বগুড়ার বনানীর বাস স্ট্যান্ড এলাকার শুভেচ্ছা আবাসিক হোটেলে মা ও ১১ মাস বয়সী এক শিশুর হত্যা হয়েছেন।
শনিবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় তাদের হত্যা করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে মৃত্যু দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন আশা মনি ও তার শিশু ছেলে আবদুল্লাহ হেল রাফি। আশা মনির স্বামীর বাড়ি বগুড়ার ধুনট উপজেলায়। বাবার বাড়ি বগুড়ার নারুলী এলাকায়। আশা মনির স্বামীর নাম আজিজুল হক। তিনি সেনা সদস্য হিসেবে চট্টগ্রামে চাকরি করেন। তারা গতকাল শনিবার দিবাগত সন্ধ্যা সাতটার দিকে তমা ও মিরাজ পরিচয়ে হোটেলে ওঠেন। বাড়ি উল্লেখ করা হয় রংপুরের পীরগঞ্জ।
হোটেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ জানায়, প্রায় তিন বছর আগে আজিজুলের সাথে বিয়ে হয় আশা মনির। তাদের সংসারে ১১ মাস বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। সন্তান হওয়ার পর থেকেই আশা তার বাবার বাড়ি নারুলীতে থাকেন। এর মধ্যে দুই মাসের ছুটিতে বাড়ি আসেন আজিজুল। ছুটি শেষে শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে যাওয়ার কথা তার। পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে বনানীর ওই হোটেলে ওঠেন তারা। রাত সাড়ে নয়টার দিকে আজিজুল হোটেল থেকে বের হযে তার সন্তানের মাথা করতোয়া নদীতে ফেলে দেন। পরে তার বউ ও ছেলে হারিয়ে গেছে বলে শ্বশুরকে সাথে নিয়ে বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখঁজি করেন। সকালে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে স্ত্রী ও ছেলের হত্যার কথা স্বীকার করেন আজিজুল। হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে আজিজুলকে হেফাজতে নেয়।