যশোরের অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাদামী কাঠবিড়ালির উপদ্রব আশঙ্কাজনহারে বেড়ে গেছে। অন্যান্য ফল-ফসলসহ নারিকেল গাছে অনিষ্ট সাধন করছে। কচি থাকতেই কামড়ে, খেয়ে নষ্ট করে দিচ্ছে। বাদামী কাঠবিড়ালি নারিকেল গাছে উঠে ডাব-নারিকেলের সর্বনাশ করছে। নারিকেল পাড়ার সময় দেখা যায়, নারিকেল ঝুলে আছে গাছে, অথচ কাঠবিড়ালিতে খেয়ে ফেলেছে ছিদ্র করে।
কাঠবিড়ালি। প্রাণীটি ছোট্ট। দুষ্ট ও আদুরে দেখতে। তবে ‘উন্নয়নে’র পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রাণীটি। তাই তো কাঠবিড়ালি নিয়ে বিস্তর আলাপ-আলোচনা চলছে এলাকায়।
উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানাযায়, নারিকেল গাছে বাদামী কাঠবিড়ালির বেপরোয়া এবং লাগামহীন ক্ষতিসাধনের কথা জানা গেছে।
সারাবছরই গ্রামীণ জনপদের কৃষকসহ বেশিরভাগ মানুষের পুষ্টিকর ফল খাওয়া ও বাড়তি ফলন বিক্রি করে প্রচুর টাকা আয় করার নিশ্চিত সুযোগ থাকার পরও তা বানচাল করে দিচ্ছে বাদামী কাঠবিড়ালি।
কাঠবিড়ালি বছরে কোটি কোটি টাকার কষ্টার্জিত নারিকেল নির্বিচারে নষ্ট করছে।গ্রামের সর্বত্রই ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে বলে ভুক্তভোগিদের অভিমত।
একসময় এ প্রাণীটি মানুষের আনাগোনা ভয় পেতো, ফলন খেয়ে ফেলতো গোপনে, এখন সারাদিন নারিকেল গাছে লাফিয়ে লাফিয়ে চলে, সমানে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ছোট্ট প্রাণিটি।মানুষ দেখলে ভয় পায়না। তাড়ালে ঘুরে দাঁড়ায়, আশপাশে লাফালাফি করে। ছিদ্র করা নারিকেল /কচি ডাব সারা গাছ তলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আগে বড়বড় ফল গাছ, যেমন একগাছ থেকে আরেক গাছে লাফিয়ে লাফিয়ে চলাচল করতো। এখন এরা অনেক বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেছে। ছোট ছোট ফলজ গাছ ও ফাঁকা জায়গায় এমনকি মাটিতেও বিচরণ করে ঘরের আঙ্গিনার শখের লাগানো প্রিয় ফলজ গাছের উপরও মুহুর্তেই আক্রমণ করতে কুণ্ঠাবোধ করছে না বোপরোয়া হয়ে ওঠা এ ক্ষুদ্র কাঠবিড়ালি।
বাদামী কাঠবিড়ালি আক্রমণে দিশেহারা সব শ্রেণির কৃষক ও ফলবাগান মালিক। অসময়ে উৎপাদন হয় এমন ধরনের মূল্যবান ফল-ফসল নির্বিচারে খেয়ে নষ্ট করছে কাঠবিড়ালি। এতে করে আর্থিকভাবে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে ভুক্তভোগিদের।
কাঠবিড়ালির নষ্টামি আশঙ্কজনকহারে বেড়ে গেছে বলে অনেকেই মনে করছেন।
প্রতিটি নারকেল ও ফলজ গাছ নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে রোপণ করতে হবে। আর নারকেল গাছে ঢেউটিন বেঁধে দিলে ওসব গাছে সহজে কাঠবিড়ালি ওঠতে পারে না।
এ বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা কৃষি অফিসারের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান যে, এরা এভাবেই ক্ষতি করে যাচ্ছে এদের প্রতিকার করা খুবই কষ্টকর।এদের দমন করার মতো তেমন পদ্ধতি নেই।
মানুষের অতি প্রয়োজনীয় নারিকেল যে ভাবে লাগাতার নষ্ট করছে তাতে জনগনের চহিদা মেটানো কষ্ককর হবে বলে অনেকই মনে করছেন।
১ দিন ১৭ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
২ দিন ১৮ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৩ দিন ১৮ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
১২ দিন ২৩ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
১৭ দিন ৬ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
১৮ দিন ৬ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
২৩ দিন ১৯ ঘন্টা ২ মিনিট আগে
২৪ দিন ১৭ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে