◾ স্পোর্টস ডেস্ক
১৮৩ রান রক্ষার শুরুটা দারুণভাবে করে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কাও ১৮৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হাতে রেখেই জয় পায়। নিশ্চিত করে সুপার ফোর। আর এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশকে।
শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল ২৫ রান। হাতে আরও ৩ উইকেট। তখনও জয়ের সম্ভবনা ছিল বাংলাদেশর। কিন্তু পেইসার এবাদত হোসেনের দেওয়া ১ ওয়াইড ও ১ নো বল জয় ঠেলে দিলেন শ্রীলঙ্কাকে। ১৯তম ওভারে এবাদতের করা নো বলের ফ্রি হিট থেকে এসেছে একটি বাউন্ডারি। যেটি শ্রীলঙ্কার জয় পাওয়াকে আরো বেশি এগিয়ে নেয়।
অভিষেক ম্যাচে ৩ উইকেট নিলেও বাংলাদেশের পক্ষে ৪ ওভারে ৫১ রান দিয়ে এবাদত গড়েছেন সবচেয়ে খরুচে বোলিংয়ের রেকর্ড। জয়ের জন্য শেষ ওভারে শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল ৮ রান। সেই ওভারেও নো বল দেন মাহেদী হাসান।
লঙ্কান ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কাকে ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে ফেরান এবাদত হোসেন। একই ওভারের শেষ বলে চারিথ আশালাঙ্কাকে ১ রানে ফেরান টাইগার পেইসার। পরের ওভাবে আবারও আঘাত হানে এবাদত। এবাদতের ঝড়ে ১১ রান করে ফিরতে হয় দানুষ্কা গুনাথিলাকাকে।
নবম ওভারে আঘাত হানে তাসকিন। ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ভানুকা রাজাপাকশেকে। লড়াই চলাতে থাকেন মেন্ডিস। দাশুন শানাকাকে সঙ্গে নিয়ে ১০ ওভারে করেন ৮০ রান। আর বার চারেক জীবন পাওয়ার সুযোগে তুলে নেন দুর্দান্ত অর্ধশতক। তারপরও বেশি দূর যাওয়া সম্ভব হয়নি তার। মুস্তাফিজের শিকার হয়ে ৬০ রানে মাঠ ছাড়তে হয় মেন্ডিসকে।
এরপর ঝড় তুলেন অধিকানায়ক শানাকা। ৩৩ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলে মোসাদ্দেকের হাতে ধরা দেন মাহেদী হাসানকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে। আর তার বিদায়ে পরাজয়ের শঙ্কা উঁকি দেয় লঙ্কান শিবিরে। ২ রানে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্কাকে বিদায় করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে আনলেও এবাদত ও মাহেদীর অগোছালো বোলিং জয় ঠেলে নিয়ে যায় লঙ্কানদের শিবিরে।
৪ দিন ৯ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
৫ দিন ৯ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৯ দিন ৬ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
১০ দিন ৬ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
১০ দিন ৬ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
১৪ দিন ১১ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
২১ দিন ২৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
২৪ দিন ১০ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে