চট্টগ্রাম-১৪, চন্দনাইশ-সাতকানিয়া (আংশিক) এলাকার নাগরিক কমিটির স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মো. আবদুল জব্বার চৌধুরী চন্দনাইশ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড বদুরপাড়া থেকে শুরু করে চন্দনাইশ সদর, হারলার নয়া হাট, জিহস ফকির পাড়া, দক্ষিণ গাছবাড়িয়া, কলঘর হয়ে গাছবাড়িয়ার কলেজ গেইট পর্যন্ত ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন। ১৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে গণসংযোগকালে তার আ’লীগের নেতাকর্মী ছাড়াও স্থানীয় অসংখ্য জনতা তার সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণসংযোগে অংশগ্রহণ করে। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে পথচারীরাও তৃণমূলের মাটির মানুষের প্রিয় নেতা জব্বারকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানায়।
এ সময় স্থানীয় জনতা ফুলের মালা দিয়ে আবদুল জব্বার চৌধুরীকে বরণ করে নেয়। ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে অসংখ্য নারী-পুরুষ ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার প্রতিশ্রæতি দেন এবং বিপুল ভোটে এই জনপ্রিয় নেতাকে নির্বাচিত করবে বলে আশ্বাস দেয় সর্বস্তরের জনতা। তিনি জনগণের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন। এসময় তিনি চন্দনাইশ-সাতকানিয়া বাসীকে বিগত উন্নয়ন বঞ্চিত জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রার্থীর হাতে সেবকের দায়িত্ব তুলে দিতে আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সকলকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ করেন। সেই সাথে বিরোধী সমর্থকদের পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে যেকোন উস্কানী থেকে বিরত থাকতে বলেন। তার গণসংযোগে হামলার পরিকল্পনা প্রশাসনিক তৎপরতায় তা বাঞ্চাল হয়ে যাওয়ায় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানায়।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিন জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস আলম খান, উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবর আলী ইনু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বেগ, গাছবাড়িয়া কলেজের সাবেক ভিপি শেখ টিপু চৌধুরী, আ’লীগ নেতা যথাক্রমে, আবুল কালাম, শওকত হোসেন ফিরোজ, নাছির, আমীর মো সাইফদ্দিন চৌ, কমিশনার মোজাম্মেল হকসহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আ’লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।