বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার হাটবাজারগুলোতে গত কয়েক দিনের ব্যবধানে সব ধরণের নিত্যপণ্যের দাম আরও বেড়েছে। লাগামহীনভাবে পেঁয়াজ, আলু, ডিম, মাছ, মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতারা হাট বাজারে নির্ধারিত টাকায় প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য কিনতে পারছেনা। বর্তমানে উর্দ্ধগতিতে পণ্য কিনতে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষরা হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ মোকামে কম থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানায়।
জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলার সদর, সান্তাহার, ছাতিয়ানগ্রাম, নসতৎপুর, চাঁপাপুর, কুন্দগ্রামসহ বিভিন্ন হাটবাজারগুলো কয়েক দিনের ব্যবধানে সবজিসহ সব ধরণের নিত্যপণ্যের দাম হু হু করে বাড়ছেই। দেশি জাতের পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজির স্থলে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা, ৫০ টাকা কেজির আলু বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, ১৫০ টাকা কেজির আদা বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা , ১৮০ টাকা কেজির রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা, ৬০ টাকা কেজির পটল ৮০ টাকা, ৮০ টাকার কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, ৭০ টাকা কেজির করলা ১২০ টাকা, ৫০ টাকা কেজির বেগুন ১০০ টাকা, সয়াবিন তেল ১৭০ টাকা কেজি, চিনি ১২০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা, গরুর মাংস ৭০০ টাকা, খাসির মাংস ১০০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা কেজি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৯০ টাকা, লাল পাকিস্থানি মুরগী ২৮০ টাকা কেজি থেকে ৩০০ টাকা, দেশী মুরগি ৪৫০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা কেজি, ৪০ টাকার এক হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা এবং হাঁসের একহালি ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সব ধরণের মাছ কেজিতে ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
আদমদীঘি কাঁচা বাজার সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ জানায়, শীতকালিন সবজি বাজারে আমদানী হলে কিছুটা দাম কমতে পারে। সবজি ব্যবসায়ী হজরত আলী ও মনসুর আলী জানায়, মোকামে সবজির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশি দামে আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে।
আদমদীঘি সদর হাটে সবজি কিরতে আসা ভ্যানচালক আনছার আলী ও কৃষক মিজানুর রহমান জানায়, বর্তমানে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় আমাদের মতো নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষদের সংসার চালানো দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের তদারকি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
২ দিন ৫২ মিনিট আগে
২ দিন ১ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
৩ দিন ২০ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৮ দিন ২ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
১০ দিন ১১ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
১১ দিন ৯ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১২ দিন ৮ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১৩ দিন ৬ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে