অবহেলার পাত্র নাকি সভ্যতার স্থপতি? আদমদীঘিতে বাসযাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ায় কাউন্টারকে জরিমানা আদমদীঘিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিন দই-মিষ্টির দোকানে জরিমানা শার্শায় জামাল হত্যার মামলায় আরও এক আসামি আটক লালপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অন্যের জমি নিয়ে ৩ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ লালপুরে মসজিদের ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায়।। সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখতে 'পশ্চিম সোনার পাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ' এর বহুমুখী উদ্যোগ। বড়লেখায় মৃত মোরগ বিক্রির প্রতিবাদ করায় প্রবাসীকে হেনস্তা,ব্যবসায়ি সমিতির সদস্য বরখাস্ত : তদন্ত কমিটি গঠন আশাশুনির বিছটে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন, স্বস্তি ফিরেছে বানভাসীদের নাগেশ্বরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ২ বাস কাউন্টারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ডোমারে 'সবার পাঠশালা'-এর শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে সংলাপ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেবা বন্ধ নেই ঈদেও ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন

বাড়ী বাড়ী ঘুরে নাক,কান ফোঁড়ানোর আয়ে সংসার চলে আজমিরীগঞ্জের রউফের।


হবিগঞ্জ  জেলার আজমিরীগঞ্জ  উপজেলার  বিরাট গ্রামের  আব্দুর  রউফ মিয়া পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছেন  ভাব্যমান  নাক/ কান ফোঁড়ানোর কাজ।তিনি দীর্ঘ  ৪ বছর যাবত জেলার  বিভিন্ন  উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় বাড়ি বাড়ী ঘুরে সকল বয়সী  মেয়ে ও মহিলাদের  নাক,কান ফোঁড়ানোর কাজ করে আসছেন।হ্যান্ড মাইকে নাক,কান ফোঁড়ানোর আহবান জানিয়ে  গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ায় রউফ।যাঁদের  প্রযোজন হয় তারা নাক,কান ফোঁড়ায় তাঁর সাহায্যে। আব্দুর  রউফ নাক,কান ফোঁড়ানো জন্য  নিয়ে থাকেন প্রতিটির ৫০ টাকা হারে।এ কাজে তিনি স্থানীক চেতনানাশক ব্যবহার করে ব্যাথা মুক্ত  উপায়ে সহজে যান্ত্রিকভাবে নাক,কান ফোঁড়ানোর করে থাকেন।এতে তাঁর দৈনিক  আয় হয় ৮০০-১০০০ টাকা।শনিবার (১৫ অক্টোবর)  লাখাইর সিংহগ্রামে জনৈক মহিলার কান ফোঁড়ানোর  সময় আলাপকালে  আব্দুর রউফ জানান আমার বাড়ি  হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ  উপজেলার বিরাট এলাকায়। আমি কৃষি কাজ করে জীবিকা  নিরবাহ করতাম।জমজমা  তেমন ছিলনা।তাই অতি কষ্টে  আমার ৫ সদস্যে পরিবার নিয়ে দিনাতিপাত  করতে থাকা অবস্থায়  বছর ৪ আগে এ পেশায় জড়িয়ে  পড়ি।প্রথম প্রথম  তেমন আয়- রোজগার না হলেও দিন দিন এর প্রসার হতে থাকে।বরতমানে আমার আয় অনেক বেড়েছে। আমি এখন দৈনিক ৮০০-১০০০ টাকা মতো আয় করতে পারছি।আমার সংসারে  স্বচ্ছলতা  এসেছে। ছেলেমেয়েদের  লেখাপড়া  করাতে পারছি। এ কাজটি পরিশ্রমের হলেও  সুখেই  আছি।

Tag
আরও খবর