আল খলীল কুরআন শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশের ১১তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা (১৭ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হয়ে দুপুরে শেষ হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে সনদ জামাতের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয় এবং ১১টা থেকে মশকে ক্বিরআত ও নাজেরা বিষয়ের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার ২৫ রমজান সকাল ৮টায় শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত খামিস জামাতের কেন্দ্রে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, খামিস জামাতের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অত্যন্ত সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে নিরিবিলি পরিবেশে ছাত্র ছাত্রীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
খামিস জামাতের শ্রীমঙ্গল শহর কেন্দ্রের পরীক্ষক মাওলানা মতিউর রহমান বলেন এ কেন্দ্রে খামিস জামাতের ৪১জন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
আল খলীল কুরআন শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় প্রধান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও বরুণা মাদরাসার মুহাদ্দিস শিক্ষক মাওলানা আব্দুল গফুর কবির জানান- আজ সারাদেশে ৬৬টি পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিন্ন প্রশ্নে সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত লিখিত (কিতাব) ও মৌখিক দুটি বিষয়ে সনদ জামাতের কেন্দ্রীয় পরীক্ষা সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এবারের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় দেশের মোট ৬৬টি কেন্দ্রের সনদ ও খামিস জামাতে তিন হাজার ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছেন।
আল খলীল কুরআন শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, বরুণা মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আদনান হামিদী বলেন, অন্যান্য রমজানের ন্যায় এ রমজানেও আল খলীল কুরআন শিক্ষা বোর্ড দেশব্যাপী বিশুদ্ধভাবে পবিত্র কুরআন প্রশিক্ষণ কোর্স চালু রেখেছে। শিক্ষা বোর্ডের প্রধান কেন্দ্র শ্রীমঙ্গলের জামিয়া লুৎফিয়া আনওয়ারুল উলুম বরুনা মাদরাসার সনদ ও খামিস জামাতের পরীক্ষা কেন্দ্রে সহস্রাধিক পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।
এছাড়াও এবারের রমজানে সারা দেশে মোট ১২ শতাধিক কেন্দ্রে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী কুরআন শিক্ষা কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন। এসব কেন্দ্রে মোট দশ সহস্রাধিক শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পাঠদান করান। দেশ-বিদেশের সর্বস্তরের মানুষের রমজানিয়া ক্বেরাত প্রশিক্ষণের খেদমত অব্যাহতভাবে চলছে। আগামীতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে আল খলীল কুরআন শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ-এর যাত্রা শুরু হয়। বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বরুণা মাদরাসার প্রিন্সিপাল, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা ক্বারী শেখ বদরুল আলম হামিদী।