◾মো. আকিব হোসাইন
উপমহাদেশের একটি প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ। ১৮৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা দীক্ষায় বেশ সুনামের সাথে এগিয়ে চলছে। সম্প্রতি ক্যাম্পাসে মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়েই চলছে মশার উপদ্রব। এতে করে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীসহ অনেকেই ডেঙ্গু নামক ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তা নিয়ে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা কী ভাবছেন? তাদের মতামত তুলে ধরেছেন ঢাকা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী- মো. আকিব হোসাইন।
◾মশার যন্ত্রণা থেকে শিক্ষার্থীদের বাঁচতে দিন
ঢাকা কলেজ। যে নামটির সাথে মিশে আছে ইতিহাসের ঐতিহ্য আর গৌরব। এই গৌরবান্বিত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার লগ্ন থেকে নানান সময়ে বিভিন্ন ভাবে আলোচনা- সমলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়ে আসছে। দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা অর্জনে ভর্তি হচ্ছেন প্রাচীন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। আর এই শিক্ষার্থীদের সিংহভাগই নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ফলে, ইট পাথরের এই শহরে তাদের ঠাঁই হয় আবাসিক হলগুলোর কোন এক কর্ণারে। যে কর্ণারে বসে তাদের জীবন আলোকিত করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সেটি সঠিকভাবে হচ্ছে কোথায়? কারণ, মশার যন্ত্রণা তাদেরকে সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে নিতে বাধাবিপত্তি ঘটাতে বাধ্য হচ্ছে। যার মূলে রয়েছে, কলেজ প্রশাসনের অবহেলাসহ নোংরা পরিবেশ। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা থাকায় অস্বস্তিতে আছেন শিক্ষার্থীরা। তাই, শিক্ষার্থীদের মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে কলেজ প্রশাসনকে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। কলেজে মশা নিধন কর্মসূচি আরো জোরালো ভূমিকা রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি ময়লা আবর্জনা রাখার জন্য আলাদা জায়গা নির্ধারণ করে দিতে হবে। তবেই শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে এবং সুন্দর পরিবেশ গড়ে উঠবে।
মু, সায়েম আহমাদ
শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ।
◾মশা নিধনের জন্য কলেজ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
উপমহাদেশের প্রথম বিদ্যাপীঠ ঢাকা কলেজে মশার জন্য অতিষ্ঠ জীবন পার করছেন অাবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা। দিন কিংবা রাত নেই, যেকোনো স্থানে বসলেই চারপাশে মশার ঝাঁক। ক্যাম্পাসে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময় ময়লার স্তুপ সঠিক সময়ে পরিষ্কারের অভাবে সেখানে এডিস মশার বংশবিস্তার করছে। সম্প্রতি ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। যার ফলে শিক্ষার্থীদের মাঝে এক ধরণের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। শ্রেণি কক্ষ, আবাসিক হল, লাইব্রেরি সহ অনেক জায়গাতেই মশার উপদ্রব লক্ষ্য করা যায়৷ সন্ধ্যা হলেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়৷ মশার উপদ্রব বৃদ্ধির কারণে শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করা, ছাত্রাবাসে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীদের৷ দিনের বেলাতেও মশারি টানিয়ে বসে থাকতে হয় আবাসিক শিক্ষার্থীদের৷ মশার কয়েল জ্বালিয়েও যেন রক্ষা নেই৷ মশা নিধনের ঔষধ ছিটানোর জন্য সিটি কর্পোরেশন উপর দায়িত্ব থাকলেও তেমন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। কলেজ প্রশাসনের এই ব্যাপারে নিজ উদ্যোগে মশানিধন কর্মসূচি গ্রহণ করার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. তোফায়েল আহমেদ
শিক্ষার্থী, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ঢাকা কলেজ।
◾মশার উপদ্রব রোধে চাই সচেতনতা
মশার অত্যাচারে রীতিমতো অতীষ্ঠ জনজীবন। সন্ধা নামার সঙ্গে সঙ্গে তাদের অত্যাচারের মাত্রা তীব্র হয়ে ওঠে। সন্ধ্যায় কোথাও একটু স্থির হয়ে বসা তো দূরের কথা দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মশা নামক এই ক্ষুদে প্রাণীটি তার পরিবারসহ আক্রমণে নামে। শুধু সন্ধ্যা বা রাতে নয় বরং রাজধানীতে এদের উপদ্রব এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, দিনের দুপুরেও তাদের ভোঁ ভোঁ শব্দ থেকে রেহাই নেই। মশার একপাক্ষিক আক্রমণকে প্রতিহত করতে মানুষ কয়েল, স্প্রে, মশারী, আ্যরোসল, ধূপ, ইলেকট্রিক ব্যাট, ইলেকট্রিক আলোর ফাঁদ, মশার কামান, জানালা নেটসহ নানা অস্ত্রের ব্যবহার করলেও এ যুদ্ধে মশাবাহিনীই সানন্দে জয়ী হচ্ছে। মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া ছাড়াও ম্যলেরিয়া, ফাইলেরিয়া, জিকা, পীতজ্বর ইত্যাদি রোগসহ নানা মারাত্মক রোগে সংক্রমিত হতে পারে। মশার উপদ্রব রোধে ক্যাম্পাস পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। বিশেষ করে, হলের আবাসিক এলাকাসহ অনেক জায়গায় নোংরা পরিবেশে এডিস মশার উৎপাত বেড়েছে। বিষয়টি কলেজ কতৃপক্ষের নজরে আসবে বলে প্রত্যাশিত।
মাহমুদুল হক হাসান
শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা কলেজ।
◾ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এই সংকট নিরসনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন
ঐতিহ্য আর গৌরবের ঢাকা কলেজ। ১৮৪১ সাল থেকে কালের সাক্ষী হয়ে আছে পূর্ববঙ্গ তথা বাংলাদেশের প্রথম এই উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ইতিহাসের নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে জাতির কর্ণধার হিসেবে কাজ করা কত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, রাজনীতিবিদ, বিসিএস ক্যাডারেরই সৃষ্টি করেছে এই বিদ্যাপীঠ। কিন্তু, সে অর্থে এই বিদ্যাপীঠ (ঢাকা কলেজ) কি পাচ্ছে তাঁর প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা? প্রায় ৩০ হাজার ছাত্রের এই কলেজটিতে হলে থাকতে পারে মাত্র কয়েক হাজার ছাত্র। আবার বেশিরভাগ হলগুলোও বেশ পুরনো এবং অবস্থাও জীর্ণশীর্ণ। প্রায় প্রতিটি রুমেই গাদাগাদি করে থাকতে হয় ছাত্রদের। এই অবস্থায় মরার উপর খাড়ার ঘাঁ হয়ে এসেছে ডেঙ্গু আতঙ্ক। পুরো রাজধানী ঢাকা যখন ডেঙ্গু আতঙ্কে বিভোর এবং দফায় দফায় চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান তখনও কোনো এক অজানা কারণে অবহেলিত ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাস। যাতে করে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে কলেজটির আবাসিক ছাত্রদের মধ্যে। এমতাবস্থায় কলেজটির সকল ছাত্রের আশা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এই সংকট নিরসনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
অমিত হাসান
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, ঢাকা কলেজ।
◾ক্যাম্পাসে মশার উৎপাত বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন
যে হারে ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব বেড়েছে তাতে মনে হয় ক্যাম্পাসে সুস্থ পরিবেশে থাকার সুযোগ নেই। ঠিকমতো শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কিংবা সাত কলেজের চলমান চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ হচ্ছেনা। দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষে মশার কয়েল জ্বলছে কিন্তু তাতে কোনো কাজ হচ্ছে না। আর মশার এ অত্যাচারে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও পরীক্ষার্থীদেরা যথাযথভাবে মনোনিবেশ করতে পারছেন না। আর আবাসিক হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা রয়েছেন আরও চরম দুর্ভোগে। দিনে দুপুরে মশারি টাঙিয়ে পড়াশোনা করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। একটু সন্ধ্যার আধার আসতে না আসতেই পরিস্থিতি আরও প্রকট আকার ধারণ করে। ইতোমধ্যে, অনেক শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকের চলছে পরীক্ষা আবার অন্যদের সামনে নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই এই মুহূর্তে ক্যাম্পাসে মশার উৎপাত বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন।
মো: সিরাজুল হোসাইন
শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা কলেজ।
◾ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব বন্ধে ব্যবস্থা নিন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকে সবসময় গোছানো এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। সেদিক থেকে ঢাকা কলেজ বরাবরের মতোই অপরিষ্কার। কখনো শুনতে হয় ময়লাওয়ালা ময়লা নেয় না কখনোবা শুনতে হয় সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বহীনতা ইত্যাদি। ক্যাম্পাসের আশেপাশে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। এতে মশাদের উৎপাত বাড়ছে। দিন বা রাত পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে মশার রাজ্যে তৈরি হয়েছে। স্থির হয়ে এক জায়গায় পাঁচ মিনিট দাঁড়ানোর সক্ষমতা নেই কারো। এমতাবস্থায় কলেজ প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি অতিদ্রুত যেন ক্যাম্পাস পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা হয়। মশার উপদ্রব বন্ধ হলে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর ক্যাম্পাস সৃষ্টি হবে। সেই সাথে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে আশা করছি।
মো. সায়েদ আফ্রিদী
শিক্ষার্থী, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা কলেজ।
◾ক্যাম্পাসে মশার যন্ত্রণায় ঘুমহীন হলবাসী
‘ঐতিহ্যবাহী’ তকমা লাগিয়ে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছে বর্ষীয়ান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ঢাকা কলেজ। বর্তমান সময়ে যখন সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেখানে সব দিকেই পিছিয়ে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। ক্লাসরুম সংকট, আবাসন সংকট থেকে শুরু করে ক্যান্টিনের অতিরিক্ত দাম রাখা খাবারও এই তালিকায় থাকে। বর্তমানে এই তালিকায় যোগ হয়েছে অপরিচ্ছন্নতা। বিষয়টি আগে ছিলনা যে এমনটা না, বর্তমানে মশার উপদ্রব বাড়ার কারণে সকলের চোখে পড়ছে। চোখে পড়ছে না সম্ভবত কলেজ প্রশাসনের কিংবা সিটি কর্পোরেশনের। হলের আশেপাশে ময়লার স্তুপ, এডিস মশা বংশবৃদ্ধি করছে সবিস্তারে। মশার যন্ত্রণায় ঘুমহীন হলবাসী। মশার উৎপাতের কারণে পুকুরপাড়ে বসার জোঁ নেই। প্রশাসনের কি নজরে পড়ছে না? প্রশাসন কবে সরব হবে? কবে ঢাকা কলেজ শুধু নামে নয় সব দিক দিয়েই ঐতহ্যবাহী হয়ে উঠবে? শিক্ষার্থীরা এই সুময়ের অপেক্ষায়। সেজন্য কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বিশাল সাহা
শিক্ষার্থী, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা কলেজ।
◾ক্যাম্পাসকে ডেঙ্গুমুক্ত করা হোক
১৮১ বছরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ঢাকা কলেজ। পূর্ব বাংলার শিক্ষা বিস্তারের কেন্দ্রবিন্দু ‘ঢাকা কলেজ’ পূর্বের ন্যায় এখনো সুনামের সাথে বট বৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য যেন দিনদিন বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ঢাকা কলেজের আটটি ছাত্রাবাসে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর বসবাস। ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ডেঙ্গু মশার উৎপাতের সাথে সাথে ঢাকা কলেজে ক্যাম্পাসেও ডেঙ্গু মশা দেখা দিয়েছে। বর্ষার পানিতে ক্যাম্পাসের ভিতরে বিভিন্ন ড্রেনে পানি জমাকৃত হয়ে ডেঙ্গু মশার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীরা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষার্থী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে অবস্থান করছে। কিন্তু কতৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কলেজ ছাত্রাবাসের আশপাশ এবং ড্রেন পরিষ্কার করার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না৷ তাই কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করবো যাতে শীঘ্রই ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসকে পরিষ্কার করে ডেঙ্গুমুক্ত একটা ক্যাম্পাস উপহার দেয়া হয়৷
মো. আল-আমিন
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, ঢাকা কলেজ।
২৫ দিন ১৮ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
৮৭ দিন ৪ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
১০৯ দিন ৫ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
১১১ দিন ১৬ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
১১৯ দিন ১০ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
১২৩ দিন ৪০ মিনিট আগে
১৩৩ দিন ৫ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১৩৬ দিন ১৩ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে