◾ আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নানা টানাপোড়েন থাকলেও চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই-আগস্টে ইউরোপের বাজারে দেশের তৈরি পোশাক পণ্য রপ্তানি ২৩ শতাংশ বেড়েছে।
দেশের তৈরি পোশাক সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে। এ ছাড়াও অপ্রচলিত বাজার ভারত, জাপান, চীন, রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশগুলোতেও যাচ্ছে দেশের তৈরি পোশাক।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো- ইপিবি ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির -বিজিএমইএর তথ্য অনুসারে, চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে ইউরোপের বাজারে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৪৪ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৭৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছর ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৩ দশমিক ২১ শতাংশ।
ইউরোপের বাজার সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি হয়েছে জার্মানিতে। চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্ট-এই দুই মাসে দেশটিতে ১০৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৯১০ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জার্মানিতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
এরপরই রয়েছে স্পেনের বাজার। দেশটিতে এই দুই মাসে ৫৭ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। ফ্রান্সের বাজারেও এ সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৩৭ কোটি ডলারের পোশাক।
ইউরোপের বাজারের পাশাপাশি রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও। দেশটিতে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ১৪১ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ, যা তার আগের অর্থবছরের এক সময়ে ছিল ১১৭ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ৫২ শতাংশ।
ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি অপ্রচলিত বাজারেও দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। এই দুই মাসে অপ্রচলিত বাজারে ১২০ কোটি ৫৯ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। যা তার আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৮৭ কোটি ৪৪ লাখ ডলারে। অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে সর্বাধিক পোশাক রপ্তানি হয়েছে জাপানে। দেশটিতে এই দুই মাসে ২১ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এরপরেই আছে ভারত। দেশটিতে গত দুই মাসে রপ্তানি হয়েছে ১৮ কোটি ৮২ লাখ ডলারের পোশাক।
রপ্তানির এমন উলম্ফনের বিষয়ে বিজিএমইএর সহসভাপতি শহীদুল্লাহ্ আজীমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই দুই মাসের জন্য অর্ডার বেশি ছিল। তাই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সামনের অক্টোবর, নভেম্বরে এমন প্রবৃদ্ধি থাকবে না। সামনের মাসগুলোর জন্য অর্ডার অনেক কম এসেছে। এরমধ্যে গ্যাস সংকটে উৎপাদন কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সময় মতো পণ্য ডেলিভারি না দিতে পারলে ক্রেতা ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে যাবে। বন্দর এবং পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে তবেই রপ্তানি আরো বাড়বে।’
১ দিন ৪ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
১ দিন ২২ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
২ দিন ১৬ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৫ দিন ৪ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
৬ দিন ৩ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
৭ দিন ১ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৭ দিন ১ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৭ দিন ১ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে