নোয়াখালীর সেনবাগে ইউনিয়ন বাড়ল,কাবিলপুর ভেঙে নতুন ১০ নম্বর ইয়ারপুর : উন্নয়নের দুয়ার আরও বিস্তৃত মিরসরাইয়ে IBIT পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের আয়োজনে ‘কারিগরি শিক্ষা: সমৃদ্ধ আগামীর চাবিকাঠি’ শীর্ষক সেমিনার মিরসরাইয়ে ইছাখালী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা, আহবায়ক ফজলুল করিম চৌধুরী; সদস্য সচিব এম. আরিফুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস-দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ ভারতের জাবিপ্রবিতে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের নবীনদের বরণ জুলাই অভ্যুত্থান দমনে ৩ লাখ গুলি ব্যবহার ক্ষেতলালে নিজ অর্থায়নে গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার, প্রশংসায় ভাসছেন যুবদল নেতা দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্যামনগরে আশি কেজি নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধব্বংস কুলিয়ারচরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে ৪৬ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ীসহ চোরাকারবারী আটক চুরি হওয়া মিনি ট্রাক নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার, আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার পটলের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর পুতুলের মধ্যাহ্নভোজ রামগঞ্জগামী আল-আরাফাহ বাসের সঙ্গে ড্রাম ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১০ ছাড়িয়েছে ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি, দুপুরের মধ্যে হালকা বর্ষণের পূর্বাভাস সরাসরি ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত বাংলাদেশের আজ সাবেক মন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের ১০ মৃত্যু বার্ষিকী বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন রাবির ইয়াসিন আরাফাত বিজয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক সভা শুরু দেশে আরেক দফা আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম

জিলকদ মাসের ফজিলত

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 21-05-2024 01:26:48 am

রমজান পরবর্তী শাওয়ালের পরই সমাগত মাসটি জিলকদ। যা হিজরি বর্ষের এগারোতম মাস। জাহিলিয়াতের যুগে আরবরা এ মহিমান্বিত মাসের সম্মানার্থে যুদ্ধবিগ্রহ ও ঝগড়া-বিবাদকে হারাম মনে করত, যুদ্ধাস্ত্র হাত থেকে নামিয়ে রাখত, কেউ কাউকে হত্যা করত না এবং এ মাসে পিতা তার পুত্রের হত্যাকারী থেকেও প্রতিশোধ গ্রহণ করত না। যেহেতু লোকেরা এ মাসে ঝগড়া-বিবাদে জড়ানো, এমনকি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া থেকেও বিরত থাকত, তাই এ মাসের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জুলকদ’ অর্থাৎ বসে থাকার মাস বা বিরত থাকার মাস।


ফজিলতপূর্ণ চার মাসের মধ্যে জিলকদ একটি। আল্লাহতায়ালা যে চারটি মাসকে আশহুরে হুরুম অর্থাৎ হারাম মাস হিসেবে ঘোষণা করেছেন তার মধ্যে জিলকদ অন্যতম। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আল্লাহর কাছে আল্লাহর কিতাবে মাসের সংখ্যা ১২টি সেইদিন থেকে যেদিন আল্লাহতায়ালা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। এরমধ্যে চারটি মাস মর্যাদাপূর্ণ।’ (সুরা তওবা ৩৬)


সম্মানিত চার মাসের তিনটি ধারাবাহিকভাবে জিলকদ, জিলহজ ও মহররম। আর চতুর্থটি রজব মাস। উল্লিখিত মাসগুলোকে আশহুরে হুরুম বলা হয় দুই কারণে। এক. এই মাসগুলোতে যুদ্ধবিগ্রহ এবং হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হারাম। দুই. এ মাসগুলো বরকতময় এবং এতে ইবাদতের সওয়াব বেশি অর্জিত হয়। তবে এর মধ্যে প্রথম হুকুমটি রহিত হয়ে গেছে। দ্বিতীয়টি এখনো নিজ অবস্থায় বহাল আছে।


জিলকদ হজের দ্বিতীয় মাস। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হজের নির্ধারিত কয়েকটি মাস রয়েছে।’ (সুরা বাকারা ১৯৭) ইবনে ওমর (রা.) বলেন, হজের মাসগুলো হলো শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজের ১০ দিন। উলামায়ে কেরাম একমত যে, উপরোক্ত তিনটি মাসই হলো হজের মাস। এ বিষয়টি জিলকদ মাসের মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব আরও অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।


আল্লামা আবু বকর তালেব মক্কী (রহ.) বলেন, জিলকদ মাসের শ্রেষ্ঠত্বের এটি একটি কারণ যে, এর মধ্যে দুটি গুণ একত্র হয়েছে। এক আশহুরে হুরুম তথা হারাম মাস। দুই আশহুরে হজ অর্থাৎ হজের মাস। রাসুল (সা.) জীবনের চারটি ওমরাহর তিনটি জিলকদ মাসে সম্পন্ন করেন। হজরত আনাস (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) জীবনে চারটি ওমরাহ পালন করেন। তার সব কয়টি জিলকদ মাসে আদায় করেন, তবে একটি হজের সঙ্গে আদায় করেন। (সহিহ বুখারি)


ওলামায়ে কেরাম বলেন, রাসুল (সা.) এ মাসে কয়েকবার ওমরাহ আদায় করেছেন, যাতে করে গণমানুষ জিলকদ মাসের বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে সম্যক অবগত হতে পারে এবং জাহেলি জামানার লোকদের সঙ্গে বিরোধিতাও হয়ে যায়। কারণ এ মহিমান্বিত মাসে ওমরাহ পালন করাকে তারা বড় পাপ মনে করত। এজন্য নবী (সা.) পর্যায়ক্রমে একের পর এক ওমরাহ এ মাসে আদায় করেন। যেন লোকসমাজ এর বৈধতা খুব ভালো করে হৃদয়ঙ্গম করে নেয় এবং জাহেলি জামানার সেই প্রভাব যেন একেবারেই শেষ হয়ে যায়।


জিলকদ মাসে আল্লাহর নির্দেশে মুসা আলাইহিস সালাম তুর পাহাড়ে এতেকাফ করেছেন। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘আমি মুসার জন্য ত্রিশ রাতের মেয়াদ স্থির করেছিলাম যে, এ রাতসমূহ তুর পাহাড়ে এসে এতেকাফ করবে। তারপর আরও দশ দ্বারা তা পূর্ণ করি।’ (সুরা আরাফ ১৪২) বিখ্যাত মুফাসসির মুজাহিদ (র.) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, জিলকদ মাসের ৩০ দিন এবং জিলহজ মাসের ১০ দিন মোট ৪০ দিনের কথা উক্ত আয়াতে ব্যক্ত হয়েছে।


জিলকদ মাসের মুস্তাহাব আমল : আমাদের প্রত্যেকের উচিত হারাম মাসগুলোতে আমলে সালেহ (নেক আমল) বাড়িয়ে দেওয়া। কারণ রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, হারাম মাসগুলোতে রোজা রাখো এবং বর্জন করো। তুমি হারাম মাসগুলোতে রোজা রাখো এবং বর্জন করো। তুমি হারাম মাসগুলোতে রোজা রাখো এবং বর্জন করো। এ কথা বলে তিনি তিনটি আঙুল একত্র করার পর ফাঁক করে দিলেন। (আবি দাউদ)


মুহাদ্দিসরা লিখেছেন তিন আঙুল দ্বারা ইশারা করার অর্থ হলো যতবার ইচ্ছা ততবার রোজা রাখবে। কিন্তু একটানা তিন রোজা রাখার পর এক বা দুদিন বাদ দেবে। কোনো কোনো মুহাদ্দিস বলেছেন, এর অর্থ আশহুরে হুরুমে তিন দিন রোজা রাখা এবং তিনদিন ছেড়ে দেওয়া। তারপর তিনদিন রোজা রাখা এবং তিনদিন ছেড়ে দেওয়া। তারপর তিনদিন রোজা রাখা এবং তিনদিন ছেড়ে দেওয়া। আর এটিই উত্তম।


জিলকদ মাস ও অন্যান্য হারাম মাসে নেক আমল করা অপরাপর মাসগুলো অপেক্ষা অধিকতর সওয়াব লাভ হয়। এ মাসে গুনাহ করা অন্যান্য মাসের তুলনায় গুরুতর অপরাধ। ইমাম আবু বকর আল জাসসাস লিখেছেন, যে ব্যক্তি এই বরকতময় মাসগুলোতে ইবাদত করে তার অন্যান্য মাসেও এবাদতের তৌফিক হয়। আর যে ব্যক্তি এই মাসগুলোতে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে তার জন্য বছরের বাকি মাসগুলোতে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয় (আহকামুল কোরআন ৪/৩০৮)

আরও খবর

6a6eddbd05f6d-020826120341.webp
আজানের সময় কথা বলা যাবে?

৯ দিন ১৯ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে





6a0b39d358ff4-180526100955.webp
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা

৮৫ দিন ৯ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে