◾ স্পোর্টস ডেস্ক
অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের লড়াইয়ের পরও নিউজিল্যান্ডের কাছে ৪৮ রানের বড় ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ফলে ত্রিদেশীয় সিরিজে ফাইনালে খেলার স্বপ্ন আর পূরণ হলো না টাইগারদের। ক্রাইস্টচার্চে ২০৯ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেটে ১৬০ রানেই থেমেছে বাংলাদেশ। ৪৪ বলে ৮ চারে আর ১ ছক্কায় ৭০ করেন সাকিব।
২০৯ রানের বড় টার্গেট টপকাতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসের ব্যাটে শুরুটা হয় ধীরগতির। দুবার নতুন জীবন পেয়েও শান্ত নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। অ্যাডাম মিলনের বলে আউট হওয়ার আগে ১২ বলে করেছেন ১১ রান।
লিটন দাসের ব্যাটে রান আসতে শুরু হলেও তাকে থামিয়েছেন ব্রেসওয়েল। বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে গাপটিলের হাতে পড়েন ধরা। দলীয় ৪৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ; লিটন ফেরেন ১৬ বলে ২৩ রানে।
প্রায় এক বছর পর দলে ফেরা সৌম্য সরকার দারুণ সব স্ট্রোক খেলছিলেন। কিন্তু ইনিংসটা হয়নি বেশি বড়। অ্যাডাম মিলনের বলে থার্ডম্যান অঞ্চলে শট খেলে আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৩ রান।
দারুণ খেলতে থাকা সাকিবকে সঙ্গ দিতে এসে ব্যর্থ আফিফ হোসেন ধ্রুব ফিরেছেন মাত্র ৪ রানে। ব্রেসওয়েলের বলে এগিয়ে এসে হয়েছেন বোল্ড। কেবল ২ রানেই অ্যাডাম মিলনের তিন নম্বর শিকার হয়ে সাজঘরে যান নুরুল হাসান সোহান।
উইকেটের আসা-যাওয়া দেখতে দেখতেই সাকিব পূর্ণ করেন পঞ্চাশ, তাও আবার ৩৩ বল খেলে। ইয়াসির রাব্বি ৬ বলে করেন ৬।
শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬০ রানে। নিউজিল্যান্ড পেয়েছেন ৪৮ রানের জয়। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে সাকিব থামেন ৭০ রানে।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ফিন অ্যালেন ও ডেভন কনওয়ের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৪৫ রান। ৪.২ ওভার স্থায়ী জুটি ভাঙেন শরিফুল ইসলাম। ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বির ক্যাচ বানিয়ে বিপজ্জনক হতে থাকা অ্যালেনকে থামান শরিফুল। ১৯ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩২ রান করেন অ্যালেন।
অ্যালেন ফেরার পর রান তোলার দায়িত্ব নেন ডেভন কনওয়ে। ৩০ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। ৩১ বছর বয়সি কনওয়ের এটি ৬ষ্ঠ ফিফটি (আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে)।
ধীরে শুরু করা মার্টিন গাপটিল উইকেটে থিতু হয়ে দ্রুত রান তোলাতে মন দেন। যদিও ৩৪ এর বেশি করতে পারেননি। ২৭ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৩৪ রান করে এবাদত হোসেনের বলে ক্যাচ দেন নাজমুল হোসেন শান্তকে।
১৭ তম ওভারে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফেরান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ওভারের প্রথম বলে ডেভন কনওয়ে ও ৪র্থ বলে মার্ক চ্যাপম্যানকে ফেরান তিনি। ৪০ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে ৬৪ রান করেন কনওয়ে, চ্যাপম্যান করতে পারেন ২ রান।
তবে শেষদিকে গ্লেন ফিলিপসের ঝড়ো ফিফটিতে ২০০ এর গণ্ডি পার করে কিউইরা। ২৪ বলে ২ চার ও ৫ ছয়ে ৬০ রান করেন ফিলিপস। শেষ ওভারে তাকে বোল্ড করে নিজের ২য় শিকার তুলে নেন এবাদত হোসেন। ৫ উইকেটে ২০৮ রান করে থামে স্বাগতিকরা।
৪ দিন ৯ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৫ দিন ৯ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
৯ দিন ৬ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
১০ দিন ৬ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১০ দিন ৬ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
১৪ দিন ১১ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
২১ দিন ২৩ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
২৪ দিন ১০ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে