রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চান তারেক রহমান তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রত্যয় আমিরাবাদে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মতবিনিময় মিরসরাইয়ে তিন শিক্ষক ‘গুণী শিক্ষক’ মনোনীত চিলমারীতে "ব্রহ্মপুত্র নদে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধস, আতঙ্ক গ্রামবাসী গভীর রাতেও পরিচ্ছন্ন শ্রীমঙ্গল গড়ার লক্ষ্যে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা বিশ্বমঞ্চে শ্রীমঙ্গলের তরুণ উদ্ভাবক তৌকির চৌধুরী কালোবাজারে সার বিক্রি: শেরপুরের ১৫ ডিলার কারাগারে মেট্রোরেল স্টেশন সংলগ্ন আবাসন প্রকল্প দখলের চেষ্টা: তুরাগ থানা যুবদল সভাপতি মামুনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র মহড়া ও আতঙ্কের অভিযোগ গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কিনা, জানালেন স্পিকার জাতিসংঘে ইসরায়েলি ধ্বংসযজ্ঞের কড়া সমালোচনা প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সময়সূচি চূড়ান্ত শ্যামনগরে আদিবাসী মুন্ডাদের ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব পালিত ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে আশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে ইজিবাইক ও হোটেলের চাল বিধ্বস্থ ★অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পথচারী ও হোটেলের লোকজন ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হাফেজ রোকনুজ্জামান রিপন ৪বছরের শিশু রুহি হত্যার প্রধান আসামিসহ গ্ৰেফতার ৩ কৃষকের উপস্থিতি দেখে সটকে পড়লেন সার ডিলার ও কৃষি কর্মকর্তা বাঁশ ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ কৃষকের চাঁদপুর–রায়পুর সড়কে আনন্দ বাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৩ বাঁশখালীর বাহারছড়া সাগরপাড়ে প্রকৃতির মায়াবী সৌন্দর্য নির্মল বাতাস ও মনোরম পরিবেশে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

শ্রীমঙ্গলে শরতের কাশফুলের মুগ্ধতায় হৃদয় ছুঁয়েছে দর্শনার্থীদের

কাশফুলের বালুচরের অপরূপ সাদা কাশফুলের বাতাসে দোল খাওয়ার দৃশ্য মনোরম

চায়ের রাজ্যখ্যাত সবুজ শ্যামলে ঘেরা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শরতের কাশফুলের মুগ্ধতায় হৃদয় ছুঁয়েছে দর্শনার্থীদের। প্রকৃতিতে যখন শরৎকাল আসে তখন কাশফুলই জানিয়ে দেয় আগমনী বার্তা। এই শরতেও শ্রীমঙ্গলের ভানুগাছ সড়কের পাশের এই কাশফুলের বালুচরের বির্স্তীণ এলাকাজুড়ে মাথা উঁচু করে দোল খাচ্ছে শুভ্র সাদা কাশফুল। ছড়ার পাশে প্রায় এক কিলোমিটার জায়গাজুড়ে এখন কাশফুলের শুভ্র চাদরে ছেয়ে গেছে। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে মাত্র আড়াই কিলোমিটার দূরে ভানুগাছ সড়কের পাশে বেলতলী সংলগ্ন ভুড়ভুড়িয়া ছড়ার পাশে এই কাশফুলের বালুচরের অবস্থান। ভানুগাছে যাওয়ার রাস্তা ধরে খানিকটা সামনে এগোলেই (বিটিআরআই সংলগ্ন) উঁচু-নিচু টিলার মধ্যে চা বাগান। সবুজ চা বাগানের ভেতর দিয়ে বয়ে চলেছে পাহাড়ি ছড়া। ছড়ার দু’পাশেই প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি হয়েছে এই কাশফুলের বালুচর। অপরূপ সাদা কাশফুলের বাতাসে দোল খাওয়ার দৃশ্য মনোরম। এমন নয়নাভিরাম সৌন্দর্য যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে পর্যটকসহ প্রকৃতিপ্রেমী মানুষদের। প্রতিদিন প্রকৃতিপ্রেমীদের পদচারণে মুখরিত ভানুগাছ সড়কের কাশফুলের বালুচর। আর প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটছে অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে। কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে স্থানীয়রা ছাড়াও শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে আসা পর্যটকরা প্রতিনিয়ত ভিড় জমাচ্ছেন সেখানে।

