নোয়াখালী  চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বিএসটিআই লাইসেন্স গ্রহণ না করে মান-নিয়ন্ত্রণ বিহীন পানি সরবরাহের অপরাধে চাটখিলে ড্রিংকিং ওয়াটারের সরবরাহকারী ৪ টি প্রতিষ্ঠানের অর্থদণ্ড ও সিলগালা করেন।

বুধবার (০৯ নভেম্বর)  ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, দূষিত পানি সরবরাহ করার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। চাটখিলে পিএস ড্রিংকিং ওয়াটারের লাইসেন্স না থাকায় তাদেরকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। প্রবাহ ড্রিংকিং ওয়াটারের কাউকে খুঁজে না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করা হয়। খিলপাড়ায় ফাতেমা ড্রিংকিং ওয়াটারকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা ও সিলাগালা করা হয়। জমজম ড্রিংকিং ওয়াটার অভিযানের খবর পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের পানি সরবরাহের সব লাইন বিচ্ছিন্ন করে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পিএস ড্রিংকিং ওয়াটারের মালিক মানিক দেবনাথ অভিযোগ করে বলেন, লাইসেন্স করতে বিএসটিআইতে মোটা অংকের টাকা খরচ হয়,এই কারণে চাটখিলে ৪টি প্রতিষ্ঠানের কেউ লাইসেন্স করতে পারছে না।

উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভুঁইয়া বলেন, “বিশুদ্ধ পানির অপর নাম জীবন। অস্বাস্থ্যকর ও ক্ষতিকারক পানি সকলেরই জন্য বিপদজনক। বিশুদ্ধ পনি সরবরাহে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিএসটিআই এর অনুমোদনের জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করবো।”

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন, বিএসটিআই এর ফিল্ড অফিসার মো: শাহিদুল ইসলাম, স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মো: নুরুল ইসলাম ও চাটখিল থানা পুলিশ।