অনলাইন জুয়ার নেশায় তরুণ প্রজন্ম; পিছিয়ে নেই বালিয়াডাঙ্গী তাড়াইল হাসপাতালের সংকট ও উত্তরণের উপায় এআই লিখছে কবিতা-গল্প, তাহলে লেখকদের ভবিষ্যৎ কী? প্রয়াণ দিবসে জীবনানন্দ স্মরণ ‘স্রোতের’ যে পায় সে পায় - আহসান হাবিব বাঘার "৯০" এর বন্ধুদের তেতুলিয়া বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন। চলমান শ্রমিক বিক্ষোভে ৫ শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে: বিজিএমইএ নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ ৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমবে: পেট্রোবাংলা দুবলার চরে পাঁচ মাসের শুঁটকি মৌসুম শুরু, ১০ হাজার জেলের কর্মযজ্ঞ পোশাক খাতের অস্থিরতা নিয়ে জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবীনগরে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে শেরপুরে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণ বিতরণ নওগাঁর নিয়ামতপুরে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ মিরসরাইয়ে জাতীয় যুব দিবসে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠকের সম্মাননা পেলেন গোলাম মর্তুজা জাতীয় যুব দিবসে মিরসরাইয়ের ফয়সাল আলম পেলেন শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তার সম্মাননা ইসলামপুরে যমুনা নদীতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এক আসামিকে আটক করেছে পুলিশ পীরগাছায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণ বিতরণ র‌্যালি, আলোচনা সভা জয়পুরহাটে এসআরবির অভিযানে ইয়াবা ও টাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী মিলন গ্রেপ্তার

জলবায়ু সংক্রান্ত পাঁচ ধ্বংসাত্মক বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 09-09-2022 12:46:06 pm

সংগৃহীত ছবি



◾ ফিচার ডেস্ক


পুরো বিশ্বকে খাদের কিনারায় নিয়ে গেছে জলবায়ু সংকট। সম্প্রতি এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বর্তমানে পাঁচটি ধ্বংসাত্মক জলবায়ু বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে বিশ্ব।


বর্তমান বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও এমন ধ্বংসাত্মক এ বির্পযয়ের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্রিনল্যান্ডের হিমবাহ ধস, যার ফলে বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাও, অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে উত্তর আটলান্টিকের মূল স্রোতের দিক পরিবর্তন, ফলাফলে কোটি কোটি মানুষের খাদ্য সংকট তৈরি হচ্ছে এবং আকস্মিকভাবে গলতে শুরু করেছে কার্বন সমৃদ্ধ ভূগর্ভস্থ চিরহিমায়িত অঞ্চল বা পারমাফ্রস্ট।


সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত গবেষণার বরাতে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এসব তথ্য জানিয়েছে। 


বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে পারে আরও বিপর্যয়ের শঙ্কা। তাপমাত্রা এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বেড়ে গেলে আরও বিপর্যয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান গবেষকরা। এ তাপমাত্রায় বিস্তীর্ণ উত্তর বনাঞ্চলে পরিবর্তন এবং প্রায় সব পর্বত হিমবাহ ধস হতে পারে।


গবেষকেরা এরকম মোট ১৬টি বৈশ্বিক তাপমাত্রা পরিবর্তনের সীমা নির্ধারণ করেছেন। এ সীমাগুলো অতিক্রম করলেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে বিশ্ব। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে এ তাপমাত্রা পরিবর্তনের সীমা।


বিজ্ঞানীদের অনুমান অনুসারে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমপক্ষে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসে উপনীত হলে আঘাত হানবে শেষ ছয়টি বিপর্যয়। আগামী কয়েক বছর থেকে শতাব্দীর মধ্যে তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়ে এসব বিপর্যয় সংঘটিত হবে বলে জানান তারা।


গবেষণার উপসংহারে বলা হয়, বৈশ্বিক তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকাটাই পৃথিবীর জলবায়ুর জন্য ‘নিরাপদ’ অবস্থান। প্রতিটি বিপর্যয় আরেকটি সঙ্গে সম্পর্কিত। তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে একটা বিপর্যয় শুরু হলেই তা অন্য আরেকটি বিপর্যয় সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।


