◾ আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ও বরিস জনসনের পরবর্তী উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করা হবে আজ। নির্বাচনের দৌড়ে থাকা দুই প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস ও সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক।
আরটি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক জরিপ অনুসারে ব্রিটেনের শীর্ষ কূটনীতিক লিজ ট্রাস টরি সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পেতে পারেন। সোমবার স্থানীয় সময় সাড়ে ১২টায় ঘোষণা করা হবে নতুন নেতৃত্বের নাম।
কনজারভেটিভ পার্টির নবনির্বাচিত নেতা মঙ্গলবার নতুন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এ সময় জনসন তার বিদায়ী বক্তৃতা দেবেন। একই সঙ্গে ব্রিটেনের রানীর কাছে তার পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাস বা সুনাককে তার উত্তরসূরি হিসেবে নিয়োগ করা হবে।
দায়িত্ব গ্রহণ করে নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা গঠন করবেন। তবে ক্ষমতা হস্তান্তর সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত পদে থাকবেন জনসন।
২০১৯ সালে বিপুল বিজয় নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন বরিস জনসন। কিন্তু একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন বরিস জনসন ও তার সরকার। করোনায় লকডাউন চলাকালে সরকারি বাসভবন ডাউনিং স্ট্রিটে একাধিক মদের আসর বসানো, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতিসহ নিজ দলে বিতর্কিত সদস্যদের পদ দেওয়া নিয়ে সমালোচনার জন্ম দেন তিনি। এরপর নজিরবিহীন চাপের মুখে ৭ জুলাই কনজারভেটিভ নেতার পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি।
তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়ায় জনগণের একটা বিশাল অংশের কাছে জনপ্রিয়তা পান জনসন। কিয়েভের একজন শক্তিশালী সমর্থক হিসেবে এ যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেন সফরকারী পশ্চিমা নেতাদের মধ্যে প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি।
ইউগভের জরিপে জানা যায় নিজ দেশে সমর্থন হারালেও ইউক্রেন ইস্যুর কারণে তিনি বিদেশী নাগরিকদের কাছে তার কদর বেড়ে যায়। জুনে এক জরিপে দেখা যায়, ৯০ শতাংশ সমর্থন নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিদেশী নির্বাচিত হন বরিস জনসন। তার সরকার কিয়েভকে তার সেনাদের জন্য প্রশিক্ষণ, রাশিয়াকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি প্রায় ২৮০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।
অন্যদিকে দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতিসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য রাশিয়ার ইউক্রেন আগাসনকে দায়ী করেন জনসন প্রশাসন।
তবে ১০নং ডাউনিং স্ট্রিটের নতুন উত্তরসূরিও কি রাশিয়ার প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি রাখবেন?
আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়,প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে থাকা প্রতিদ্বন্দ্বী লিজ ট্রাস কড়া সুরে বলে দিয়েছেন তিনি জনসনের নীতিতেই থাকবেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে, ইউক্রেনের স্বাধীনতার শিখা সমুজ্জল থাকবে।
৪৭ বছর বয়সী এ নেত্রী জোর দিয়ে বলেন, আমার নেতৃত্বে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির আমার চেয়ে বড় কোনো মিত্র থাকবে না।
এ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী পুতিনকে বর্বরতার জন্য অভিযুক্ত করেন বলেন, ইউক্রেনে পুতিনকে জিততে দেবেন না তিনি।
লিজ আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী হলে তার প্রথম বিদেশ যাত্রা হবে কিয়েভে।
অন্যদিকে, নির্বাচনে ঋষি সুনাক লিজের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও রাশিয়ার প্রশ্নে দুজনের অবস্থানই এক।
১ দিন ৪ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
১ দিন ২২ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
২ দিন ১৬ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
৫ দিন ৪ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
৬ দিন ৩ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
৭ দিন ১ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
৭ দিন ১ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৭ দিন ১ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে