মানুষ মাত্রই ভুলের শিকার। দৈনন্দিন জীবনে চলতে ফিরতে শতশত ভুলভ্রান্তির সম্মুখীন হয় তারা। ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায়, শয়তান ও নফসের কুমন্ত্রণায় প্রকাশ পায় মহান প্রভুর অবাধ্যতাও।
সব ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য। তবুও সময়ে সময়ে যে পাপ কাজ মানুষ দ্বারা সংঘটিত হয়, তা থেকে নিষ্কৃতি লাভ করা যায় বিভিন্ন আমলের মাধ্যমে। তওবা ইমানদারের অন্যতম গুণ। আল্লাহতায়ালা এ গুণের কথা উল্লেখ করেছেন পবিত্র কুরআনে।
তিনি বলেন, তারা কখনো কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোনো মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের ওপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং স্বীয় পাপের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে। (সূরা আলে ইমরান : ১৩৫)। তওবা করলে মানুষ সদ্যভূমিষ্ঠ বাচ্চার মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘পাপ থেকে তওবাকারী নিষ্পাপ ব্যক্তিতুল্য’ (সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪২৫০)। উত্তম মানুষ সে, তওবা করে যে। হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, মানুষ মাত্রই গুনাহগার, আর তাদের মধ্যে তওবাকারীরাই উত্তম। (জামে তিরমিজি : ২৪৯৯)।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের শেষে ‘সুবহানাল্লাহ’ ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ৩৩ বার এবং ‘আল্লাহু আকবার’ ৩৩ বার পড়বে। আর এভাবে নিরানব্বই বার হওয়ার পর শততম পূর্ণ করতে বলবে—
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো প্রকৃত ইলাহ নেই। তিনি একক ও তার কোনো অংশীদার নেই। সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী একমাত্র তিনিই। সব প্রশংসা তারই প্রাপ্য। তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
তা হলে তার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে দেয়া হয়। (মুসলিম)
নবিজি (সা.) বলেছেন, অসুস্থ অবস্থায় কেউ যদি ৪০ বার দোয়া ইউনুস পড়ে, এরপর ওই অসুস্থতায়ই মারা যায়, তাহলে সে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে। অথবা আল্লাহ তাকে সুস্থতা দান করবেন এবং তার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।
দোয়ায়ে ইউনুস হলো- لَّاۤ اِلٰهَ اِلَّاۤ اَنۡتَ سُبۡحٰنَكَ اِنِّیۡ كُنۡتُ مِنَ الظّٰلِمِیۡنَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ-জ্জালিমীন।
অর্থ: আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র, মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম জালিম।
৭ দিন ৩ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
২২ দিন ২ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
২৩ দিন ৩০ মিনিট আগে
৩৬ দিন ২১ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৪০ দিন ৫ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৫৬ দিন ২ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৫৯ দিন ২ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
৬৫ দিন ৮ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে