ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ইতিহাসের নতুন পর্যায় সৃষ্টি করেছে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস শ্রীলঙ্কায় বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৭, স্কুল বন্ধ ঘোষণা জাতীয় ছাত্রশক্তি মনপুরা উপজেলার উদ্যোগে অসহায় দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। দ্বিতীয় দিনে ছাওলা ইউনিয়নে পুলিশের বিশেষ অভিযান, জনসচেতনতামূলক আলোচনা ওচমানপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের উদ্যোগে ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সম্পাদকদের সংবর্ধনা বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে ৫ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে ২,৩০০ তালগাছ রোপণের উদ্যোগ তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা ওমর শরীফের সাতক্ষীরা ব্লিস হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে দেশের ১২ জেলায় বন্যার শঙ্কা জুলাই অভ্যুত্থান ছিল জনগণের আন্দোলন: প্রধানমন্ত্রী দোহাজারীতে ১০০ মেগাওয়াটের উৎপাদন কেন্দ্র আছে, কিন্তু বিদ্যুৎ নেই শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল জব্দকৃত চায়না দুয়ারি জাল শ্রীমঙ্গলে পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার আদায়ে ভাইদের বিরুদ্ধে বোনের সংবাদ সম্মেলন নালিতাবাড়ীর সোহাগপুর এমএলই স্কুলে কারিতাসের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট সার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জামিনে বের হবার পর ফের ইয়াবা ব্যবসা ডাকাতির ৭২ ঘন্টা পর ৪ ডাকা সদস্য গ্রেপ্তার সোহরাওয়ার্দী কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহতের দাবি আশাশুনিতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত কিডনি বিকল আশরাফুলের চিকিৎসায় অর্থ সংগ্রহে ট্যুরিস্ট ক্লাব সাস্ট আয়োজন করেছে চ্যারিটি ট্যুর লাখাইয়ে পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল, এবং ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং, বিভিন্ন মহলের ক্ষোভ।

৬ ডিসেম্বর দুর্গাপুর হানাদারমুক্ত দিবস পালিত হয়

৬ ডিসেম্বর দুর্গাপুর হানাদারমুক্ত দিবস পালিত হয়

একাত্তরের ৬ ডিসেম্বর। এই দিনে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয় নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী উপজেলা দুর্গাপুর। 

মুক্তিযুদ্ধকালে দুর্গাপুরের বিরিশিরিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী একটি শক্তিশালী ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। এখানে বসেই পাকিস্তানি সেনারা বাংলার দালাল, আলবদর, রাজাকারদের সহযোগিতায় সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করত। সেই সঙ্গে রাতের আঁধারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হতো মুক্তিকামী মানুষকে। 

১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর বিকেল থেকেই মুক্তিযোদ্ধারা দুর্গাপুর উপজেলার চারদিক ঘিরে ফেলে। তারপর রাতভর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বিরিশিরি এলাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটির পতন ঘটায়। ভোর হওয়ার আগেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। ৬ ডিসেম্বর সকাল থেকেই জয় বাংলা ধ্বনিতে দুর্গাপুরের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে তোলে মুক্তিকামী জনতা। ঝাঁকে ঝাঁকে মুক্তিকামী মানুষ ঘর থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। হানাদারদের ঘাঁটিতে ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা। 

এদিকে এ উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এ বছরও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও উপজেলা প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে। আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পতাকা উত্তোলন, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা।

আরও খবর


6a721f9c39040-040826112132.webp
দেশের ১২ জেলায় বন্যার শঙ্কা

১২ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে