রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপরিচিত এক মুখ ইয়াসিন আরাফাত বিজয়। একজন লেখক সংগঠক ও স্পোর্টস এক্সপার্ট। তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু বিজয় একজন মানবিক ও নান্দনিক মানুষ। যমুনার অববাহিকায় ২০০১ সালের, ২০ সেপ্টেম্বর, সিরাজগঞ্জ জেলার, কাজিপুর উপজেলার, ছালাভরা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
৭ম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় স্থানীয় মাসিক "কৌমুদ' পত্রিকায় একটি কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে তার লেখক সত্তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। ধারাবাহিকভাবে তিনি এখন নিয়মিত কলাম, ফিচার, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ লিখে যাচ্ছেন দেশের প্রথম সারির জাতীয় পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টালগুলোতে।
বিজয় বিশ্বাস করেন এই যুগের সচেতন পাঠকদের মধ্যে তার অবস্থান দৃঢ়। তার বিশ্লেষণ এবং চিন্তাধারার প্রেক্ষাপটও ভিন্ন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের হাত থেকে বর্ষসেরা (২০২৪) উপস্থাপকের পুরস্কার গ্রহণ করেছেন, এছাড়াও ক্যাম্পাসে বর্ষসেরা সংগঠক সম্মাননাও রয়েছে তার। অতি সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নিজ হলের পানিতে ফিকাল কলিফর্ম জীবাণু ধরা পরে (এটা এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া গোষ্ঠী, যা মূলত মানুষ ও উষ্ণ রক্তের প্রাণীর মল থেকে আসে)। হলে বিশুদ্ধ পানির চরম সংকট দেখা দেওয়ায় অনেকে বাধ্য হয়ে এই পানিই পান করে যাচ্ছিলেন। এইটা শনাক্ত হওয়ার পর তিনি নিজ উদ্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে নিজ বিভাগের কিছু জুনিয়রদের সাথে নিয়ে সকাল থেকে পানির বড় বড় ৩ টা জার সংগ্রহ করে তা যত্ন সহকারে পরিস্কার করে, প্রথম দিকে নিজে পানি বহন করে এবং পরে পাইপের মাধ্যমে ৩ দিন প্রায় ৩২০০ লিটার সুপেয় পানির ব্যবস্থা করেছিলেন। এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তথা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। এছাড়াও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক কাজের সাথে জড়িত। জুলাই আন্দোলন ও শিশু আছিয়া হত্যা আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা ছিলেন। জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় ডিজিটাল আইনে মামলাও হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি তার এলাকায় শিশু ধর্ষণ নিয়ে তার নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে প্রভাবশালী এক নেতাকে গ্রেফতার করিয়েছেন। এছাড়াও ধর্ষণ, সামাজিক নিরাপত্তা ইস্যু, নারী শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, পোষ্য কোটার বিপক্ষে ক্যাম্পাসজুড়ে বিজয়ের রয়েছে বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। এবং বৃক্ষরোপণ, রক্তদানসহ আরও নানান মানবিক কাজে রয়েছে তার উদার সম্পৃক্ততা। বর্তমানে তিনি নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন। নিজ এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার ছাত্র প্রতিনিধিও তিনি। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলা কেন্দ্রীকও তার স্বপ্ন সুদূরপ্রসারী। ক্রীড়া গবেষণায় মনোনিবেশ করে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে রাখতে চান বিশেষ ভূমিকা। ইতিমধ্যেই তার ক্রীড়া সম্পর্কিত বেশ কিছু প্রবন্ধ আলোচনায় এসেছে। সর্বোপরি মানবিক মানুষ হওয়ায় তার অন্যতম লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে "শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান" বিভাগে, বি.এস.সি ৩য় বর্ষে অধ্যয়নরত।
২ দিন ৭ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৯ দিন ১৬ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
৪২ দিন ১৩ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
৫১ দিন ১৯ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৫৮ দিন ১৭ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৮৮ দিন ৫ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৯০ দিন ৯ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৯৪ দিন ৮ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে