চিলাহাটিতে ধর্ষকের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন শাজাহানপুর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৮ মণ পলিথিন জব্দ !!! চৌদ্দগ্রাম হোটেল টাইম স্কয়ার এবং হোটেল তাজমহলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান. কাঠের জীপ গাড়ি তৈরি করে তাক লাগিয়েছন অভয়নগরের আসলাম হোসেন ডোমারে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার-১ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংহতি প্রকাশ, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ শ্যামনগরে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি সভা ইসলামপুরে যাত্রীদের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ায় ইউএনওর অ্যাকশন নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীতে গোসল করতে গিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিখোঁজ রাজবাড়ীতে ৭৫ পুড়িয়া হেরোইন সহ মাদকারবারি গ্রেফতার। রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার ক্ষেতলালে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বাংলাদেশকে দেখার নেশায় ছুটছেন কুবির রাফি গাজায় নৃশংস হামলার প্রতিবাদে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ রাখার ঘোষনা: তিতুমীরের শিক্ষার্থীদের । লাখাইয়ে গ্রামের যুবমহল স্মার্টফোনের ছোঁয়ায় আজ ধ্বংসের প্রান্তে। গোয়ালন্দে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালন শান্তিগঞ্জে মাসব্যাপী কোরআন প্রশিক্ষণ পরবর্তী পুরস্কার বিতরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান অতিরিক্ত যাত্রীতে যমুনায় নৌকাডুবি : ৩ দিন পর ভেসে উঠেছে নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ রাজবাড়ীতে ক্রুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১ পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ২ জন

আজ আদমদীঘি হানাদার মুক্ত দিবস

ছবি : প্রতিনিধি


আজ ১২ ডিসেম্বর। বগুড়ার আদমদীঘি থানা পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে দীর্ঘ ৯মাস বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মুহুর্মুহু গেরিলা আক্রমনে পাক হানাদার বাহিনী পালিয়ে যাওয়ায় ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আদমদীঘি থানা সদরকে পাক-হানাদার মুক্ত ঘোষনা করেন। কিন্ত ১২ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত দিবসটি পালনে আলাদা কর্মসুচী গ্রহন করার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধারা দাবী জানিয়ে আসলেও স্থানীয় প্রশাসন তা পালন করেন না।

আদমদীঘি থানা এলাকায় পাক হানাদার বাহিনী এবং এ দেশীয় দোসর রাজাকারদের পাশাপাশি বিহারীদের (অবাঙ্গালী) অত্যাচার ছিল অবর্ণনীয়। ১৯৭১ সালের এপ্রিলের শুরু থেকেই বিভিন্ন গ্রামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, মানুষ হত্যাসহ ধর্ষনের ঘটনাও ঘটিয়েছিল বিহারী ও পাক হানাদাররা। সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহরে ৯মাস কোন বাঙ্গালীকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। বাঙ্গালী দেখা মাত্রই চালানো হতো নির্মম নির্যাতন। প্রত্যেক বিহারীই ছিল অস্ত্রধারী। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার মরহুম এল,কে আবুল হোসেন, ফজলুল হক, আজিজার রহমান নান্টু, মেজর আব্দুল হাকিম, মুনছুর রহমান, নাজির হোসেন, আব্বাস আলীসহ অন্যান্য যুদ্ধকালিন কমান্ডারদের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদারদের সাথে আদমদীঘির কুসুম্বী গ্রাম, রেল স্টেশান, নশরতপুর, মথুরাপুর গাদোঘাট রেলওয়ে ব্রীজ, সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহর রানীনগনসহ গুরুত্বপূর্ন স্থানে গেরিলা ও সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। এতে বেশ কিছু পাকসেনা ও রাজাকার নিহত হয়। শুরু থেকে রক্তদহ বিল, বোদলা, পালসা, বিহিগ্রাম, বিষœপুর, গণিপুর, কদমা, বেজার, থলবড়বরিয়া গ্রাম ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপদ মুক্ত এলাকা। মুক্তিযোদ্ধাদের চারিদিকের আক্রমনে পাক হানাদার বাহিনী পর্যুদস্ত হয়ে ১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর সকাল থেকেই আদমদীঘি থানা সদর থেকে সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহরে পালিয়ে একত্রিত হয়। অবশেষে ওইদিন দুপুরে আদমদীঘি থানা সদরে বিজয়ের পতাকা উড়িয়ে আদমদীঘি থানা সদরকে হানাদার মুক্ত ঘোষনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। এর দুইদিন পর ১৪ ডিসেম্বর সান্তাহারে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমন তীব্রতার কারনে সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহরে টিকতে না পেরে পাক-হানাদার বাহিনী নওগাঁ অভিমুখে পালিয়ে যাওয়ায় সান্তাহার জংশন শহর মুক্ত হয় ১৪ ডিসেম্বর। মহান স্বাধীনতার পুর্ব মুহুর্তে পাকসেনারা আদমদীঘির শ^শানঘাটিতে চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে শারীরিক নির্যাতনের পর প্রকাশ্যে গুলি করে নির্মম ভাবে হত্যাসহ দীর্ঘ ৯ মাসে এই উপজেলায় ২৫জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। বীর মুক্তিযোদ্ধা কাবিল উদ্দিন, তহির উদ্দিনসহ অনেকের দাবী ১২ ডিসেম্বর আদমদীঘি সদর হানাদান মুক্ত দিবসটি পালন করে আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধে এই সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা প্রায়োজন। 

Tag
আরও খবর