▪️আল আমিন : বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশ সৃষ্টির সূচনা থেকে এখন অবধ গণতান্ত্রিক রাজনীতি চলমান। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গণতন্ত্রকে আপন করে নিয়েছে। মনে প্রাণে তাঁরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এটার অন্যতম কারণ হলো- গণতন্ত্র কখনোই জনগণের বিপক্ষে নয় বরং গণতন্ত্রই জনগণের পক্ষের শক্তি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো- গণতন্ত্রই তাঁদের বাক স্বাধীনতা এবং জীবন কেড়ে নিচ্ছে। এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে যে, গণতন্ত্র কীভাবে বাক স্বাধীনতা এবং জীবন কেড়ে নিচ্ছে?গণতন্ত্রকে বুকে ধারণ করেই আমাদের দেশে অনেক দল গড়ে উঠেছে। এবং সবাই-ই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চায়।
গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা করতে গেলে একদল- অন্য দলের কিংবা দলের লোকের বিপক্ষে সমালোচনা করতেই পারে। সমালোচনা গণতন্ত্রেরই একটি অপরিহার্য অংশ। তবে সমালোচনা হতে হবে গঠনমূলক এবং যৌক্তিক। কিন্তু বর্তমানে আমাদের দেশে গঠনমূলক সমালোচনার প্রচলন খুব একটা নেই বললে চলে। এবং যে সমালোচনাগুলো হয় সেগুলো উস্কানিমূলকও আক্রমণাত্মক।
ফলে বিপক্ষ দলের সমর্থকরা সেটা সহ্য করতে না পেরে মানহানিকর কথা বলে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এমনকি মাঝেমধ্যে হত্যার খবরও পত্রিকার পাতায় দেখা যায়। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটিএর রিপোর্ট অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় কমপক্ষে ১৬০ জন নিহত হয়েছে। শুধু তাই নয়, গত দশ - পনেরো বছরে অসংখ্য অগণিত মানুষের প্রাণ দিতে হয়েছে।
যেটা আমাদের কখনোই কাম্য নয়। আর এটা অবশ্য গণতন্ত্রকেই হত্যার শামিল। তাই আমরা আর হত্যা কিংবা সহিংসতার রাজনীতি দেখতে চাই না। আমরা চাই সুন্দর একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আসুন সবাই মিলে সঠিক গণতন্ত্রের চর্চা করি।
লেখক : মো. আল-আমিন
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ।
৯ দিন ২ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
২২ দিন ১৯ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
২৩ দিন ১৭ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
২৮ দিন ৪ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৩২ দিন ১৪ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৪৭ দিন ১৩ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৫০ দিন ২৩ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
৫২ দিন ১ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে