আশাশুনির বাওচাষে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা, স্কুলের অফিস সহকারী বিকাশকে সাসপেন্ড সোনাগাজীর হাবিবুর রহমান যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত নিজস্ব প্রতিবেদক: লালপুরে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় প্রাণ গেল ভ্যানচালকের, আহত ৩ ডেঙ্গু মুক্ত মধুপুর গড়তে সচেতনতা র‍্যালি গোয়ালন্দে পৌরসভার গাড়ী ব্যবহার করে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে মাটি সরবরাহের অভিযোগ গোয়ালন্দে যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় বিচার দাবি, মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় চালক সুপারভাইজার ও হেলপারের বিরুদ্ধে মামলা ডেঙ্গুমুক্ত অভয়নগর গড়তে এককাট্টা প্রশাসন ও রাজনৈতিক দল: হাসপাতাল চত্বরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সীমান্তে পুশ-ইনের চেষ্টা, রুখে দিলো বিজিবি ‎মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফেরা সুন্দরবনের সেই বাঘিনী: জুন মাসের শেষেই ফিরছে আপন আবাসে বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ, দিনাজপুর জেলা শাখার বার্ষিক সাধারণ সভা- ২০২৬ অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে দুই পা হারালেন এক যুবক। হাউজবোটের ইঞ্জিনে পরে প্রাণ গেল আট বছরের নিঝুমের লোহাগড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জামায়াতের এমপিদের দিয়ে চৌদ্দগ্রাম উন্নয়ন হবে না সাতক্ষীরার তালায় ভারতীয় সীমান্ত পিলারসহ ৪ জন আটক পীরগাছা সদর ইউনিয়ন এনসিপির মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সড়কের দোষ খুঁজি, কিন্তু চালকের অপরাধ এড়াই কেন? আটকের ৬ ঘণ্টা পর মুচলেকা নিয়ে সাবেক ইউপি মেম্বারকে ছেড়ে দিল এসআই

পীরগাছায় সন্তানদের নিয়ে দিশেহারা ছাত্র আন্দোলনে নিহত মনজুর স্ত্রী রহিমা

ছাত্র আন্দোলনে নিহত মনজুর স্ত্রী ও তার সন্তানরা। উপরে মনজু।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে গত ২০ জুলাই পুলিশের গুলিত আহত হন মঞ্জু মিয়া (৪১)। একমাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২০ আগস্ট ঢাকায় মারা যান তিনি। এরপর তার স্ত্রী রহিমা বেগম (৩১) ঢাকা থেকে স্বামীর লাশ তার স্বামীর গ্রামের বাড়ি রংপুরের পীরগাছায় ছাওলা ইউনিয়নের জুয়ানে নিয়ে আসেন। দাফনের একমাস পার হলেও দুই সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা রহিমা বেগম। কি করবেন, কোথায় যাবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছেনা। স্বামী মারা যাওয়ার পর স্বামীর বাড়ির লোকেরা তাকে বাঁকা চোখে দেখেন। খোঁজ-খবর নেন না। শ^শুর ইনছার আলী ঠিকমতো কথা বলেন না এমনকি রহিমার কারণে নাকি তার ছেলে মারা গেছে এমন অপবাদ দেন। ভবিষ্যতে শহিদের স্ত্রী হিসেবে সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন রহিমা। রহিমার বাবার বাড়ি একই উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের সাহেব বাজারে। ছিয়াশি বয়সের তার বাবা আব্দুর রহমান থাকেন সরকারি জমিতে। বয়সের ভারে কোন কাজকর্ম করতে পারেন না। তার উপর স্বামী হারা মেয়ে। বর্তমানে রহিমা বেগম তার বাবার বাড়িতে আছেন। কি করে তাকে ও এতিম সন্তানদের খাওয়াবেন এমন আকুতি বাবা আব্দুর রহমানের। একদিকে শ^শুরবাড়ির লোকজনের অবহেলা অন্যদিকে বাবার বাড়ির আর্থিক অস্বচ্ছলতা। স্বামী মারা যাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন ও জামায়াতের পক্ষ থেকে যতটুকু আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তা ঢাকা থেকে স্বামীর লাশ নিয়ে আসা পরিবহন ভাড়া, দাফনকার্য, পাওনাদারকে দিয়েই শেষ।

কাঁন্নজড়িত কন্ঠে রহিমা বেগম বলেন, আমার স্বামীকে হারিয়ে এখন আমি দিশেহারা। দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাবো? আমি কি শহিদের স্ত্রী হিসেবে মর্যাদা পাবো না। এসময় তিনি সরকারের কাছে শহিদের স্ত্রী হিসেবে মর্যাদার দাবি করেন। রহিমা বেগম মঞ্জুর মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুই সন্তানও রয়েছে। তবে প্রথম স্ত্রী অন্যের ঘর করছেন বলে জানান রহিম বেগম। 

রহিমার বাবা আব্দুর রহমান বলেন, আমি নিজেও কোন কর্ম করতে পারিনা। স্বামী হারা মেয়ে ও তার দুই সন্তানকে কি করে খাওয়াব? রহিমার শ্বশুর ইনছার আলী জানান, রহিমা বেগম আমার কথামতো চলছেনা। এনিয়ে তার সাথে আমাদের সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না, সত্য! 


আরও খবর