স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে জামাতে নামাজ পড়তে পারবে কি? ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আছে ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ ইসলামপুরের নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত উলিপুরে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার ধাক্কায় মুদি ব্যবসায়ীর মৃত্যু শ্যামনগর উপজেলা নাগরিক কমিটির ত্রৈমাসিক সভা সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জিম্মিদশা থেকে ৬ জেলে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ নভেম্বর মোংলা-বাগেরহাটে আসছেন আশাশুনি নওয়াপাড়ায় নদী খননের মাটি অবাধে বিক্রি ★হুমকিতে বাঁধ ও সরকারি সড়ক শেরপুরে পাঁচ দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন, থাকছে ১০টি স্টল পীরগাছায় ইউএনওর সঙ্গে নৃ-গোষ্ঠী নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেরপুরে নারীদের অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা জাগরণের আহ্বান- সজিব হোসেন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও ১ কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন পটুয়াখালীর বড়বাইশদিয়া আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস মিয়া বছরে ৩৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা, ১৪ শিক্ষকেও পাস করাতে পারেনি ৬ শিক্ষার্থীকে! মানুষের জন্য মানুষ ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর আয়োজনে শাকসবজি চাষের বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন ও বিভিন্ন প্রকার শাকসবজির বীজ বিতরণ বাগরা মদিনাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদ্রাসার ১৮তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত

ফল খেলে অ্যাসিডিটি হয় না

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 06-07-2024 03:22:55 am

ফলে আছে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই সুস্থ থাকতে ডাক্তাররা নিয়মিত ফল খেতে বলেন। কিন্তু অনেকে ফল খেতে ভয় পান। ভাবেন ফল খেলে অ্যাসিডিটি বাড়বে। এই ধারণার বিজ্ঞানসম্মত কোনো যুক্তি নেই।


তবে কারও কারও লেবু জাতীয় ফল খেলে সমস্যা হতে পারে। গলা-বুক জ্বালা করতে পারে। তারা এ ধরনের ফল খাওয়া এড়িয়ে যাবেন। আমাদের সবার পেটেই হজমে সাহায্যকারী অ্যাসিড উপস্থিত থাকে।কোনো কারণে এই অ্যাসিড খাদ্যনালি বেয়ে ওপরের দিকে উঠে এলেই গলা, বুক জ্বালা করে। মুখ টক হয়ে যায়। আর এই সমস্যার নামই হলো জিইআরডি। যদি জিইআরডি সমস্যা থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ফল খেতে হবে। ফলে ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে। যার ফলে ফল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। অনেক ধরনের রোগ-ব্যাধি থেকেও দূরে থাকা যায়। সেই সঙ্গে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কাও কমে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম ফল খান।


এ ছাড়া ফল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলেস্টেরল ও প্রেশারের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।


ডায়াবেটিস থাকলে আম, কাঁঠাল, লিচুর মতো ফল কম খেতে হবে। কারণ এসব ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৫০-এর বেশি। যার ফলে এসব ফল খেলেই রক্তে সুগার লেভেল বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।তবে সুগার রোগীরা অনায়াসে আপেল, পেয়ারা, নাশপাতি, খরমুজের মতো লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত ফল খেতে পারেন। তাহলেই সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।


বাজারে পাওয়া যায় এমন ফলের জুস খাওয়া বাদ দিতে হবে। কারণ এসব ফলের জুসে মাত্রাতিরিক্ত চিনি এবং প্রিজারভেটিভ থাকে। আর এসব উপাদান শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই বাজারের জুস এড়িয়ে চলতে হবে। বাড়িতে ফলের জুস তৈরি করে খেলে চেষ্টা করবেন চিনি এড়িয়ে যেতে। সবচেয়ে ভালো হয় ফল কেটে খেয়ে ফেলতে পারলে।

আরও খবর
6ae0182e63d45-271026091910.webp
দুধ-কলা একসঙ্গে খেলে শরীরে কী ঘটে?

৭ দিন ২০ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে






6a3ab09a78516-230626101314.webp
লিভার সুস্থ রাখার ৫ সহজ উপায়

১৩৩ দিন ৭ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে


6a1ffff6c89c2-030626042038.webp
অসহ্য গরম থেকে বাঁচতে যা করবেন

১৫৩ দিন ১৩ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে