◾ স্পোর্টস ডেস্ক
বিফলে গেল চলতি অষ্টম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আরব আমিরাতের ডান হাতি লেগ স্পিনার কার্তিক মিয়াপ্পনের হ্যাট্ট্রিক। মঙ্গলবাার (১৮ অক্টোবর) প্রথম রাউন্ডে ‘এ’গ্রুপের ম্যাচে হ্যাট্ট্রিক করেও শ্রীলংকার বিপক্ষে জয় এনে দিতে পারলেন না আমিরাতের মিয়াপ্পন।
মিয়াপ্পনের হ্যাট্টিকের আনন্দকে বৃথা করে স্বস্তির জয় পেল শ্রীলংকা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে নামিবিয়ার কাছে হারের পর আরব আমিরাতকে ৭৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লংকানরা। এই জয়ে ২ খেলায় ২ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে পিছিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে শ্রীলংকা। লংকানদের সমান পয়েন্ট হলেও, রান রেটে এগিয়ে দ্বিতীয়স্থানে নামিবিয়া। ২ খেলায় ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে নেদারল্যান্ডস। সমানসংখ্যক ম্যাচে জয়হীন আরব আমিরাত।
ভিক্টোরিয়ার জিলংয়ে টস জিতে শ্রীলংকাকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। ব্যাট হাতে ইনিংসের শুরু থেকেই দ্রুত রান তুলতে থাকেন লংকান দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস। ৪ দশমিক ৪ বলে দলের স্কোর ৪২ রানে নিয়ে যান তারা। ২টি চারে ১৩ বলে ১৮ রান করে লংকার প্রথম ব্যাটার হিসেবে প্যাভিলিয়নে ফিরেন কুশল।
দুর্দান্ত শুরুটা পরবর্তীতে ধরে রাখেন নিশাঙ্কা ও তিন নম্বরে নামা ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। ৩৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরির জুটি গড়েন তারা। ২১ বলে ৩৩ রান করে আউট হন ডি সিলভা। এতে ১২তম ওভারের প্রথম বলে দলীয় ৯২ রানে ভাঙ্গে এই জুটি। ইনিংসে ৩টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন সিলভা। তৃতীয় উইকেটে রানের চাকা সচল রেখে শ্রীলংকার বড় স্কোরের পথ তৈরি করছিলেন নিশাঙ্কা ও ভানুকা রাজাপাকসে।
ইনিংসের ১৫তম ওভারে তৃতীয়বারের মত বোলিং আক্রমনে এসে শ্রীলংকা বড় স্কোরের পথে বড় ধাক্কা দেন স্পিনার মিয়াপ্পন। প্রথম তিন বলে ৩ রান দেন তিনি। চতুর্থ বলে ডিপ কভারে ক্যাচ দিয়ে ৫ রানে ফিরেন রাজাপাকসে। পঞ্চম বলে ১ রান করা চারিথা আসালঙ্কা এবং শেষ বলে শুন্য রানে দাসুন শানাকাকে ফিরিয়ে হ্যাট্ট্রিক পুর্ন করেন মিয়াপ্পন।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাট্ট্রিক করলেন মিয়াপ্পন। দেশের হয়ে প্রথম ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩৯তম হ্যাট্ট্রিকম্যান হিসেবে রেকর্ড বইয়ে নাম তুললেন মেইয়াপ্পন।
মিয়াপ্পনের হ্যাট্টিকের তোপের পর বড় স্কোর করতে পারেনি শ্রীলংকা। তবে নিশাঙ্কার ৭৪ রানের সুবাদে ৮ উইকেটে ১৫২ রানের লড়াই করার মত পুঁিজ পায় লংকানরা। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের অস্টম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে শেষ ওভারে আউট হন নিশাঙ্কা। তার ইনিংসে ৬টি চার ও ২টি ছক্কা ছিলো। স্বাভাবিকভাবেই আরব আমিরাতের সেরা বোলার ছিলেন মিয়াপ্পন। ৪ ওভার বল করে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি।
১৫৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শ্রীলংকার পেসার দুসমন্থ চামিরার বোলিং তোপে পড়ে আরব আমিরাত। চামিরার ৩ উইকেটে ১৯ রানেই আরব আমিরাতের তিন উইকেটের পতন ঘটে।
চামিরার পেসে দিশেহারা আরব আমিরাত পরবর্তীতে স্পিনার হাসাঙ্গার ঘুর্ণিতে পড়ে হারের পথে ছিটকে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ১৭ দশমিক ১ ওভারে ৭৩ রানে অলআউট হয় আরব আমিরাত। আমিরাতের মাত্র তিন ব্যাটার দুই অংকের কোটা স্পর্শ করতে পারেন। সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার আয়ান আফজাল খান। শ্রীলংকার চামিরা ১৫ রানে ও হাসারাঙ্গা ৮ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন নিশাঙ্গা।
৫ দিন ১৪ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৬ দিন ১৫ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
১০ দিন ১২ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১১ দিন ১২ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
১১ দিন ১২ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
১৫ দিন ১৬ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
২৩ দিন ৪ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
২৫ দিন ১৬ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে