কক্সবাজার বেড়াতে এসে ১ পর্যটকের মৃত্যু উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ফাঁকি দিয়ে পালিত ২২জন রোহিঙ্গা আটক করেছে পুলিশ কলমাকান্দায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত কক্সবাজারে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মত বিনিময়। উখিয়ায় বহুল প্রতীক্ষিত স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু উখিয়ায় দিনব্যাপী সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কক্সবাজার-৩ আসনে এমপি কমলকে আবারো মনোনয়ন দেয়ার আহবান লাখো জনতার লিগ্যাল এইড আইনজীবীদের ২ দিনের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ডেমুশিয়া জনপদের গ্রামীণ সড়ক লন্ডভন্ড, যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ হাটহাজারীতে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার শ্যামনগর কাশিমাড়ী হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কমিটি গঠন কুড়িগ্রামে ডাঃ জি এম আরিফ স্বাচিপ এর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত, জেলাবাসীর অভিনন্দন জয়পুরহাটে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করতে মসজিদের ইমামদের ভূমিকা অপরিসীম -মাশরাফি বিন মর্তুজা সাতক্ষীরার জনসভায় শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ কুড়িগ্রামে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন অভয়নগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ দিলেন ইঞ্জিনিয়ার আরশাদ পারভেজ তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বললেন- এমপি শাওন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক ও আলোচনা সভা পাঁচবিবিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৩ অনুষ্ঠিত

ড. রেবেকা সুলতানা ও একটি ষড়যন্ত্রের ময়নাতদন্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা। © ফাইল ছবি



◾পিংক ইসলাম :  চলতি বছরের মে মাসের প্রথম দিকে প্রথম সারির একটি বাংলা জাতীয় দৈনিক 'খোলা আকাশের নিচে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস' শিরোনামে একটি ফিচার প্রকাশ করে। ফিচারটিতে আমার চোখ আটকে যায়। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পূর্ণ মনোযোগসহকারে একনাগাড়ে ফিচারটি পড়ে ফেলি। লেখাটি পড়ার পর হৃদয়ে দারুণ অনুভূতির সঞ্চার হয়। স্মৃতিপটে ভেসে উঠে আমার ছাত্র জীবনের কথা। তখন অস্ফুটস্বরে আফসোস করে  নিজেকে বড় দুর্ভাগা হিসেবেই মনে হয়। কেননা এক সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি নিজেও লেখাপড়া করেছি কিন্তু এরকম পরিবেশে ক্লাস করার সৌভাগ্য হয়নি। আবার ফিচারের ছবির দিকে তাকাই। দেখতে পাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা কলা ভবনের সামনের বটতলায় খোলা আকাশের নিচে ক্লাস নিচ্ছেন। প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী পূর্ণ আন্তরিকতায় ক্লাস করছেন। দিনের বেলা বটতলার আশ পাশ কতটা কোলাহল পূর্ণ থাকে তা কারো অজানা নয়। এমন একটা পরিবেশেও শিক্ষার্থীদের মনোযোগে ব্যাঘাত না ঘটা বিস্ময়করই বটে। এ রকম একটি কোলাহলপূর্ণ জায়গায় প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি ক্লাস নেওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। যিনি ক্লাস নিচ্ছেন, তিনি নি:সন্দেহে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে অনেক জনপ্রিয়। নতুবা এমন পরিবেশে উক্ত শিক্ষকের পক্ষে ক্লাস করানো কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। ফিচারটি সামাজিক যোগাযোগে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। দর্শন বিভাগ তো বটেই, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষক  শিক্ষার্থীরাও এমন শিক্ষা-কার্যক্রমকে আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।


মে মাসের শেষ দিবসে আবারও আলোচনায় অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা। এবার অবশ্য আলোচনা না যতটা, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি সমালোচনা। অভিযোগ উঠে ড. রেবেকা সুলতানা তার গবেষণাপত্রে অন্যের লেখা নিজের নামে প্রকাশ করেছেন। খুবই গুরুতর একটা অভিযোগ। আশে পাশে তাকে নিয়ে নানান মিথ তৈরি হয়। কারো কারো মতে, তিনি যে মানের শিক্ষক তিনি কখনো এমনটি করতে পারেন না, আবার কেউ কেউ মনে করেন, অপরাধ না করলে কি আর এমনি এমনি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে ! একজন অনুসন্ধিৎসু পাঠক হিসেবে আমি দ্বিধায় পড়ে যাই। এমন পরিস্থিতিতে আমার মতো আমজনতা পাঠকেরই বা কী করণীয় থাকতে পারে তা সহসাই বুঝে উঠা কঠিন হয়ে পড়ে । অনেক চিন্তা ভাবনা করে বিষয়টির সত্য মিথ্যা যাচাই করার পরিকল্পনা করি। পরিকল্পনা মাফিক অভিযোগ উঠার প্রায় এক সপ্তাহ পর ড. রেবেকা সুলতানার সাথে সরাসরি দেখা করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা বলি। ড. রেবেকা সুলতানাও পূর্ণ আন্তরিকতার সহিত আমার প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেন। দীর্ঘ আলাপচারিতায় উঠে আসে ঘটনার আদি অন্ত্য বিষয়। ড.রেবেকা সুলতানা আলাপচারিতার প্রথমেই আশ্বস্ত করেন তাকে নিয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। নিছকই ষড়যন্ত্রমূলক দুর্ভিসন্ধি থেকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তার গবেষণাপত্র নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঢাকার একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তাকে হেয় করার চেষ্টা করছেন বলেও জানান তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের নাজমুল করিম স্টাডি সেন্টারের জার্নাল অব সোশিওলজির (সমাজবিজ্ঞান পত্রিকা) একাদশতম ভলিউমের ২য় সংখ্যায় (২০২০ সালের জুলাই-ডিসেম্বর ) প্রকাশিত তার লেখা 'বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা’ শীর্ষক প্রবন্ধ নিয়েও কথা বলেন। তিনি যুক্তির আলোকে তার বিরুদ্ধে উঠা কুম্ভিলক বৃত্তির অভিযোগ খণ্ডন করেন। তিনি  প্রশ্ন তোলেন যে সকল লেখকের বই ও পৃষ্ঠা উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, লেখকের নামসহ সেসকল বইয়ের নাম ও পৃষ্ঠা তিনি নিজেই তো লেখার তথ্যসূত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে লেখক যখন নিজেই লেখার তথ্যসূত্রে তথ্যপ্রাপ্ত বইয়ের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করেন, তখন সেই লেখাকে কূম্ভিলক বৃত্তি হিসেবে বিবেচনা করা যায় কিনা। আমি মনে করি এটিকে কোনোভাবেই কুম্ভিলকবৃত্তির সাথে তুলনা করা যায় না, বড় জোর বলা যেতে পারে লেখাটিতে মৌলিক সৃজনশীলতা কম। এটা হতেই পারে। এতে কোনো সমস্যা আছে বলে আমি মনে করি না।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা। © ফাইল ছবি


ড. রেবেকা সুলতানার সাথে কথা বলার পর মনে নানা প্রশ্নের উদ্ভব হয়। মনে মনে নিজেকে প্রশ্ন করি লেখাটি যদি কুম্ভিলকবৃত্তি হিসেবে বিবেচিত না হয়, তাহলে লেখাটি নিয়ে এমন অযাচিত প্রশ্ন উঠল কেন? যিনি লেখাটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারই বা উদ্দেশ্য কী। অভিযোগকারীর ব্যাপারে জানতে গুগলের সাহায্য নিই। গুগলে অভিযোগ উত্থাপনকারী ব্যক্তির নাম সার্চ দিতেই তার নামে নিউজ হওয়া বিভিন্ন পত্রিকার পাতা চোখের সামনে ভেসে উঠে। নিউজগুলো পড়ে জানতে পারি অভিযোগকারী ব্যক্তি ঢাকার একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি একসময় উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছিলেন কিন্তু সে সময় তিনি নানা কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পান। তবুও তার অপকর্ম বন্ধ হয়নি। অদৃশ্য এক খুঁটির জোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে সময়ে সময়ে করে গেছেন আরো নানা অপকর্ম। এজন্য অবশ্য বিভিন্ন সময়ে তাকে শাস্তিও ভোগ করতে হয়েছে একাধিক বার । একটা পর্যায়ে গিয়ে তার নিজ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। এমতাবস্থায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তনের পরিকল্পনা করেন। গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে অধ্যাপক নিয়োগের পরিপত্র জারি করা হলে,পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক তিনি একজন প্রার্থী হিসেবে উক্ত পদে আবেদন করেন। প্রার্থী হিসেবে তিনি একাই ছিলেন না, ছিলেন আরো অনেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিধি অনুসারে আবেদনকারী সকল প্রার্থীর তথ্য পূঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বাছাই করে যোগ্য প্রার্থীদের অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেন। এতে বাদ পড়েন ড. রেবেকা সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনকারী সেই শিক্ষক। এতে তিনি প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। তিনি চরমভাবে ক্রোধান্তিত হয়ে উঠেন নিয়োগ প্রদানকারী বোর্ড ও তার বিপরীতে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের প্রতি। এমন পরিস্থিতিতে বাদ পড়া সত্ত্বেও তিনি মনে করেন নিয়োগপ্রাপ্ত কোন একজন শিক্ষককে যদি কোনোভাবে বাদ দিতে পারেন, তাহলে তার আবারো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এই ধারণা থেকেই প্রথম দিকে তিনি তার বিপরীতে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া পুরুষ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগণ্ডা ছড়ান এবং তাদের নিয়ে রটান বিভিন্ন ধরনের কুৎসাও। এতে আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় তিনি কৌশলে পরিবর্তন আনেন। এবার তিনি টার্গেট করেন নিয়োগপ্রাপ্ত নারী শিক্ষক ড. রেবেকা সুলতানাকে। প্রথমে অভিযোগকারী শিক্ষক ড. রেবেকা সুলতানার ব্যক্তিগত জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলেন এবং একটা পর্যায়ে গিয়ে তাকে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন। এমতাবস্থায় কোনো উপায়ন্তর খোঁজে না পেয়ে ড. রেবেকা সুলতানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করলে হুমকি ধুমকির পরিমাণ কিছুটা কমে আসে। কিন্তু তাতেও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা বন্ধ হয়নি। এই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হিসেবে সর্বশেষ ড. রেবেকা সুলতানার গবেষণাপত্র নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন। যতটুকু জানি ড. রেবেকা সুলতানাও তদন্ত কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। 


উপর্যুক্ত ঘটনাটি নিছকই একটি ঘটনা নয়, ঘটনাটিকে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি অশনি সংকেত বলেই মনে করি। ড. রেবেকা সুলতানা যদি সত্যি সত্যিই কুম্ভিলক বৃত্তির আশ্রয় নিয়ে থাকেন, তাহলে বিধি অনুসারে তিনি তার ফলভোগ করবেন। এতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। তবে ড. রেবেকা সুলতানা যেন অন্যায়ভাবে কারো ষড়যন্ত্র ও স্বার্থের বলি না হন এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে যথাযথ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সাথে তদন্ত কমিটিকে পক্ষপাতহীন নির্মোহ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। তদন্ত শেষে ড. রেবেকা সুলতানা নির্দোষ প্রমাণিত হলে অভিযোগ উত্থাপনকারীকে ব্যক্তিকেও যথাযথ শাস্তির আওতায় আনতে হবে। নতুবা প্রতিনিয়ত এমন অভিযোগ উত্থাপনকারীর সংখ্যা বেড়েই যাবে।


শিক্ষকদের কাজ হচ্ছে বাস্তবিক সমস্যার আলোকে সমাধান বের করে সেই আলোকে শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীল জ্ঞান সৃষ্টিতে অবদান রাখা। সেই শিক্ষকদের কেউ কেউ যখন নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করে, নিজেদের সামান্য স্বার্থের খপ্পরে পড়ে, নীতি নৈতিকতা একবারে জলাঞ্জলি দিয়ে অন্যকে বিপদে ফেলতে ষড়যন্ত্র করেন, তখন তাদের দ্বারা পরিচালিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নের কাঠগড়ায় তোলায় যায়। প্রশ্ন তোলা যায়, যে শিক্ষক নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেননি, তিনি কিভাবে তার শিক্ষার্থীদেরকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন? বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার দিকে তাকালে অহরহ এমন ঘটনা দেখা যায়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এখন পর্যন্ত যত শিক্ষক দ্বন্দ্ব সংঘাতের খবর প্রকাশিত হয়েছে, দুই একটা ব্যতিক্রম বাদে প্রায় প্রতিটি ঘটনাই ব্যক্তি স্বার্থে ঘটে বলে প্রতীয়মান। যা কখনো কাম্য নয়। শিক্ষকরা দ্বন্দ্ব সংঘাতে জড়িয়ে পড়লে শিক্ষা ব্যবস্থার উপর এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। শিক্ষকরা পাঠদানে মনোযোগ হারিয়ে ফেলেন। আর এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হোন কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। ধীরে ধীরে এর প্রভাব পড়ে আমাদের অর্থনীতিতেও। তাই দেশের স্বার্থে হলেও আমাদের এই দ্বন্দ্ব সংঘাতের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।



লেখক : পিংক ইসলাম

তরুণ কলামিস্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী