শ্যামনগরে সুবিধা বঞ্চিত একশত শিশুদের মাঝে ফ্যামিলি কিটবক্স বিতরণ সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা মানবাধিকারের লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসের ধাক্কায় সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মৃত্যু ঠিকাদার আওয়ামী লীগ নেতা : রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের কাজ করছেন যুবদল নেতা বারইয়ারহাট উম্মাহাতুল মু'মিনিন (রাঃ) মহিলা মাদরাসার হিফজ সমাপনী ও সংবর্ধনা বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী স্কুলে ঢুকে প্রেম নিবেদন অতপর থানায় তিন কিশোর,বহিষ্কার দুই ছাত্রী জনগণের টাকা পাচার হতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নির্ভর করছে মায়ানমারের সদিচ্ছার ওপর: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তা ঝিনাইগাতীতে আদিবাসী নারীদের অধিকার ও নেতৃত্ব বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ‎দেশীয় প্রযুক্তিতে কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি: ডকইয়ার্ডে ৫টি রিভারাইন পেট্রোল ভেসেলের নির্মাণকাজ শুরু কচুয়ার কড়ইয়া ইউপি'র পশ্চিম আকানিয়া ১০৬ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসাটি ঝুকিপূর্ণ! দেখার কেউ নেই? জয়পুরহাটে পৃথক পৃথক দুটি ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ২জন কারাগারে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় মৎস্যচাষী প্রশিক্ষণ ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে শ্লীলতাহানির অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটি গঠন জয়পুরহাটে মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কর্মশালা রামগড়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন, তৃতীয় ধাপে কার্ড পেলেন ৪৫৬ নারী ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠে জলাবদ্ধতা আদমদীঘিতে ১২কেজি গাঁজা ও মোটরসাইকেল ফেলে পালাল মাদক কারবাকি

দেশকে কখনোই পরাজিত শক্তির দোসরদের হাতে তুলে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 14-12-2023 12:50:11 pm

◾বাসস ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা অগ্নিসংযোগকারি ও রেললাইনের ফিশপ্লেট উপড়ে ফেলার সঙ্গে জড়িতদের একাত্তরের পরাজিত শক্তির দোসর হিসেবে বর্ণনা করে দেশকে তাদের হাতে তুলে না দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, “যারা অগ্নিসংযোগ করছে এবং রেললাইনের ফিশপ্লেট তুলে ফেলছে তারা পরাজিত শক্তির (একাত্তরের) দোসর। আমরা কখনই পরাজিত শক্তির হাতে দেশকে তুলে দেব না।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে একথা বলেন।

 শেখ হাসিনা বলেন, যারা এদেশে জ্বালাও-পোড়াও অগ্নিসংযোগ করে, রেল লাইনের ফিসপ্লেট তুলে ফেলে এরাতো পরাজিত শক্তির দালাল, পরাজিত শক্তির দোসর। কাজেই এদেরকে না বলুন। এদের বাংলাদেশের রাজনীতি করারই কোন অধিকার নেই। খুনি, সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী, দুর্নীতিবাজ এদের বাংলাদেশে কোন স্থান নেই। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার, ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে। তারা সেই ভোটের অধিকার প্রয়োগ করবে। তারা শান্তিতে বাস করবে। উন্নত জীবন পাবে সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি জাতির পিতা মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “আমরা এই দেশকে আর কখনো এই পরাজিত শক্তির হাতে তুলে দেব না।” 

“বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে চলবে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী জাতি হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবে, শহীদদের কাছে এটাই আমাদের অঙ্গীকার,” যোগ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, এমপি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সহ-সভাপতি যথাক্রমে শেখ বজলুর রহমান ও নুরুল আলম রুহুল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী ফয়জুর রহমান আহমেদের ছেলে ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলিম চৌধুরীর মেয়ে অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক আহকাম উল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত অংশ পাঠ করেন। 

 আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, এমপি এবং সহপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে মানুষ সেবা পায়। এখনতো মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিটি মৌলিক অধিকার আমরা নিশ্চিত করতে পেরেছি। আজকে বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। আর এই সম্মানটা দিতে পারে না আমাদের দেশের কিছু কুলাঙ্গার। ’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন ওই হানাদার বাহিনীর দোসর যারা ছিল এরাই তাদের প্রেতাত্মা হয়ে মানুষের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে মানুষ হত্যা করে যাচ্ছে। আর মানুষ হত্যার পরিকল্পনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে আমার একটা আবেদন থাকবে প্রত্যেকটি এলাকায় যেখানে রেললাইন আছে যানবাহন  চলাচল করছে সেখানে যখন কোন ঘটনা ঘটাবে সাথে সাথে জনগণ যদি মাঠে নামে এরা হালে পানি পাবে না। কাজেই আমি জনগণের কাছে আহ্বান জানাবো সকলকে সাবধান থাকতে হবে। কারণ, এরা কেবল ধ্বংস করতে জানে এরা কোন কিছু সৃষ্টি করতে জানে না। এরা কেবল মানুষ খুন করতে পারে মানুষের জীবনের শান্তি ও নিরাপত্তা দিতে পারে না। এরা মানুষের সর্বনাশ করতে পারে কিন্তু মানুষের জীবনটাকে উন্নত করতে পারে না। আর কোথাও এ ধরণের রেলের ফিসপ্লেট তুলে ফেলা বা রেললাইন তুলে ফেলা, আগুন দেওয়া-যখনই যে করতে যাবে সরাসরি তাদেরকে ধরতে হবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। রেলে চড়ে মানুষ যাবে সেখানে রেললাইন তুলে ফেলে দিয়ে মানুষ হত্যা করবে, তারা আবার কথা বলে কোন মুখে? 

“হত্যাকারীরা কখনো গণতন্ত্র দিতে পারে না। এটা দেশের মানুষকে বুঝতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আজকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আমরা আমাদের অনেক বুদ্ধিজীবীদেরকে হারিয়েছি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি। আর শহীদের রক্ত কোনদিন বৃথা যায় না। বৃথা যায়নি। আজকের বাংলাদেশ এই ১৫ বছরে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি এবং সেই উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

আরও খবর