চিলমারীতে "বিশ্ব শিক্ষক দিবস" পালিত ফুলের বদলে গাছের চারা দিয়ে এমপিকে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা শিক্ষক দিবসে ছয়সূতী ইউনিয়ন হাই স্কুল এণ্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আবেগঘন বার্তা অভয়নগরে ৪২০ টন সরকারি সার গায়েব: ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষার্থীকে মাদকে জড়ানোর অভিযোগ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তবুও অবহেলিত শ্যামনগরে স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত বিশ্ব শিক্ষক দিবসে নাঙ্গলকোটে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শ্যামনগরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শরীয়তপুরে মুদি দোকানে ২০ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ নোয়াখালীতে দুই হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা রঞ্জুর বাড়িতে ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস: স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও গভীর সমবেদনা সৌদিতে থেকেও মিছিলের মামলায় আসামি ইলিয়াস চৌদ্দগ্রামে মাইক্রোবাসে মাদকের চালান: ৮৯ কেজি গাঁজা, ৬০ বোতল মদ জব্দ নিয়ামতপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত পীরগাছায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করলেন ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী জুয়েল রানা সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে পীরগাছায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন শিক্ষক ও শিক্ষায় প্রয়োজন সর্বোচ্চ বিনিয়োগ বাঘায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহে দামি ফল অ্যাভোকেডো চাষে সাফল্যে

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 26-08-2022 09:10:04 am

সংগৃহীত ছবি

◾ সুখবর ও ইতিবাচক ডেস্ক


সবেচেয়ে দামি বিদেশি ফল অ্যাভোকেডো চাষ হচ্ছে ব্যাপক সাফর‌্য অর্জন করেছে হারুনুর রশিদ। ফলন নিয়ে সংশয় কেটে গেলেও অ্যাভোকাডোর বাজার নিয়ে সংশয় কাটেনি এখনও। তবে বাজারজাত করা গেলে অ্যাভোকেডো চাষ লাভজনক হবে বলে জানান চাষীরা। কালীগঞ্জ উপজেলার কাগমারী গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা হারুন অর রশিদ ও একই উপজেলার বলরামপুর গ্রামের ফারুক হোসেন প্রায় ৫ বিঘা জমিতে অ্যাভোকেডো ফলের চাষ করেছেন। এ বছর তাদের গাছে যথেষ্ঠ ফল এসেছে। উভয় গাছের বয়স ৩ বছর।


গত বছর মুসার গাছে প্রচুর ফুল আসলেও ফল ঝরে যাওয়ায় শঙ্কিত ছিলেন। কিন্তু এবছর ফল ঝরে পড়ার হার গত বছরের তুলনায় কম ছিল। তাই গাছে কয়েক মন ফল আছে। ফারুকের বাগানেও ২ মন ফল হবে বলে তিনি ধারণা করছেন। মুসার ৪ বিঘা জমিতে প্রায় ১২০টি গাছ ও ফারুক হোসেনের এক বিঘা জমিতে ১৪টি গাছ আছে। অ্যাভোকাডো ফল সাধারণত মধ্য জুলাইয়ে হারভেস্টের উপযোগী হয়। গাছের পরিচর্যার ব্যাপারে তারা জানান, এ গাছ সাথি ফসল হিসেবে চাষ করতে হবে। একটু ছায়া স্থান হলে ভালো হয়। রাসায়নিক সার ব্যবহার না করাই ভালো। তবে জৈব সার ব্যবহার করতে হবে। ফুল ফল ঝরে পড়া রোধে কিটনাশক ব্যবহার করতে হবে। বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা জানান, তাদের বাগানের ভিডিও দেখে অনেকে যোগাযোগ করেছেন। ন্যায্য দামে ফল বিক্রি করতে পারলে এ ফলের চাষ লাভজনক হবে বলে তারা জানান।


ফলের চাষ নিয়ে জানতে চাইলে, উপজেলার কৃষি অফিসার মোঃ মহাসিন আলী জানান, তার উপজেলায় একজন কৃষি উদ্যোক্তা অ্যাভোকেডো ফলের চাষ শুরু করেছেন। কৃষি অফিস উদ্যোক্তা মুসার বাগান ভিজিট করে তাকে সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছেন। ফলটি ঔষধি গুনে ভরপুর হওয়ায় এ ফলের চাহিদা দিন দিন বাড়তে পারে বলে তিনি ধারনা করছেন।

আরও খবর






deshchitro-69aeeff67528b-090326100614.webp
শিবচরে আমের সোনালি মুকুলে নতুন সম্ভাবনা

২১০ দিন ২ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে