চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার আওতাধীন চৌকিদার পাড়ি হয়ে সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড়ের নয়া হাট স্থানে সাঙ্গু নদীর উপর একটি ব্রিজ দাবি দীর্ঘ দিনের। ব্রিজটি আসার আলো দেখতে নানান জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এই এলাকার মানুষের স্বপ্ন। সম্প্রতি ২৩ ডিসেম্বর সকালে এপ্রোস সড়ক ও বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রকল্প ঠিক করে অনুমোদনের জন্য রিপোর্ট তৈরি করতে আসেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এবাদত আলী ও কর্মকর্তাগণ। জানা যায়, ২০১৮ সাল থেকে ৪ বার পরিদর্শন করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কথা হয় চন্দনাইশ উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মাদ জুনাইদ আবছার চৌধুরীর সাথে, তিনি বলেন ব্রিজটি নিমার্ণের জন্য ইতিপূর্বে ৩’শ কোটি টাকা প্রকল্প প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ধোপাছড়ি সংযোগ সড়ক হতে নয়া হাট সংযোগ সড়কের উপর নির্মিত ব্রিজের ডিজাইনে পরিমাপ ও ব্যয় কমিয়ে ১’শ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। ব্রিজটি পূর্বে দ্বিতীয় শ্রেণির অন্তর্ভূক্ত ৯’শ ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যরে ৩’শ কোটির প্রস্তাব থাকলেও পরিমাপ কমিয়ে ডিজাইন পরিবর্তন করায় তৃতীয় শ্রেণিভূক্ত ১’শ কোটি টাকায় ৪’শ মিটারে নির্ধারণ করা হয়। তিনি আরোও জানান, জনবসতি ও যানজট এড়িয়ে সাতকানিয়া-বান্দরবানের গাড়ি কক্সবাজার মহাসড়কে অনায়াসে চলাচলের সুবিধাত্বে প্রয়োজনীয় লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করতে পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল বলে জানান। এর জন্য উভয় পাশে ব্রিজটি এপ্রোস নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সড়ক ও বাইপাস সড়ক নিমার্ণে ভূমি অধিগ্রহণে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ফলে প্রায় ১’শ ৭০ কোটি টাকা সাশ্রয়য় হবে। আরোও বিকল্প উপায় খুঁজে সহজ তদন্ত শেষ করে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এ বিষয়টির উপর রিপোর্ট জমা দিতে পারলে আগামী ২০২৪ সালের অর্থ বছরে ২৪ ফুট প্রস্থ ব্রিজ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যেতে পারে বলে জানান তিনি। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দোহাজারী পৌরসভার মেয়র মো. লোকমান হাকিম, উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আবছার চৌধুরী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম, চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি এড. মো. দেলোয়ার হোসেন, প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর মাষ্টার নাজিম উদ্দিন, কৃষকলীগ নেতা নবাব আলী, সাংবাদিক মাঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, নেজাম উদ্দিন ও স্থানীয় আ’লীগের নেতৃবৃন্দ।