জোরপূর্বক বসতবাড়ি ভাঙচুর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য সেনবাগে অপরাধ দমনে পুলিশের কঠোর নজরদারি, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৭ চেকপোস্ট শিক্ষার সনদ নয়, দক্ষতাই হোক মূল পরিচয় কুলিয়ারচরে হাতকড়াসহ পালানো আ.লীগ নেতা ১০ ঘণ্টা পর আটক: এ ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার নাগেশ্বরী উপজেলার ২নং রায়গঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে মো: ইউসুফ আলী (মোল্লার) শুভেচ্ছা ও প্রার্থিতা ঘোষণা সাতকানিয়ায় বিএনপির ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগে ৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা পদ্মায় পানি বৃদ্ধি, বাঘায় চরে ৪ হাজার মানুষ পানিবন্দি, ভাঙনে স্কুল নদীগর্ভে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে হাবিবা খানম (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের নানা নির্দেশনা দা দিয়ে কুপিয়ে গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এসআই জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়সহ বাদী-বিবাদীর কাছে ঘুষগ্রহণের অভিযোগ ঝিনাইগাতী এলএসডিতে বোরো সংগ্রহের স্টক ভেরিফিকেশন ও খাদ্যশস্যের মান যাচাই করলেন ইউএনও মেঘনায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল কৃষকের বরিশালে আততায়ীর গুলিতে/হামলায় নুরুজ্জামান নিহত, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচার, সাংবাদিক শাহীনুর রহমান সোনাকে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে রাজশাহী প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ তৃণমূল প্রেস সোসাইটির মানববন্ধন ১৬ দিন ধরে নিখোঁজ নোয়াখালীর কাঠমিস্ত্রি কামাল বগুড়ায় লাইসেন্স ছাড়া পশুখাদ্য ও ওষুধের ব্যবসা, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। ট্রাস্ট ইসলামি লাইফ ইনসিওরেন্স পিএলসির মৃত্যু দাবির চেক হস্তান্তর বরিশালে ফুটপাত দখল-অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা, মোবাইল কোর্টের অভিযানে জরিমানা চিলমারীতে "কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য আর্থিক ভাবে সহায়তা চেয়েছেন" সজীব মিয়া

হারিয়ে যাচ্ছে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধাতব মুদ্রা: প্রচলন রাখতে দরকার যথাযথ ব্যবস্থা

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 20-09-2022 02:17:35 pm

ছবি: লেখক


◾শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ


১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর মুদ্রা হিসেবে 'টাকা' প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কাগুজে মুদ্রা ১ টাকার নোট। ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ এ নোট প্রচলনের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগুজে মুদ্রা চালু হয় এবং একই বছরে ৫ টাকা, ১০ টাকা ও ১০০ টাকার মূল্যমান নোট ঘোষণা করা হয়। আর এর কিছুদিন বাদে কাগুজে মুদ্রার পাশাপাশি ১,৫,১০ ও ২৫ পয়সার ধাতব মুদ্রা চালু করা হয়।


 আমরা বর্তমান প্রজন্মের  মানুষ এসব পয়সার সাথে তেমন পরিচিত নয়। আর তাই তো রূপকথার গল্পের মতো দাদা-দাদি, নানা-নানি বা বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষের কাছে আমরা জানতে পারি তারা মাত্র ৫ পয়সা বা ১০ পয়াসার বিনিময়ে অনেক পণ্য ক্রয় করতে পারতেন। এমনকি কারো কারো মুখে শোনা যায় একসময়  মাত্র ২৫ পয়াসার বিনিময়ে এক ব্যাগ ভর্তি বাজার করে আনতে পারতেন। বর্তমান এসব ধাতব মুদ্রার ব্যবহার নেই বললেই চলে। আমরা এসব পয়সার ধাতব মুদ্রার সাথে পরিচিত না থাকলেও ১ টাকা ও ২ টাকা কিংবা ৫ টাকা ধাতব মুদ্রার সাথে সবাই পরিচিত।  ১, ২,  ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা যথাক্রমে ১৯৭৪,  ২০০৪ ও ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয়। বর্তমান বাংলাদেশে এই তিনটি ধাতব মুদ্রার ব্যবহার চালু রয়েছে। কিন্তু এই তিনটি ধাতব মুদ্রা চালু থাকার সত্য  বাংলাদেশের বেশ কয়েকটা অঞ্চলে মুদ্রা দুটির ব্যবহার একেবারেই নেই।  ছোট খাটো ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় কোনো ব্যবসায়ও এ দুই তিনটা ধাতব মুদ্রার ব্যবহার নেই। একটি দোকানে নিম্নমানের চকলেট বাদে আর তেমন কিছুই ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যায় না। আর ১ টাকার কোনো পন্য বিক্রি করতে না পারায় একজন দোকানির কাছেও  ১ টাকর ধাতব মুদ্রার অভাব হয়ে পড়ে। এমতবস্থায় ১ টাকার ধাতব মুদ্রার অভাবে একজন দোকানি চকলেট দিয়ে লেনদেন সারেন অনেক সময়। আবার অপরদিকে দেখা যায় একজন ক্রেতার কাছে ১ টাকার বা ২ টাকার ধাতব মুদ্রা থাকার সত্বেও যদি দোকানিকে দিয়ে সমমূল্যের কোনো পণ্য নিতে চায় দোকানি দিতে রাজি হন না। এমনিভাবে যদি গাড়িওলাকে ভাড়ার টাকা দেওয়া জন্য ১ টাকা বা ২ টাকার ধাতব মুদ্রা দেওয়া হয় তখন তিনি নিতে চান না। কারণ তিনি এই ধাতব মুদ্রা কোন কিছু কিনতে পারবেন না। এছাড়াও যদি ভিক্ষুকদের টাকাগুলো দিতে চায় তারাও টাকাগুলো নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। কারণ সারাদিনের ভিক্ষায় অর্জিত টাকাগুলো নিয়ে কেনাকাটা করতে গেলে চরম বিপাকে পড়তে হবে তাদের। অর্থাৎ সকল ধরনের লেনদেনের ক্ষেত্রেই ধাতব মুদ্রা নিয়ে রীতিমতো বিপাকে পড়ছেন সর্বস্তরের মানুষ। সর্বস্তরের মানুষের মন্তব্য যদি এমতাবস্থা চলতে থাকে তাহলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে ধাতব মুদ্রাগুলে বিলীন হয়ে যাবে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি , বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধাতব মুদ্রার প্রচলন হারিয়ে যাওয়ার আগেই প্রচলন রাখতে দরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করতে করা। কেননা, এসব কিছুর সাথে আমাদের দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। এগুলোই আমাদের বড় পরিচয়, এগুলোই আমাদের দেশের গৌরব। 



লেখক:

শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ

শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ

ঢাকা কলেজ, ঢাকা

আরও খবর