হরমুজ খোলায় বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বাঘারপাড়ায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা মাদারীপুর সদরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘিরে পালিয়ে যাওয়া ও নির্যাতনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ২য় বছর পার করে ৩য় বছরে পদার্পণ নোয়াখালীর সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবার আলো ফাউন্ডেশন দেশজুড়ে হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে মাদক রুখতেই হবে রংপুরে পুলিশের জিরো টলারেন্স: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার ও গাড়ি উদ্ধার চসিকের স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন ৮ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হরমুজ উন্মুক্ত করল ইরান ঝিনাইগাতীতে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত শার্শার বাগআঁচড়ায় প্রতারিত হয়ে ভ্যান খোয়ালো ষষ্ঠ শ্রেনির ছাএ ভাসুরের ছুরিকাঘাতে নারী খুন ‎সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জিম্মি ২ জেলে উ'দ্ধা'র, অস্ত্রসহ দয়াল বাহিনীর সদস্য আটক ময়মনসিংহে ৮০ বছর বয়সী ইমামতিকে সম্মাননা শ্রীমঙ্গলে সাইটুলা মাদ্রাসা ভবণ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন লালপুরে কোরাআন বিতরণ ও সবক প্রদান লাখাইয়ে কলেজের লাগোয়া ভূমি ক্রয়বিক্রয় কে কেন্দ্র করে নানামুখী আলোচনা ও ভূলবুঝাবুঝি। রায়পুরে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল চায়ের দোকান, নিঃস্ব দোকানি মোস্তফা কামাল রায়পুরে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল চায়ের দোকান, নিঃস্ব দোকানি মোস্তফা কামাল রাশিয়ার তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি পেল বাংলাদেশ

ছাত্র-শিক্ষকের এমন দৃশ্য এখন আর দেখা যায় না

মো. ফরমান উল্লাহ - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 02-09-2024 03:38:34 pm

মোঃফরমান উল্লাহ, বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক দেশচিত্র


ছাত্র-শিক্ষকের এমন দৃশ্য এখন আর দেখা যায় না। আগে ছাত্র শিক্ষকের পা ছুয়ে সালাম করে সম্মান জানাতো। বর্তমানে এটা উল্টো হয়ে গেছে। বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হয় ছাত্র হয়ে গেছে শিক্ষক আর শিক্ষক হয়ে গেছে ছাত্র।


এর জন্য দায়ী কিছু দূর্নীতিবাজ শিক্ষক।যারা ঘুষের মাধ্যমে নিয়োগ ও পদোন্নতি পেয়েছেন।


আমরা যখন ছাত্র ছিলাম তখন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খুজ নিতেন কোন এলাকা থেকে একজন ছাত্র ভালো রেজাল্ট করে বিএ পাস করেছেন। খুজ নিয়ে আমাদের ঐ ছাত্রের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতেন। আমরা তাঁর সাথে কথা বলে স্কুলে নিয়ে আসতাম। তিনি আমাদের মনোযোগ দিয়ে পাঠদান করতেন। কিছু দিন ক্লাস করার পর আমাদের মতামত নিয়ে উক্ত শিক্ষকে স্কুলে নিয়মিত শিক্ষক হিাসবে নিয়োগ দিতেন। তাঁদের অনেকে আমাদের স্কুলে আছেন।তাঁদের বিরুদ্ধে আজ পযর্ন্ত দূর্নীতি বা ফাঁকি দেওয়ার কোন অভিযোগ উঠে নি।


কয়েক বছর আগে আমাদের বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র পূনমিলনী অনুষ্ঠানে আমাদের কয়েক জন শিক্ষকের পা ছুয়ে সালাম করার সুযোগ পেয়েছিলাম। দীর্ঘ কয়েক বছর পর শিক্ষকদের পা ছুয়ে সালাম করতে পেরে নিজেদেরকে অনেক সুভাগ্যবান মনে হয়েছিল। বর্তমানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে, ক্ষমতার জোরে,ঘুষের বিনিময়ে যারা চাকরী বা পদোন্নতি পেয়েছে তাদের অপকর্মের জন্য শিক্ষকদের লাঞ্চিত হতে হচ্ছে। এধরনের শিক্ষকেরা বিদ্যালয়কে রাজনৈতিক কার্যালয়ে পরিনত করেছিল। কোন কোন বিদ্যালয়ে একটা বিশেষ রাজনৈতিক দলের স্লোগান ও শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রদের দিতে বাধ্য করা হয়েছিলো। দূর্নীতিবাজ শিক্ষকদের দুর্নীতি আর অপকর্মের  জন্য বর্তামানে ছাত্র কর্তৃক শিক্ষকে সালাম করা একেবারেই নেই। আর নেই বলেই দূর্নীতিবাজ শিক্ষকদের কারণে বেয়াদবীর চরম শিখরে আজ ছাত্র সমাজ। 


 দলবাজ,দূর্নীতিবাজ,চরিত্রহীন, ঘুষখোর শিক্ষকদের কারণে পবিত্র বিদ্যালয় আজ অপবিত্র হয়ে উঠেছে। দূর্নীতিবাজ শিক্ষকদের অপসারন করে   ছাত্র শিক্ষকের পবিত্র সম্পর্ক পুনস্থাপন করা খুবই জরুরী। তা না হলে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে।ধ্বংস হয়ে যাবে পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের সম্মান। বন্ধ করতে হবে রাজনৈতিক দলের নেতা দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কোন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। রাজনৈতিক দলের নেতার হস্তক্ষেপ বন্ধ হলেই বন্ধ হবে বিদ্যালয়ের দূর্নীতি। প্রতিষ্ঠিত হবে আদর্শ শিক্ষা ব্যবস্থা, আর্দশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আদর্শ শিক্ষার্থী।


ছবি সংগৃহিত

আরও খবর