চিলমারীতে "বিশ্ব শিক্ষক দিবস" পালিত ফুলের বদলে গাছের চারা দিয়ে এমপিকে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা শিক্ষক দিবসে ছয়সূতী ইউনিয়ন হাই স্কুল এণ্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আবেগঘন বার্তা অভয়নগরে ৪২০ টন সরকারি সার গায়েব: ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষার্থীকে মাদকে জড়ানোর অভিযোগ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তবুও অবহেলিত শ্যামনগরে স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত বিশ্ব শিক্ষক দিবসে নাঙ্গলকোটে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শ্যামনগরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শরীয়তপুরে মুদি দোকানে ২০ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ নোয়াখালীতে দুই হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা রঞ্জুর বাড়িতে ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস: স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও গভীর সমবেদনা সৌদিতে থেকেও মিছিলের মামলায় আসামি ইলিয়াস চৌদ্দগ্রামে মাইক্রোবাসে মাদকের চালান: ৮৯ কেজি গাঁজা, ৬০ বোতল মদ জব্দ নিয়ামতপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত পীরগাছায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করলেন ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী জুয়েল রানা সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে পীরগাছায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন শিক্ষক ও শিক্ষায় প্রয়োজন সর্বোচ্চ বিনিয়োগ বাঘায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাড়ী বাড়ী ঘুরে নাক,কান ফোঁড়ানোর আয়ে সংসার চলে আজমিরীগঞ্জের রউফের।


হবিগঞ্জ  জেলার আজমিরীগঞ্জ  উপজেলার  বিরাট গ্রামের  আব্দুর  রউফ মিয়া পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছেন  ভাব্যমান  নাক/ কান ফোঁড়ানোর কাজ।তিনি দীর্ঘ  ৪ বছর যাবত জেলার  বিভিন্ন  উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় বাড়ি বাড়ী ঘুরে সকল বয়সী  মেয়ে ও মহিলাদের  নাক,কান ফোঁড়ানোর কাজ করে আসছেন।হ্যান্ড মাইকে নাক,কান ফোঁড়ানোর আহবান জানিয়ে  গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ায় রউফ।যাঁদের  প্রযোজন হয় তারা নাক,কান ফোঁড়ায় তাঁর সাহায্যে। আব্দুর  রউফ নাক,কান ফোঁড়ানো জন্য  নিয়ে থাকেন প্রতিটির ৫০ টাকা হারে।এ কাজে তিনি স্থানীক চেতনানাশক ব্যবহার করে ব্যাথা মুক্ত  উপায়ে সহজে যান্ত্রিকভাবে নাক,কান ফোঁড়ানোর করে থাকেন।এতে তাঁর দৈনিক  আয় হয় ৮০০-১০০০ টাকা।শনিবার (১৫ অক্টোবর)  লাখাইর সিংহগ্রামে জনৈক মহিলার কান ফোঁড়ানোর  সময় আলাপকালে  আব্দুর রউফ জানান আমার বাড়ি  হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ  উপজেলার বিরাট এলাকায়। আমি কৃষি কাজ করে জীবিকা  নিরবাহ করতাম।জমজমা  তেমন ছিলনা।তাই অতি কষ্টে  আমার ৫ সদস্যে পরিবার নিয়ে দিনাতিপাত  করতে থাকা অবস্থায়  বছর ৪ আগে এ পেশায় জড়িয়ে  পড়ি।প্রথম প্রথম  তেমন আয়- রোজগার না হলেও দিন দিন এর প্রসার হতে থাকে।বরতমানে আমার আয় অনেক বেড়েছে। আমি এখন দৈনিক ৮০০-১০০০ টাকা মতো আয় করতে পারছি।আমার সংসারে  স্বচ্ছলতা  এসেছে। ছেলেমেয়েদের  লেখাপড়া  করাতে পারছি। এ কাজটি পরিশ্রমের হলেও  সুখেই  আছি।

Tag
আরও খবর






deshchitro-69aeeff67528b-090326100614.webp
শিবচরে আমের সোনালি মুকুলে নতুন সম্ভাবনা

২১০ দিন ৩ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে