হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকী পালনের দিনগুলিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কুড়িগ্রামে জাতির জনকের নিজস্ব কোনো ম্যূরাল নেই ।
দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫২ বছর পার হলেও দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে ওঠেনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নিজস্ব ম্যূরাল কিংবা ভাস্কর্য। যেখানে জেলার সর্বস্তরের মানুষজন শ্রদ্ধা জানাবে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৭ ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ,১৭ ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের জন্য প্রতিবছর কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের বিজয়স্তম্ভে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি হিসেবে জাতির জনকের অস্থায়ী ছবিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে সেই ছবি ও পুস্পস্তবকগুলো দিনশেষে সেই স্থান থেকে সরিয়ে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বছরের পর বছর এভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ দুটি দিবস পালন করা হলেও,প্রশাসনের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল বা ভাস্কর্য গড়ে ওঠা নিয়ে তেমন কোন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়নি। দু বছর আগেও স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তী পালনের সময় এ বিষয়ে জেলার সংস্কৃতি কর্মীরা দাবি তুললেও পরবর্তীতে এ বিষয়টি আর আলোর মুখ দেখেনি।
কুড়িগ্রাম জেলা শহরের ত্রিমোহনীতে ,জেলা পরিষদ চত্বরে,কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে স্ব স্ব কর্তৃপক্ষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল তৈরী করলেও জেলায় নেই তার কোন ভাস্কর্য। জেলার গুরুত্বপূর্ণ এই ৩টি স্থানে ম্যূরাল থাকলেও জেলায় কেন্দ্রীয় ভাবে নেই কোন নিজস্ব স্থাপনা। জেলার একক নিজস্ব কোন ম্যূরাল বা ভাস্কর্য না থাকার ফলে এ দিবসগুলোতে বিজয় স্তম্ভে অস্থায়ীভাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসনসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সর্বসাধারণ এভাবেই শ্রদ্ধা জানায় ।
এ ব্যাপারে,কুড়িগ্রাম জেলার ঘাতক,দালাল নির্মুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী দুলাল বোস বলেন,'দেশ স্বাধীন হবার এতগুলো বছর পরেও জেলায় কেন্দ্রীয়ভাবে জাতির জনকের ম্যূরাল না থাকার বিষয়টি সত্যি কষ্টদায়ক। স্বাধীনতার মাসে প্রশাসন চাইলেই এ সমস্যাটির সমাধান করতে পারে।'
কলেজে শিক্ষার্থী কল্লোল রায় বলেন,'জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিবস গুলোতে দেখি কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সরকারি অফিসগুলো বঙ্গবন্ধুর অস্থায়ী ছবিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। অস্থায়ী প্রতিকৃতির ছবিটি যখন সরিয়ে ফেলে সন্ধায় অন্য প্রোগ্রাম করে তখন কিছুটা খারাপ লাগে। আমাদের জেলার নিজস্ব একটি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বা ম্যূরাল খুবই দরকার। '
এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল কিংবা ভাস্কর্য তৈরির বিষয়টি নিয়ে
এতদিন কাজ করা হয়নি। বিষয়টি সত্যি দুঃখজনক। আমরা আমাদের ডিসি অফিসের পুকুরটি সংলগ্ন 'আই লাভ কুড়িগ্রাম' নামক স্থানে বঙ্গবন্ধুর একটি নিজস্ব ম্যূরাল বা ভাস্কর্য তৈরি করার উদ্যোগ নেবো। যা আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে তৈরি করা সম্ভবপর হবে।'
২ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
২ দিন ৩ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
২ দিন ৪ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
২ দিন ৫ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
৩ দিন ২ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৩ দিন ৮ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে
৭ দিন ৫ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৮ দিন ৫ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে