নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন সমাজসেবক ও সাবেক ছাত্রনেতা আবদুর রহীম। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিনি ১,৫০০ দরিদ্র নারী-পুরুষের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি বিতরণ করেছেন।
বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মুছাপুর ইউনিয়নের চর বড়ধলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠসহ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে এই উপহার বিতরণ করা হয়। অসহায় মানুষ যেন ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্যেই আবদুর রহীম ও তার পরিবার প্রতি বছর এই উদ্যোগ নিয়ে থাকে।
উপহার পাওয়া এক বৃদ্ধা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “ঈদের আগে নতুন শাড়ি পাব, কখনো ভাবিনি। আল্লাহ ওনার মঙ্গল করুন।” অন্য এক সুবিধাভোগী বলেন, “এই উপহার আমাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। ঈদে নতুন জামা-কাপড় কিনতে পারতাম না, এখন অন্তত ঈদের দিন ভালো কিছু পরতে পারব।”
আবদুর রহীমের পরিবারের পক্ষ থেকে এই আয়োজন করা হয়। তার বড় ভাই আবদুল আউয়াল জহির বলেন, “আল্লাহ আমাদের পরিবারকে অনেক কিছু দিয়েছেন। তাই আমরা সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
উপহার বিতরনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আবদুর রহীমের ছোট ভাই আবদুর রহমান সাজ্জাদ ও নাজমুল কাজী, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা খান বাহাদুর, সমাজসেবক শাহদাত আরমান, রাকীব ড্রাইভারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
আবদুর রহীম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব নুর আমিন (মাইজ্জা মিয়া)-এর বড় ছেলে। তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা ও নানান উদ্যোগ নিয়ে আসছে।
এমন মানবিক উদ্যোগে মুছাপুরের দরিদ্র মানুষদের মুখে হাসি ফুটেছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, সমাজের অন্যান্য বিত্তবানরাও এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে গরীবদের পাশে দাঁড়াবেন।