চট্টগ্রাম-১৪, চন্দনাইশ-সাতকানিয়া (আংশিক) এলাকার সংসদ সদস্য প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দের পর ৩য় দিনেও বৃহস্পতিবার ২১ ডিসেম্বরেও গণসংযোগ করেছেন। এই সময় চট্টগ্রাম-১৪’র নাগরিক কমিটির স্বতন্ত্র প্রার্থী, ৩ বার ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ট্রাক মার্কা প্রতীকের প্রার্থী মো. আবদুল জব্বার চৌধুরী চন্দনাইশ উপজেলার বরকল ইউনিয়নে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের কাছে দোয়া ও ভোট চান। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত তার কয়েকশ নেতা-কর্মী ও সমর্থক নিয়ে বরকলের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঠান্ডা শীত উপেক্ষা করে ভোটারদের কাছে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। তিনি অন্য প্রার্থীর চেয়ে তার কর্মকান্ডগুলো ভোটারদের বিশ্লেষণ করার জন্য তুলে ধরে বলেন, বরকল ইউনিয়নে তাকে ভোট দিয়ে সবসময় পাস করায় প্রত্যেক ভোটারদের নিকট কৃতজ্ঞা জ্ঞাপন করেন। তিনি বিগত সময়ে ২টি প্রাইমারী স্কুল, ১টি হাই স্কুল ও ৩টি কমিউনিটি সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান হিসেবে প্রাপ্ত সরকারি সুবিধাগুলো ভোগ না করে সেবার কাজে দান করে দেন বলে উল্লেখ করেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানো জন্য জাতীয়ভাবে শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে স্বীকৃত প্রাপ্ত হন এবং জাতীয় মৎস পুরস্কারের ভূষিত করে সরকার তার হালাল ব্যবসাকে জনগণের মাঝে পরিচিতি বাড়িয়েছেন বলে জানান। জনগণের মুখে মুখে রচিত ভাষা বিগত সময়ে বিকাশের এমপি নৌকার মাঝি হওয়ায় এইবারও নৌকায় তার মাঝিকে পার হওয়ার সুযোগ করে না দেওয়ায় আ’লীগের উপর ক্ষোপ জাড়তে না পেরে নিরিহ মানুষকে হুমকি-ধামকি দিয়ে ভোটে পাস করতে চান বলেও জানান জব্বার। নির্বাচন কমিশন প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিয়ে দিয়েছে মা-বোন ও ভোটারদের বুঝাতে হবে দেশ বাঁচানোর জন্য যে একটি ব্যালট চিড়বে তার উপর একটি বুলেট চলবে বলে নেতা-কর্মীদের জানান। তার প্রতিশ্রুতি ও বক্তব্যের কথাগুলো ভোটাররাও বিশ্লেষণ করছেন। ভোটের মাঠে কার সক্ষমতা কেমন এ নিয়েও চুলচেড়া বিশ্লেষণ করছেন ভোটাররা। তবে দেখেশুনে স্মার্ট দেশ গড়তে স্মার্ট প্রার্থীকে নিজ পছন্দে আগামী দিনের এমপি হিসেবে বেছে নেবেন বলে জানান ভোটাররা।
এ সময় আবদুল জব্বারের সাথে গণসংযোগে যোগ দিয়ে তার পক্ষে ভোট চান আ’লীগ নেতা যথাক্রমে, হাবিবুর রহমান, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস ইসলাম খান, শওকত হোসেন ফিরোজ, শেখ টিপু চৌধুরী, মাইনুদ্দীন বাপ্পী, চৌধুরী আমীর মোঃ সাইফুদ্দীন, নুরুল আমজাদ চৌধুরী, রাকেশ, আরাফাত রহমান রাশেদ, ইউপি সদস্য যথাক্রমে, মো. বেলাল, হোসেন, মোঃ সেলিমসহ দলের কয়েকশ নেতা-কর্মী ও তার অনুসারীরা।