পোস্টডাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট রিসার্চের পরিচালক অধ্যাপক জোহান রকস্ট্রোম গবেষণায় অংশ নিয়ে জানান, বৈশ্বিক তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে যাচ্ছে। যা পুরো বিশ্বকে কয়েকটি বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড় করাবে। বিশ্বকে বসবাসযোগ্য করতে এবং একটি স্থিতিশীল সমাজের জন্য আমাদের এখনই তাপমাত্রা পরিবর্তনের সীমা যাতে ছাড়িয়ে না যায়, তার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


গবেষণা প্রধান ও এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ডেভিড আর্মস্ট্রং ম্যাককে বলেন, এটি সত্যিই উদ্বেগজনক। তবে এটি বেশ দুঃখজনক হলেও এখনও কিছুটা আশার আলো আছে।


এ গবেষণায় ফের উঠে আসে প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী তাপমাত্রা কেন এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা আবশ্যক।


সাম্প্রতিক গবেষণা আমাজন রেইনফরেস্টেও পরিবর্তনের লক্ষণ প্রকাশ করেছে। যার ক্ষতি বিশ্বব্যাপী জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। সেই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের হিমবাহ ও উপসাগরীয় স্রোত যাকে আটলান্টিক মেরিডিওনাল ওভারটার্নিং সার্কুলেশনও (আমক) বলা হয়, এতেও পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা গবেষকদের।


জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকারি প্যানেলের (আইপিসিসি) একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের তাপমাত্রা দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসে উপনীত হলেই তা বৈশ্বিক তাপমাত্রা পরিবর্তনের সীমাকে অতিক্রম করতে শুরু করবে।


এতে করে আরও যেসব বিপর্যয়ের শঙ্কা রয়েছে তা হলো, গ্রিনল্যান্ডের হিমবাহ ধস, পশ্চিম অ্যান্টার্কটিক এবং পূর্ব অ্যান্টার্কটিক হিমবাহের দুটি অংশের ধস, আমকের আংশিক বা সম্পূর্ণ ধ্বস, অ্যামাজনে পানির অভাবে বনাঞ্চল শুষ্ক হয়ে যাওয়া, ভূগর্ভস্থ চিরহিমায়িত অঞ্চল বা পারমাফ্রস্ট এবং আর্কটিকের শীতকালীন সমুদ্রের হিমবাহ ধস ।


আরও কিছু বিপর্যয় ঘটতে পারে যা গুরুতর আঞ্চলিক প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন : মারা যেতে পারে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রবাল প্রাচীর, পরিবর্তন আসতে পারে পশ্চিম আফ্রিকার মৌসুমি জলবায়ুতে। অন্যান্য সম্ভাব্য পরিবর্তনগুলো এখনও গবেষণা করা হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে, সমুদ্রের অক্সিজেন স্তরের ক্ষতি ও ভারতীয় গ্রীষ্ম মৌসুমে বিরাট পরিবর্তন।


মে মাসে বৈশ্বিক তাপমাত্রা পরিবর্তনের সীমা নিয়ে আপিসিসি একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রস্তাব করে সুইস সরকারকে।


এক্সেটার ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও সহগবেষক টিম লেন্টন বলেন, ‘যেহেতু আমি ২০০৮ সালে প্রথম বৈশ্বিক তাপমাত্রা পরিবর্তনের সীমা মূল্যায়ন করেছি, তাই আমি বুঝতে পারছি এর সীমা আরও বেড়েছে। এতে ঝুঁকির বিষয়ে আমাদের মূল্যায়নও উল্লেখযোগ্য হরে বেড়ে গেছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নতুন কাজ জোরালোভাবে প্রমাণ করে যে, বিশ্বকে অবধারিতভাবে কার্বন হ্রাস করার দিকে মনোযোগী হতে হবে।


আরও খবর
6ae4b6f3c4054-301026092539.webp
আফগানিস্তানে হামলা চালাল পাকিস্তান

২ দিন ১ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে