মো. আল আমিন, শাজাহানপুর(বগুড়া), প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আইয়ুব আলী। বর্তমানে উপজেলা আহবায়ক কমিটির দাপ্তরিক পদে আছেন। তিনি জানান, বিগত শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের আমলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মামুনুর রশিদ (মামুন মাষ্টার) আমাকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয় এবং বাড়িতে গিয়ে আমার স্ত্রী সন্তানকে হুমকি-ধামকি দেয়ার এক পর্যায়ে আমার স্ত্রীকে লাঞ্চিত করে। এরপর মামুন মাষ্টার তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার বাড়িতে আগুন দেয় এবং আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। ৫ আগষ্টের পর মামুন মাষ্টারের দেখা পাইনি। আজ শুনলাম মারা গেছে। তাকে তার নিজ বাড়ি রহিমাবাদে (বি-ব্লক) আনা হয়েছে। খবর পেয়ে উপস্থিত হয়ে আমার মোটরসাইকেলের ক্ষতিপূরণবাবদ ২লাখ ৪০ হাজর টাকার ক্ষতি পূরণের চেক আদায় করে দাফনে অনুমতি দিয়েছি। দাফনে বাঁধা এই ক্ষতিপূরণের জন্যই দিয়েছেন বলে দাবি করেন স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আইয়ুব আলী।
নিহত মামুনের পরিবার সূত্রে জানাগেছে, মামুন মাষ্টার আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ৫ আগষ্টের পর বিভিন্ন হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় পাবনায় ফেরারি হিসেবে আত্মগোপনে ছিল। গত বুহস্পতিবার রাতে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান মামুন মাস্টার। সকালে শাজাহানপুরের রহিমবাদ (বি-ব্লক) নিজ বাড়িতে আনা হলে মামুনের লাশ দাফনে বাঁধা দেয় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আইয়ুব আলী। তার দাবির বিষয়টি আগে কখনও জানা ছিলোনা পরিবারটির এবং কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি। আর মামুন এমন কাজ করেনি বলেও দাবি করেন তার পরিবার। তবে মানসম্মানের দিক বিবেচনা করে আইয়ুবকে তার দাবি অনুযায়ী ২লাখ ৪০হাজার টাকার চেক দিয়েছে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।
৮ দিন ১৯ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
২১ দিন ২৩ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৩২ দিন ৩ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৩৬ দিন ১৮ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
৩৯ দিন ১৫ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৩৯ দিন ২২ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
৩৯ দিন ২৩ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৪৫ দিন ২০ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে