ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন তরুণদের ‘থ্রি-জিরো’ ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে তৈরির আহ্বান জানালেন ড. বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর ইউনূস ২-৪ বছর থাকলে দেশ সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার পথে এগিয়ে যাবে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে'

পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু প্রতিরোধে করণীয়


◾শেখ আব্দুল্লাহ:  বাংলাদেশ জুড়ে অসংখ্য নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর, ডোবা জালের মতো বিস্তৃত রয়েছে। এসব অসংখ্য জলাশয় থাকার কারনে চাষাবাদ, পশু-পাখি পালন, গৃহস্থালির কাজ ইত্যাদি যেমন সহজ হয়ে দাড়িয়েছে, তেমনি প্রতিবছর ব্যাপক হারে জান ও মালের ক্ষতি হওয়ার কারনে এ জলাশয়গুলো মানুষের কাল হয়ে দাড়িয়েছে। আমাদের দেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারান; প্রাণ হারানোর দিক থেকে শিশুদের সংখ্যাই বেশি ।


এক সমীক্ষায় দেখা যায়, বাংলাদেশের শিশুরা নিউমোনিয়া রোগের পরেই পানিতে ডুবে বেশি প্রাণ হারায়। তাই শিশুদের এই অকাল মৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে আমাদের সর্বস্তরের মানুষ সচেতন হতে হবে, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব। 


পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুর হার কমাতে আগে জানতে হবে কোন কোন কারনে শিশুরা পানিতে ডুবে প্রাণ হারাচ্ছে; পরে এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা বিষয়ে জানতে হবে। শিশুদের পানিতে ডুবার অন্যতম কারন হলো বাবা-মায়ের অসচেতনতা। গ্রামে দেখা যায় বাবারা জীবিকার তাগিদে বেশি সময় বাইরে বাইরে থাকেন এবং মায়েরা খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে গৃহস্থালি কাজের ব্যস্ত হয়ে পড়েন; বাচ্চাকে সঠিকভাবে দেখশোনা করতে পারেন না। এর ফলে একটা বাচ্চা তার মায়ের দৃষ্টি গোচরে বাড়ির পাশে পুকুর বা জলাশয়ে কাছে গিয়ে কৌতূহল বসতে পানিতে নেমে যায় এবং সাঁতার না জানার কারনে পানিতে ডুবে প্রাণ হারায়। এছাড়াও পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো সঠিক তত্ত্বাবধান ও শিক্ষার অভাব। একজন শিশুকে সাঁতার শিখানোর সঠিক বয়স ৫ বছর। কিন্তু সাঁতার শেখানোর পর্যাপ্ত বয়সেও একটা শিশুকে সাঁতার শিখানো হচ্ছে না, ফলে একটা শিশুর সাঁতার শেখার পর্যাপ্ত বয়স থাকার সত্বেও পানিতে ডুবে অকালে প্রাণ হারাচ্ছে। বাড়ির পাশে অপ্রয়োজনীয় ডোবা বা জলাশয় থাকাটাও শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।


তাই আমরা একটা শিশুর অকাল মৃত্যু ঠেকাতে বেশকিছু প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিতে পারি। আর এ প্রতিরোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুর হার অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। 


পানিতে ঢুবে শিশুর মৃত্যুর হার কমিয়ে আনার প্রথম ধাপ হলো বাবা-মায়ের সচেতন হওয়া। একটা শিশু হাটা শেখার পরে তাকে চোখে চোখে রাখতে হবে এবং বাড়ির পাশের পুকুর বা জলাশয়ের দিকে যেন না যায়, সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে। বাড়ির পাশের পুকুর বা জলাশয়ের চারিদিকে বেড়া দিতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় পুকুর বা গর্ত-ডোবা থাকলে বন্ধ করে দিতে হবে। এছাড়াও একটা শিশুর ৫ বছর বয়স হওয়ার পরে অবশ্যই সাঁতার শেখার গুরুত্ব দিতে হবে। সাঁতার শেখার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে একটা শিশুকে অবগত করতে হবে। একজন শ্রেণি শিক্ষকও এক্ষেত্রে অনেক ভূমিকা পালন করতে পারেন। তিনি সাতার শেখার শারীরিক প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সাঁতার শিখতে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। এছাড়াও বেশ কিছুদিন আগের থেকে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুর হার কমাতে সরকার বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন, যদি এই পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে কার্যকর করা হয় তাহলে সরকার ও সর্বসাধারণের প্রচেষ্টায় শিশু মৃত্যুর হার অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। 


শেখ  আব্দুল্লাহ 

লেখক ও সংগঠক



আরও খবর






ঢাকা কলেজের স্মৃতিময় দিনগুলো

১৩৩ দিন ৫ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে