আগস্টের ২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২১৪ কোটি ডলার দপ্তরে মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে জশনে জুলুস ৪৮ গ্রাহকের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের রহস্য উদ্ঘাটন ঠাকুরগাঁওয়ে ৪২ বোতল ফেনসিডিলসহ দুইজন গ্রেফতার নোয়াখালীতে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে জামায়াত নেতা ডেকে নিয়ে ধর্ষণ, ধর্ষণকারী গ্রেপ্তার নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-পোরশা-সাপাহার) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে সংবর্ধনা দিয়েছে নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপি। চন্দনাইশে পুকুরের পানিতে ডুবে মামাতো-ফুফাতো ২ ভাইয়ের করুণ মৃত্যু নালিতাবাড়ীতে ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঝিনাইগাতীতে ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরী, স্থাপন ও ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিড়ালের মা গ্রেপ্তার মাদক পাচারকারীদের প্রতিহত করতে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: এমপি রুবেল দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভা ‎বাগেরহাটের দিঘি থেকে কক্সবাজারের সাফারি পার্কে: অনশনের পর নতুন ঠিকানায় ধলাপাহাড় আদমদীঘির চাঁপাপুরে পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন আদমদীঘিতে অসহায় ও দু:স্থ রোগিদের মাঝে চেক বিতরণ নোয়াখালীর সেনবাগে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু সুশিক্ষার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ড. সুব্রত বড়ুয়া নিজ দলের নেতাদের মারধর ও সিট দখল: সংবাদ প্রকাশের পর জাবিপ্রবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার বরিশাল রুপাতলীর মহাসড়ক এখন ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের দখলে! সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ

শ্রীমঙ্গলে বিএনপির দুর্দিনের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর পাশে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতা তাজ উদ্দিন তাজু

মানবেতর জীবন যাপন করছেন বিএনপির তৃণমূল ত্যাগী কর্মী সামছু মিয়া


মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বিএনপির দুর্দিনের নিবেদিতপ্রাণ তৃণমূল ত্যাগী কর্মী সামছুল মিয়ার হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দিয়েছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ তাজ উদ্দিন তাজু।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার ৬ নং আশিদ্রোন ইউনিয়নের মোহাজিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত সামছু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তার শারীরিক ও পারিবারিক খোঁজখবর নেন এবং নগদ অর্থ তুলে দেন তাজ উদ্দিন তাজু।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির সুসময়েও দলের. নিবেদিতপ্রাণকর্মী ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. সামছু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকট, মামলা-হামলার দীর্ঘ ক্ষত এবং উপযুক্ত মূল্যায়নের অভাবে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। 

৫৮ বছর বয়সী সামছু মিয়া বিএনপির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দীর্ঘদিন  জাতীয়তবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। ২০১৮ সালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত অনুমোদিত কমিটির সদস্য (৮১ নম্বর) ছিলেন। বিএনপি রাজনীতি করার কারণে আওয়ামী লীগ আমলে বিভিন্ন মিথ্যা এবং গায়েবী হয়রানীমূলক মামলায় একাধিকবার কারাবরণ করেন তিনি। এরপরও তিনি দল ছাড়েননি। ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ। 

বিগত ১৭ বছরে আন্দোলন-সংগ্রাম ও জেল-জুলুমে সর্বস্ব হারানো এ কর্মী প্রায় চার বছর ধরে ব্রেনস্ট্রোক করে নিজ বাড়িতে শয্যাশায়ী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমানে অসুস্থ হয়ে উন্নত চিকিৎসা এবং অর্থের অভাবে পরিবার নিয়ে চরম দুঃখকষ্টে দিনাতিপাত করছেন তিনি।

সামছু মিয়া বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরও এখন পর্যন্ত সরকার এবং দলের পক্ষ থেকে কোনো ধরণের সহযোগিতা তিনি পাননি। অসুস্থতা ও আর্থিক সংকটের কারণে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তার পরিবার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। 

বিএনপি নেতা মোঃ তাজ উদ্দিন তাজু বলেন, দলের দুঃসময়ে যারা বিএনপির জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাদের মধ্যে একজন ছিলেন সামছু মিয়া। তিনি দলের দুঃসময়ে আমাদের দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। তার দুঃখকষ্টের খবর শুনে আমি আমার ব্যক্তিগতপক্ষ থেকে নগদ অর্থ দিয়েছি। তার মতো নিবেদিতপ্রাণকর্মীর পাশে দাঁড়ানো আমাদের দলের নেতাকর্মীদের নৈতিক দায়িত্ব। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে অনুরোধ করবো তিনি যেনো তাকে সহযোগিতা করেন।

সামছু মিয়ার প্রতিবেশী ও দলের সহযোদ্ধা ইউনুছ খান বলেন, সামছুর মতো ত্যাগী বিএনপি কর্মী এখন ভালো নেই। জেলা-উপজেলা শীর্ষ নেতারাও দুর্দিনের নেতাকর্মীদের আগের মতো আর খোঁজ নেন না। 

বিএনপি নিবেদতিপ্রাণ সামছু মিয়া বলেন, আমি তাজ উদ্দিন তাজু ভাই, বর্তমান এমপি মুজিব ভাইসহ দলের অনেক নেতাকর্মীদের সাথে একাধিক মিথ্যা ও হয়রানি মামলায় কয়েকবার জেল খেটেছি। বর্তমানে গায়েবী মামলা থেকে স্থায়ী খালাস পেলেও আর্থিক সংকট, মামলা-হামলার দীর্ঘ ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছি। কেঁদে কেঁদে তিনি আরও বললেন, দুটি বোমা বিস্ফোরণ মামলায় কয়েকবার কারাবরণ করেছেন। দলের জন্য অনেক টাকা-পয়সা ও সময় দিয়েছি। দলকে ভালোবাসে দুর্দিনেও দল ছাড়িনি। এখন টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না। তবে দলের দুর্দিনে যারা আমার সাথে ছিলেন একমাত্র তাজু ভাই ছাড়া কেউই আমার খোঁজখবর নেয়নি, সহযোগিতা করেনি। 

সামছু মিয়া বলেন, আমার রাজনীতির জীবন শুরু হয়েছে বিএনপির মাধ্যমে। এখনো এই দলেই আছি। বিএনপি তেই থাকবো। কিন্তু আজ জীবনের শেষ সময়ে উপনিত। গত চার বছর ধরে স্ট্রোক করে ঘরবন্দি। হাটাচলা করতে পারি না। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার আগে, সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন পূর্বে দলের দুয়েকজন আমার বাড়িতে এসে দেখা করে আমাকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর আর কেউ দেখতোও আসলো না। সহযোগিতা তো দুরের কথা। এখন দলের সুদিন। কিন্তু আমার মতো অসহায় কর্মীর খোঁজ নেওয়া ও সহযোগিতা করার মতো নেতাকর্মীর অভাব। আমি দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। 

Tag
আরও খবর