প্রতিদিন স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি নানা শ্রেণীর মানুষ এক ফলক শীতল হাওয়ার অপেক্ষায় এখানে এসে প্রশান্তি খুজে নিচ্ছেন। শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ সড়কের পাশে এমন দৃশ্য দেখে মাঝে মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ী থামিয়ে কাশফুলের সাথে অনেক পথচারীকেও ছবি তুলতে দেখা যায়। বুধবার ৩১ আগস্ট বিকেলে কাশফুলের বালুচরে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন বয়সী লোকজন এখানে এসেছেন অনিন্দ্য সুন্দর এই কাশফুল দেখতে। কেউ কাশফুলের সঙ্গে ছবি তুলছেন। কাশফুলের গাছগুলোর ভেতরে ঢুকে পড়ছেন অনেকেই। অনেকে আবার মুক্ত বাতাসে পুরো বালুচর ঘুরে বেড়াচ্ছেন। চোখ জুড়ানো এই অপরূপ সৌন্দর্য মন কেড়েছে পর্যটকদের। এককথায় শরতের কাশফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা।

এখানে প্রতিবছর আগস্টের শেষের দিক থেকে ফুল ফোটা শুরু হয় এবং অক্টোবর পর্যন্ত থাকে। তাই বছরের দুই-আড়াই মাস এখানে পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। বিকেলে ভুরভুরিয়া ছড়ার পাড়ে কাশফুল দেখতে আসেন সুমি, ফেরদাউস, তারিনসক বেশ কয়েকজন। তারা দৈনিক খবরপত্র-কে জানান, রাস্তা থেকে কাশফুলের সৌন্দর্য ভালো দেখা যায়। এতো সুন্দর অপরূপ দৃশ্য না দেখলে আপসোস থেকে যাবে। তাই গাড়ি থেকে নেমে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসলাম। পরিবার নিয়ে ঢাকা থেকে শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে আসা আব্দুর রহমন বলেন, ‘চা বাগানের ফাঁকে ছড়ার পাশে দু’দিকে এতো সুন্দর সাদা কাশফুলো মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়েছে। সেই সৌন্দর্য দেখে আমরা সত্যিই মুগ্ধ।

শ্রীমঙ্গলের এমএম কম্পিউটার গ্যালারির সত্তাধিকারী মোঃ সোলেমান পাটোয়ারী  বলেন, শ্রীমঙ্গলে আসা পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের কাছে জায়গাটি প্রায় দুই মাসের জন্য বেশ আর্কষণীয় থাকে। জায়গাটি অনেক সুন্দর। এখানে সময় কাটাতে খুবই ভালো লাগে। এই কাশফুলগুলোর সঙ্গে ছবি তুললে ছবিগুলোও অনেক সুন্দর হয়। কিন্তু কাশফুল ঝরে পড়ার পর এ জায়গায় আর কেউ যান না। যেহেতু জায়গাটি চা বাগান কর্তৃপক্ষের আওতাধীন, তাই তাঁরা গৎবাঁধা নিয়মের বাইরে গিয়ে পর্যটকদের জন্য দুই মাসের জন্য যেনো একটু ছাড় দেন।

শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগি ইসমাইল মাাহমুদ বলেন-কাশবন শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না এর রয়েছে নানা ঔষধি গুণও। নদীর ধার, জলাভূমি, চরাঞ্চল, শুকনো এলাকা, পাহাড় কিংবা গ্রামের উঁচু স্থানে কাশের ঝাড় বেড়ে ওঠে। তবে নদীর তীরেই কাশফুল বেশি দেখা যায়। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটনোর পাশাপাশি কৃষকদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী করা সম্ভব।

Tag
আরও খবর