করা হয়েছে, যেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
তিনি বলেন, আমার ছেলের মোঃ মুশফিকুর রহমান এর সাথে মৃত জয়ন্তর সাথে কিছুদিন পূর্বে একটি ঘটনার জয়ন্তর সাথে আমার ছেলের হাতাহাতি হয়। উক্ত ঘটনা জয়ন্তর ফুফা সুভাষ সাহা আমাকে জানালে আমিও আমার স্ত্রী জয়ন্তর বাসায় গিয়া সমবেদনা জানিয়ে আসি এবং দুঃখ প্রকাশ করি। আমি আমার ছেলেকে মন্দ বলি ও বিষয়টি জয়ন্তর কাছে গিয়া ক্ষমা চাওয়ার জন্য বলি তামার ছেলে মুশফিক, আমার ভাতিজা শাকিব ও ওদের বন্ধু রাকিব গিয়া ঘটনার তিনদিন পর জয়ন্তর কাছে ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি মিটমাট করে আসে। বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়। এর পর থেকে জয়ন্তর ও মুশফিকের সাথে কোন যোগাযোগ নাই। একটি মীমাংসিত বিষয়ে জয়ন্তর পরিবার আমার ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার ও মান হানিকর বক্তব্যে গত ২৫জুন সাংবাদিক সম্মেলনে প্রকাশ করে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
তিনি আরো বলেন, গত ২৩জুন বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলার পর পৌরসভার লেকে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মারা যায় জয়ন্ত। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা জয়ন্তর বন্ধু বাপ্পির বক্তব্য অনুযায়ী ঘটনাস্থলে জয়ন্তর সাথে অর্ঘ্য, অরিজিৎ ও প্রিতম নামের আরো তিন বন্ধু ছিল। জয়ন্ত লাফালাফি করছিল এবং ড্রামের নৌকায় উঠে লাফ দিয়া পানিতে পরে মারা যায়। পরে বাপ্পীর ডাক চিৎকারে হাসিব নামের একটি ছেলে এসে লেকের পানি থেকে জয়ন্তকে তুলে রিক্সায় হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। এছাড়াও ঘটনাস্থলের বিভিন্ন সিসি টিভি দেখলে ঘটনার সত্যতা বেরিয়ে আসবে। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে জয়ন্তর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
সংবাদ সম্মেলনে নির্মল কুমার রক্ষিত, জাকারিয়া হৃদয়, জালাল আহমেদ, আতিকুর রহমান পারভেজ, মনিরুল ইসলাম বাদল সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
৩৮২ দিন ১ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৩৯৬ দিন ২৩ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৪০৪ দিন ৫ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
৬০৩ দিন ৫ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
৬১৪ দিন ১৮ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৬২৪ দিন ২২ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
৬২৭ দিন ২০ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
৬৪৫ দিন ১৯ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে