রায়পুরে হায়দরগঞ্জ বাজারে মোবাইল কোর্ট অভিযান, ৫ মামলায় জরিমানা ৯ হাজার টাকা কচুয়ার আওয়ামীগ নেতা অলি উল্লাহ ঢাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ‎চিলমারীতে "এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ফুলের শুভেচ্ছা" ও কলম বিতরণ বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করায় গলাচিপায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ঝিনাইগাতীর রাংটিয়ায় আইপি কমিউনিটির উন্নয়নে সচেতনতামূলক সভা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাড়ছে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি তা’মীরুল মিল্লাতে ফাজিল, কামিল ও অনার্সের নবীন শিক্ষার্থীদের সবক প্রদান দুর্গাপুরে ‘পার্টনার’ কংগ্রেস: পুষ্টি, উদ্যোক্তা ও টেকসই কৃষিতে গুরুত্বারোপ বাঘারপাড়া উপজেলা গেটের সামনে ‘আল-বারাকাহ রেস্টুরেন্ট এন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডার’-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন বর্তমানে দেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ হাজার মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী ‎সুন্দরবনের বনদস্যু সামাদ মোল্লা আটক, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার যশোরে ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে জেলা বিএনপির লিফলেট বিতরণ কিশোরগঞ্জের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে মিজ্ সোহানা নাসরিন যোগদান করেছেন অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে দু'জনকে অর্থ দণ্ড প্রদান ঈশ্বরগঞ্জে নিশ্চিহ্নের পথে দিঘা বিলের সংযোগ খাল খননের দাবী এলাকাবাসীর হোসেনপুরে বিলুপ্তপ্রায় গ্রামীণ খেলাধুলা যে কারনে আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি বাতিলের সম্ভাবনা নেই: ডা. জাহেদ গোয়ালন্দে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান: ১০ জন আটক, কাটারসহ সরঞ্জাম জব্দ নিয়ামতপুরে ২ জন শিশু সহ চারজন জবাই

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে জোংগৈর


হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামীণ হস্ত শিল্পের একটি নমুনা জোংগৈর।সময় পাল্টানোর সঙ্গে সঙ্গে এসেছে নানা পরিবর্তন,পাল্টে গেছে মানুষের জীবন যাত্রা,এই পরির্বতনের ধারায় পিচনে পড়ে গেছে এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় জোংগৈর।

গরমে হাসফাস অথবা বৃষ্টিতে থই থই শহরের মানুষের একমাত্র ভরসা ছাতা। আর গ্রামের গরিব কৃষকদের একমাত্র ভরসা হলো জোংগৈর। গ্রাম বাংলার গরম আর বর্ষায় ফসলের মাঠের ভরসার সাথি ছিলো ছাতা। যার আঞ্চলিক নাম জোংগৈর। গ্রাম বাংলায় জোংগৈর চিনবে না এমন লোক পাওয়া মুশকিল। ছাতার বিপরীতে ব্যবহার করা হতো এই জোংগৈর। জোংগৈর তৈরি করা হয় মূলত বাশঁ, পলিথিন বা তাল পাতা দিয়ে। গ্রাম বাংলায় এই জোংগৈর ছিলো বেশ প্রচলিত। কমপক্ষে ঘরে ২-৪ টা জোংগৈর থাকতো। কালের বিবর্তনে এখন জোংগৈরের কথা বল্লে হয়তো অনেকে চিনবে না। তারা বলবে এটা কি জিনিস?

জানা যায়, বাশঁ পলিথিন ও তালপাতা দিয়ে তৈরি ডোঙা আকৃতির একটি গ্রামীণ উৎপাদন। গরীব মানুষের বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচানোর সস্তা উপায়। গ্রামীণ এলাকার লোকেরা বর্ষাকালে ছাতার বিকল্প হিসেবে এই “জোংগৈর” ব্যবহার করতো। তাল পাতা ও বাকলের দড়ি দিয়ে বানানো ছাতার বিকল্প হিসেবে কাজ করে। মাঠে বর্ষার সময় কৃষি কাজের জন্য খুবই উপযোগী। যদি ও আধুনিক যুগে এর ব্যবহার নাই বললেই চলে। যা বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতিতে ‘চাষীর বর্ষাতি নামে পরিচিত ছিল । একসময়ে গরমে পাখা আর বর্ষার জোংগৈর ছিল গ্রামীন জীবনের অঙ্গ। বিশেষ করে চাষী পরিবার গুলোতে এর কদর ছিল খুব। গ্রামে জোংগৈর ছিল চাষী পরিবারগুলোর গৃহস্থালির অন্যতম উপকরণ। বাড়ীর দেয়ালে বা দুয়াারে খুঁটিতে পেরেকে ঝোলানো থাকতো এই জোংগৈর ঝমঝম করে বৃষ্টি হচ্ছে আর ডোঙার মতো জোংগৈর মাথায় দিয়ে চাষিরা চাষ করছেন, এ দৃশ্য ধানের জমিতে খুব পরিচিত ছিল। এখন তা বিরল।

গ্রামের বৃদ্ধরা জানান, বাড়ীতে অন্যান্য আসবাব পত্রের অন্যতম ছিল জোংগৈর। এখন শীতকাল এলে যেমন বৈদ্যুতিক পাখা গুছিয়ে রাখা হয় তেমনি বর্ষার শেষে গুছিয়ে রাখতে হত জোংগৈর । আর সে দায়িত্ব নিতে হতো বাড়ীর মহিলাদের। একান্নবর্তী পরিবারে পেখার দায়িত্ব নিতেন প্রবীণা। বর্তমানে এগুলো এখন দেখা ও যায় না। সবাই আধুনিক যুগে এসে ছাতা ব্যবহার করছে। জোংগৈর যেমনে বিলুপ্ত ঠিক তেমনি বিলুপ্ত এই গ্রামীন শব্দটা ও। বর্ষায় আর কদর পায় না  জোংগৈর। বর্ষা এলেই একসময় জোংগৈর কেনার জন্য গ্রামে গ্রামে হুড়োহুড়ি পড়ে যেত । বিশেষ করে চাষী পরিবার গুলোতে এর কদর ছিল খুব। তবে নতুন প্রজন্মের কাছে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেয়া উচিত নতুবা কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাবে এসব গ্রামীন সংস্কৃতি ও হস্ত এবং কুটিরশিল্প।

আরও খবর



deshchitro-69d4a10691557-070426121534.webp
আড়াইশ বছরের জমিদার বাড়ি বিলুপ্তির পথে

১৪ দিন ১৮ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে


69bd201114515-200326042313.webp
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ঈদ ভাবনা

৩২ দিন ১৪ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে



deshchitro-69b229cea66a2-120326084950.webp
বইমেলায় মুহিব শামীমের ‘মাতৃ সুবাস'

৪০ দিন ২২ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে